শুক্রবার | ২৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলা! ওসিসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত।। থানায় মামলা- আটক -১ Logo বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা বোর্ডে সদস্য হলেন খুবির অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত Logo কয়রার ঘুগরাকাটি বাজারে জুতা ব্যবসায়ী ছিনতাইয়ের শিকার, আহত Logo পলাশবাড়ীতে গণহত্যা দিবস পালিত Logo পলাশবাড়ীতে উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত  লক্ষাধিক টাকার  মুল্যবান  কাঠ চুরি Logo কচুয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়রানি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo কয়রায় অন্ডকোষ চেপে স্বামীকে হত্যা-স্ত্রী আটক Logo শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩০০ কার্টন সিগারেট জব্দ Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন

পলাশবাড়ীতে একই মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৩৪ বার পড়া হয়েছে
বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে তাওহীদ রহমানের মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
৮ নভেম্বর সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে অবস্থিত নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে লাইসেন্স না থাকা এবং বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরে অবস্থিত তাওহীদ রহমানের বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান—
জনসেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার,নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও জেলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা।
স্থানীয় সূত্র ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুসহ ভুল চিকিৎসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৪ নভেম্বর পলাশবাড়ীর জনসেবা ক্লিনিকে সিজার অপারেশনের সময় অ্যানেসথেসিয়ায় গুরুতর অনিয়মের কারণে এক প্রসূতির মৃত্যু হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদ এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে চারটি প্রতিষ্ঠানেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় প্রতিষ্ঠান চালু করার চেষ্টা করলে মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চারটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাওহীদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলা! ওসিসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত।। থানায় মামলা- আটক -১

পলাশবাড়ীতে একই মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে তাওহীদ রহমানের মালিকানাধীন চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
৮ নভেম্বর সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে অবস্থিত নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে লাইসেন্স না থাকা এবং বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরে অবস্থিত তাওহীদ রহমানের বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান—
জনসেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ লাইফ ক্লিনিক অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টার,নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও জেলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা।
স্থানীয় সূত্র ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুসহ ভুল চিকিৎসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৪ নভেম্বর পলাশবাড়ীর জনসেবা ক্লিনিকে সিজার অপারেশনের সময় অ্যানেসথেসিয়ায় গুরুতর অনিয়মের কারণে এক প্রসূতির মৃত্যু হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদ এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে চারটি প্রতিষ্ঠানেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় প্রতিষ্ঠান চালু করার চেষ্টা করলে মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চারটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাওহীদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।