শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

মেহেরপুর গাংনীর তকিরুল হত্যা মামলা স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭
  • ৭৬৯ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর  সংবাদদাতা, মেহেরপুর ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের তকিরুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামী একই গ্রামের আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী বেলিয়ারাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা টি এম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে ওই দন্ডাদেশ দেন। মামলার অপর ১০ আসামি হাড়িয়াদহ গ্রামের ইনফারুল, আত্তাহার, মাহাতাব, আব্বাস, খবির, মহিদুল ও নূরু ফকির এবং ধানখোলা গ্রামের মাসুদ, বজলু ও আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমান না হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাদের বেকসুর খালাস দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ জুলাই মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের খয়েরউদ্দিনের ছেলে তকিরুল ইসলাম রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন বেলা ১১ টার দিকে হাড়িয়াদহ গ্রামের মাঠের মধ্যে তকিরুল ইসলামের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার হয়। তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয় ও তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিন নিহত তকিরুল ইসলামের বড়ভাই রমজান আলী বাদি হয়ে হাড়িয়াদহ গ্রামের কাবাতুল্লাহ’র ছেলে আব্দুল জব্বার ও আব্দুল জব্বারের স্ত্রী বেলিয়ারাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার এস.আই শফিকুল ইসলাম ও এস. আই গোলাম মোহাম্মদ মোট ১২ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করেন।
দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক এদিন আসামি আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী বেলিয়ারাকে ওই সাজা দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট কাজি শহিদুল এবং আসামি পক্ষের কৌসুলি ছিলেন অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম শাহীন ও অ্যাডভোকেট রমজান আলী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

মেহেরপুর গাংনীর তকিরুল হত্যা মামলা স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭

মেহেরপুর  সংবাদদাতা, মেহেরপুর ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের তকিরুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামী একই গ্রামের আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী বেলিয়ারাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা টি এম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে ওই দন্ডাদেশ দেন। মামলার অপর ১০ আসামি হাড়িয়াদহ গ্রামের ইনফারুল, আত্তাহার, মাহাতাব, আব্বাস, খবির, মহিদুল ও নূরু ফকির এবং ধানখোলা গ্রামের মাসুদ, বজলু ও আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমান না হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাদের বেকসুর খালাস দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ জুলাই মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের খয়েরউদ্দিনের ছেলে তকিরুল ইসলাম রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন বেলা ১১ টার দিকে হাড়িয়াদহ গ্রামের মাঠের মধ্যে তকিরুল ইসলামের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার হয়। তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয় ও তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিন নিহত তকিরুল ইসলামের বড়ভাই রমজান আলী বাদি হয়ে হাড়িয়াদহ গ্রামের কাবাতুল্লাহ’র ছেলে আব্দুল জব্বার ও আব্দুল জব্বারের স্ত্রী বেলিয়ারাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার এস.আই শফিকুল ইসলাম ও এস. আই গোলাম মোহাম্মদ মোট ১২ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করেন।
দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক এদিন আসামি আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী বেলিয়ারাকে ওই সাজা দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট কাজি শহিদুল এবং আসামি পক্ষের কৌসুলি ছিলেন অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম শাহীন ও অ্যাডভোকেট রমজান আলী।