বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

বিলাসবহুল ১১৩ গাড়ি নিলামে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭
  • ৭৮২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিলাসবহুল ১১৩টি গাড়ির নিলাম ডেকেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ২৪ মে।
গতকাল রোববার চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

নিলামে তোলা গাড়ির মধ্যে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, মিতসুবিশি, লেক্সাস, ফোর্ড কার, জাগুয়ার, ল্যান্ড ক্রুজার জিপও ল্যান্ড রোভার গাড়ি রয়েছে। এগুলো তৈরির সাল গাড়িভেদে ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত।

নিলামকৃত গাড়ির মধ্যে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের ৩০টি, মার্সিডিজ বেঞ্জ ২২টি, মিতসুবিশি ২১টি, নয়টি লেক্সাস গাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া ফোর্ড কার, জাগুয়ার, ল্যান্ড ক্রুজার জিপ, ল্যান্ড রোভার গাড়ি রয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে এসব গাড়ি কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আনা হয়। পর্যটকদের জন্য শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা নিয়ে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরা। খালাস না নেওয়া এমন গাড়ির সংখ্যা ১২২টি। এর মধ্যে এবার ১১৩টি নিলামে তোলা হয়েছে। মামলার কারণে নয়টি গাড়ি নিলামে তোলা যায়নি।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ২৩ থেকে ২৪ মে বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের নির্ধারিত ১৮টি স্থানে দরপত্রজমা দেওয়া যাবে। ২৪ মে বেলা দুইটার পর দরদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র বাক্স খোলা হবে। বন্দরের ৪ নম্বর ফটকে নিলাম কেন্দ্র থেকে ক্যাটালগ ও দরপত্র কেনা যাবে ২৩ মে পর্যন্ত।

নিলাম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই নিলামে অংশ নিতে পারবেন। এজন্য তিনি যে মূল্যে গাড়ি কেনারদর উল্লেখ করবেন, তার ১০ শতাংশ মূল্য কাস্টমস কমিশনার বরাবর পে-অর্ডার করতে হবে। ব্যক্তি হলে আয়কর সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র দরপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠান হলে ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর বা ভ্যাটের সনদ দিতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

বিলাসবহুল ১১৩ গাড়ি নিলামে !

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিলাসবহুল ১১৩টি গাড়ির নিলাম ডেকেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ২৪ মে।
গতকাল রোববার চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

নিলামে তোলা গাড়ির মধ্যে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, মিতসুবিশি, লেক্সাস, ফোর্ড কার, জাগুয়ার, ল্যান্ড ক্রুজার জিপও ল্যান্ড রোভার গাড়ি রয়েছে। এগুলো তৈরির সাল গাড়িভেদে ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত।

নিলামকৃত গাড়ির মধ্যে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের ৩০টি, মার্সিডিজ বেঞ্জ ২২টি, মিতসুবিশি ২১টি, নয়টি লেক্সাস গাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া ফোর্ড কার, জাগুয়ার, ল্যান্ড ক্রুজার জিপ, ল্যান্ড রোভার গাড়ি রয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে এসব গাড়ি কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আনা হয়। পর্যটকদের জন্য শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা নিয়ে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরা। খালাস না নেওয়া এমন গাড়ির সংখ্যা ১২২টি। এর মধ্যে এবার ১১৩টি নিলামে তোলা হয়েছে। মামলার কারণে নয়টি গাড়ি নিলামে তোলা যায়নি।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ২৩ থেকে ২৪ মে বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের নির্ধারিত ১৮টি স্থানে দরপত্রজমা দেওয়া যাবে। ২৪ মে বেলা দুইটার পর দরদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র বাক্স খোলা হবে। বন্দরের ৪ নম্বর ফটকে নিলাম কেন্দ্র থেকে ক্যাটালগ ও দরপত্র কেনা যাবে ২৩ মে পর্যন্ত।

নিলাম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই নিলামে অংশ নিতে পারবেন। এজন্য তিনি যে মূল্যে গাড়ি কেনারদর উল্লেখ করবেন, তার ১০ শতাংশ মূল্য কাস্টমস কমিশনার বরাবর পে-অর্ডার করতে হবে। ব্যক্তি হলে আয়কর সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র দরপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠান হলে ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর বা ভ্যাটের সনদ দিতে হবে।