শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

ইবিতে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘চলো যাই যুদ্ধে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে’; ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করো, জানোয়ারদের বিচার করো’; ‘আমার বোন রাস্তায় চলবে, নিরাপদে ঘরে ফিরবে’; ‘নারী জাগলে সমাজ জাগবে, ধর্ষকের রাজত্ব ভাঙবে’; ‘আমাদের এই সমাজে, ধর্ষকের ঠাই নাই’; ‘বিচার চাই, আজই চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’; ‘আইন যদি না দেয় শাস্তি, জনতাই দেবে প্রতিবাদ গাঁথি’; ‘তনু, নুসরাত, নীলা, মৌমিতা, আর কত হবে নীরবতা’; ‘রুখে দাঁড়াও সবাই এবার, ধর্ষকের শেষ হবে এবার’; ‘নারী মানে মা-বোন সবার, তাদের প্রতি কেন অত্যাচার?’ ইত্যাদি লেখা-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়৷

সুকান্ত দাস বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরিয়ে দিন। আপনাদের আপ্যায়ন করে ঐ চেয়ারে বসানো হয়নি। এই মেয়েরা আপনাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। আপনাদের চেয়ারে বসার রাস্তাটা রক্তরঞ্জিত ছিল। আপনার যদি ধর্ষণের বিচার করতে না পারেন, তাহলে সোজা করে বলে দেন যে আমরা পারব না। একজন ইমাম তাহলে ধর্ষকের যে বিচার করবে, আমরা তা মেনে নেব।’

শাওয়ানা শামীম বলেন, ‘চব্বিশের স্বৈরাচার পতন আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের একটি স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এসে আইন ও শাসনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ভাবে নারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পরে যখন আমরা পুলিশে অভিযোগ দেই তার কিছুদিন পর দেখা যায় ধর্ষকেরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এই যদি অবস্থা হয় তাহলে নারীরা কীভাবে তাদের অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ইবিতে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘চলো যাই যুদ্ধে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে’; ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করো, জানোয়ারদের বিচার করো’; ‘আমার বোন রাস্তায় চলবে, নিরাপদে ঘরে ফিরবে’; ‘নারী জাগলে সমাজ জাগবে, ধর্ষকের রাজত্ব ভাঙবে’; ‘আমাদের এই সমাজে, ধর্ষকের ঠাই নাই’; ‘বিচার চাই, আজই চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’; ‘আইন যদি না দেয় শাস্তি, জনতাই দেবে প্রতিবাদ গাঁথি’; ‘তনু, নুসরাত, নীলা, মৌমিতা, আর কত হবে নীরবতা’; ‘রুখে দাঁড়াও সবাই এবার, ধর্ষকের শেষ হবে এবার’; ‘নারী মানে মা-বোন সবার, তাদের প্রতি কেন অত্যাচার?’ ইত্যাদি লেখা-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়৷

সুকান্ত দাস বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরিয়ে দিন। আপনাদের আপ্যায়ন করে ঐ চেয়ারে বসানো হয়নি। এই মেয়েরা আপনাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। আপনাদের চেয়ারে বসার রাস্তাটা রক্তরঞ্জিত ছিল। আপনার যদি ধর্ষণের বিচার করতে না পারেন, তাহলে সোজা করে বলে দেন যে আমরা পারব না। একজন ইমাম তাহলে ধর্ষকের যে বিচার করবে, আমরা তা মেনে নেব।’

শাওয়ানা শামীম বলেন, ‘চব্বিশের স্বৈরাচার পতন আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের একটি স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এসে আইন ও শাসনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ভাবে নারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পরে যখন আমরা পুলিশে অভিযোগ দেই তার কিছুদিন পর দেখা যায় ধর্ষকেরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এই যদি অবস্থা হয় তাহলে নারীরা কীভাবে তাদের অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই।’