সোমবার | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা Logo জীবননগরে বাবু খানরে নেতৃত্বে এক কিলোমিটারজুড়ে বিএনপির গণমিছিল Logo বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে বিএনপির পক্ষে ভোট চাইলেন জাবি শিক্ষকরা Logo আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায় ও ইনসাফের অঙ্গীকার: কয়রায় জামায়াতের জনসমাবেশ Logo হাইমচরে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সমর্থনে বিশাল জনসভা Logo চাঁদপুর ৩ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার নির্বাচনী গনমিছিল Logo ফরিদগঞ্জে হাতপাখার সমর্থনে বিশাল সমাবেশ Logo প্রাথমিকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেল আব্দুল্লাহ আরিয়ান রাকিন Logo গাইবান্ধার ০৩ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ভোটারদের ভূমিকা এমপি নির্বাচনে অনেকটাই ভাগ্য নির্ধারক হিসেবে দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা  Logo চাঁদপুরে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

পলাশবাড়ীতে একই মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮০৯ বার পড়া হয়েছে
বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে তাওহীদ রহমানের মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
৮ নভেম্বর সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে অবস্থিত নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে লাইসেন্স না থাকা এবং বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরে অবস্থিত তাওহীদ রহমানের বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান—
জনসেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার,নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও জেলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা।
স্থানীয় সূত্র ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুসহ ভুল চিকিৎসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৪ নভেম্বর পলাশবাড়ীর জনসেবা ক্লিনিকে সিজার অপারেশনের সময় অ্যানেসথেসিয়ায় গুরুতর অনিয়মের কারণে এক প্রসূতির মৃত্যু হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদ এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে চারটি প্রতিষ্ঠানেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় প্রতিষ্ঠান চালু করার চেষ্টা করলে মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চারটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাওহীদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

পলাশবাড়ীতে একই মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে তাওহীদ রহমানের মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
৮ নভেম্বর সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে অবস্থিত নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে লাইসেন্স না থাকা এবং বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরে অবস্থিত তাওহীদ রহমানের বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান—
জনসেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার,নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও জেলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা।
স্থানীয় সূত্র ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুসহ ভুল চিকিৎসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৪ নভেম্বর পলাশবাড়ীর জনসেবা ক্লিনিকে সিজার অপারেশনের সময় অ্যানেসথেসিয়ায় গুরুতর অনিয়মের কারণে এক প্রসূতির মৃত্যু হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদ এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে চারটি প্রতিষ্ঠানেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় প্রতিষ্ঠান চালু করার চেষ্টা করলে মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চারটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাওহীদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।