মঙ্গলবার | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী Logo খুবির ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘মাইন্ড দ্য হ্যাক’ গ্রান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত Logo পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গোপন ভিডিও রেকর্ড ধারন করার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায়  জিডি Logo চাঁদপুরে নিম্নমানের খেজুরে তেল মিশিয়ে বিক্রি, প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo বিপুল ভোটে বিজয়ী এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় চাঁদপুরবাসী Logo চাঁদপুরে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে বিজয়ীর ‘ইফতার বিতরণ Logo গাইবান্ধায় মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে অমানুবিক নির্যাতনের শিকার  Logo পলাশবাড়ীতে অন্ধকারে দুর্বৃত্তের হামলা যুবদল নেতা গুরুতর আহত  Logo ছায়া মন্ত্রীসভা গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন।   — তৌফিক সুলতান  Logo নওগা স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কমিটির নেতৃত্বে সাফি- তৌফিক 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল 

গাইবান্ধা জেলার প্রথম দফার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় পার্টি, খেলাফত মজলিস এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এই ফলাফল আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে এ কারণে যে, তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবী হিসেবে তার প্রার্থী হওয়া নির্বাচনী আইনে নিষিদ্ধ। তার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছে; অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যান্য নির্বাচনে একই পেশার প্রার্থীরা কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রমজান আলী এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহফুজুল হক সরদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না হওয়ার অভিযোগে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, তাদের দলীয় নেতৃত্ব থেকে প্রাপ্ত মনোনয়নপত্রে আনুষ্ঠানিক ত্রুটি ও অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. সালমা আক্তারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে সমর্থনকারী ভোটারদের তালিকা সঠিক না হওয়ার কারণে। তার দাখিল করা ভোটার তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিনের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
অন্যদিকে, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মিহির কুমার ঘোষের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না হওয়ার অভিযোগে। দলীয় সূত্রমতে, মনোনয়নপত্র দাখিল প্রক্রিয়ায় সাংগঠনিক ত্রুটির কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আরেক প্রার্থী মো. আব্দুল মাজেদের মনোনয়নপত্রও একই কারণে বাতিল হয়েছে। দলটির দুই আসনে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা লাগবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম গোলাম আযমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে হলফনামায় তার নিজস্ব স্বাক্ষর না থাকার কারণে। এটি একটি আনুষ্ঠানিক ত্রুটি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এসব মনোনয়নপত্র যাচাই করেছে। তাদের দাবি, নির্বাচনী আইন ও বিধি-বিধান অনুসারে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, এই বাতিল সিদ্ধান্তগুলো গাইবান্ধার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে ইসলামী দলগুলোর একাধিক প্রার্থীর অযোগ্যতা ঐতিহ্যগত ভোটারদের জন্য নতুন চিন্তার সৃষ্টি করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ইতিমধ্যেই এই বাতিল সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে এত ত্রুটি পাওয়া যাচ্ছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল 

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধা জেলার প্রথম দফার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় পার্টি, খেলাফত মজলিস এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এই ফলাফল আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে এ কারণে যে, তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবী হিসেবে তার প্রার্থী হওয়া নির্বাচনী আইনে নিষিদ্ধ। তার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছে; অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যান্য নির্বাচনে একই পেশার প্রার্থীরা কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রমজান আলী এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহফুজুল হক সরদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না হওয়ার অভিযোগে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, তাদের দলীয় নেতৃত্ব থেকে প্রাপ্ত মনোনয়নপত্রে আনুষ্ঠানিক ত্রুটি ও অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. সালমা আক্তারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে সমর্থনকারী ভোটারদের তালিকা সঠিক না হওয়ার কারণে। তার দাখিল করা ভোটার তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিনের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
অন্যদিকে, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মিহির কুমার ঘোষের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না হওয়ার অভিযোগে। দলীয় সূত্রমতে, মনোনয়নপত্র দাখিল প্রক্রিয়ায় সাংগঠনিক ত্রুটির কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আরেক প্রার্থী মো. আব্দুল মাজেদের মনোনয়নপত্রও একই কারণে বাতিল হয়েছে। দলটির দুই আসনে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা লাগবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম গোলাম আযমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে হলফনামায় তার নিজস্ব স্বাক্ষর না থাকার কারণে। এটি একটি আনুষ্ঠানিক ত্রুটি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এসব মনোনয়নপত্র যাচাই করেছে। তাদের দাবি, নির্বাচনী আইন ও বিধি-বিধান অনুসারে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, এই বাতিল সিদ্ধান্তগুলো গাইবান্ধার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে ইসলামী দলগুলোর একাধিক প্রার্থীর অযোগ্যতা ঐতিহ্যগত ভোটারদের জন্য নতুন চিন্তার সৃষ্টি করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ইতিমধ্যেই এই বাতিল সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে এত ত্রুটি পাওয়া যাচ্ছে।