শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ Logo রাবি ময়মনসিংহ জেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা

যুদ্ধবিরতির আবেদন করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা পাকিস্তানের

সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছে—ভারতীয় গণমাধ্যমের এমন দাবি ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা কেবলমাত্র ভারতীয় আগ্রাসনের জবাবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে।

আজ শনিবার (২১ জুন) জারি করা বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এফও) জানায়, ‘ভারতের আগ্রাসনের পর পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছে’—ভারতীয় গণমাধ্যমে উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেনেটর ইসহাক দারের নামে এমন ‘ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দার তার বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে বলেছেন, পাকিস্তান ভারতের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিয়েছে এবং তা ছিল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া।’

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, তারা সংঘাত শুরু করেনি এবং কোনো দেশের কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদনও জানায়নি। বরং বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, ১০ মে সকালে শুরু হয় কূটনৈতিক তৎপরতা। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে ফোন করে জানান, ভারত যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে ভাবতে প্রস্তুত, যদি পাকিস্তানও সম্মত হয়।

দার তখনই পাকিস্তানের সম্মতির বিষয়টি জানিয়ে দেন। এরপর সকাল ৯টার দিকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল ফোন করে ভারতের অবস্থান পুনরায় জানান এবং পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক সম্মতি চান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান সর্বদা কৌশলগত সংযম ও দায়িত্বশীল কূটনীতির মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ‘যুদ্ধ পাকিস্তান শুরু করেনি এবং কাউকে যুদ্ধবিরতির আবেদনও জানায়নি। কেবল তৃতীয় পক্ষের অনুরোধে সম্মত হয়েছে,’—বলা হয় বিবৃতিতে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

যুদ্ধবিরতির আবেদন করার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা পাকিস্তানের

আপডেট সময় : ১২:১০:৫৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছে—ভারতীয় গণমাধ্যমের এমন দাবি ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা কেবলমাত্র ভারতীয় আগ্রাসনের জবাবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে।

আজ শনিবার (২১ জুন) জারি করা বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এফও) জানায়, ‘ভারতের আগ্রাসনের পর পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছে’—ভারতীয় গণমাধ্যমে উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেনেটর ইসহাক দারের নামে এমন ‘ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দার তার বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে বলেছেন, পাকিস্তান ভারতের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিয়েছে এবং তা ছিল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া।’

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, তারা সংঘাত শুরু করেনি এবং কোনো দেশের কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদনও জানায়নি। বরং বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, ১০ মে সকালে শুরু হয় কূটনৈতিক তৎপরতা। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে ফোন করে জানান, ভারত যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে ভাবতে প্রস্তুত, যদি পাকিস্তানও সম্মত হয়।

দার তখনই পাকিস্তানের সম্মতির বিষয়টি জানিয়ে দেন। এরপর সকাল ৯টার দিকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল ফোন করে ভারতের অবস্থান পুনরায় জানান এবং পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক সম্মতি চান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান সর্বদা কৌশলগত সংযম ও দায়িত্বশীল কূটনীতির মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ‘যুদ্ধ পাকিস্তান শুরু করেনি এবং কাউকে যুদ্ধবিরতির আবেদনও জানায়নি। কেবল তৃতীয় পক্ষের অনুরোধে সম্মত হয়েছে,’—বলা হয় বিবৃতিতে।