পরিবেশবান্ধব নীতিতে সরকারের উন্নয়ন কাজ !

  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ মে ২০১৭
  • ৭৩৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু বলেছেন, সরকার উন্নয়নের মহাসড়কে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। এ উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে সরকার পরিবেশবান্ধব নীতি থেকে সরে আসছে না। গত বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী নিরাপদ নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মেলার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের আয়োজনে এই  প্রদর্শনী মেলা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে দেশ-বিদেশের মোট ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের স্টল রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকার উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছে। তবে এই উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে সরকার পরিবেশবান্ধব নীতি থেকে সরে আসছে না। পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সরকারের নেওয়া কিছু নতুন পরিকল্পনা যেমন এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে, গভীর সমুদ্রবন্দর, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল প্রজেক্ট এবং নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

তিনি বলেন, এই মেগা প্রজেক্টগুলো বাংলাদেশের জন্য কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রিজ খোলার অফুরন্ত সুযোগ করে দিয়েছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগাতে কনস্ট্রাকশন ম্যাটিরিয়াল, কনস্ট্রাকশন টুল এবং সহকারী সব কিছুরই প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

তিনি জানান, সেইফকন ২০১৭ দেশে বিশ্বমানের নির্মাণ শিল্পখাত গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এতে দেশ-বিদেশের ৬৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানিখাত প্রায় ৪০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালায় ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের সরকার ৫০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দৈনিক গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে তা ২ হাজার ৭৪০ ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

দেশের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসারর আহ্বান জানিয়ে আমু বলেন, প্রদর্শনীতে পাওয়ার ও রিনিউবল অ্যানার্জিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আলাদাভাবে, যা প্রশংসার দাবিদার। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়জুল আলম।
অনুষ্ঠানে ইনিস্টিউট অব ইঞ্জিনিয়ারস (আইইবি) এর প্রাক্তন সভাপতি ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ড. এম. শামীম জেড বসু মিয়া, সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির (ইডকল) নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ মালিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবেশবান্ধব নীতিতে সরকারের উন্নয়ন কাজ !

আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু বলেছেন, সরকার উন্নয়নের মহাসড়কে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। এ উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে সরকার পরিবেশবান্ধব নীতি থেকে সরে আসছে না। গত বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী নিরাপদ নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মেলার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের আয়োজনে এই  প্রদর্শনী মেলা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে দেশ-বিদেশের মোট ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের স্টল রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকার উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছে। তবে এই উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে সরকার পরিবেশবান্ধব নীতি থেকে সরে আসছে না। পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সরকারের নেওয়া কিছু নতুন পরিকল্পনা যেমন এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে, গভীর সমুদ্রবন্দর, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল প্রজেক্ট এবং নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

তিনি বলেন, এই মেগা প্রজেক্টগুলো বাংলাদেশের জন্য কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রিজ খোলার অফুরন্ত সুযোগ করে দিয়েছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগাতে কনস্ট্রাকশন ম্যাটিরিয়াল, কনস্ট্রাকশন টুল এবং সহকারী সব কিছুরই প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

তিনি জানান, সেইফকন ২০১৭ দেশে বিশ্বমানের নির্মাণ শিল্পখাত গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এতে দেশ-বিদেশের ৬৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানিখাত প্রায় ৪০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালায় ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের সরকার ৫০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দৈনিক গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে তা ২ হাজার ৭৪০ ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

দেশের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসারর আহ্বান জানিয়ে আমু বলেন, প্রদর্শনীতে পাওয়ার ও রিনিউবল অ্যানার্জিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আলাদাভাবে, যা প্রশংসার দাবিদার। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়জুল আলম।
অনুষ্ঠানে ইনিস্টিউট অব ইঞ্জিনিয়ারস (আইইবি) এর প্রাক্তন সভাপতি ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ড. এম. শামীম জেড বসু মিয়া, সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির (ইডকল) নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ মালিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।