সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের

ইবিতে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘চলো যাই যুদ্ধে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে’; ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করো, জানোয়ারদের বিচার করো’; ‘আমার বোন রাস্তায় চলবে, নিরাপদে ঘরে ফিরবে’; ‘নারী জাগলে সমাজ জাগবে, ধর্ষকের রাজত্ব ভাঙবে’; ‘আমাদের এই সমাজে, ধর্ষকের ঠাই নাই’; ‘বিচার চাই, আজই চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’; ‘আইন যদি না দেয় শাস্তি, জনতাই দেবে প্রতিবাদ গাঁথি’; ‘তনু, নুসরাত, নীলা, মৌমিতা, আর কত হবে নীরবতা’; ‘রুখে দাঁড়াও সবাই এবার, ধর্ষকের শেষ হবে এবার’; ‘নারী মানে মা-বোন সবার, তাদের প্রতি কেন অত্যাচার?’ ইত্যাদি লেখা-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়৷

সুকান্ত দাস বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরিয়ে দিন। আপনাদের আপ্যায়ন করে ঐ চেয়ারে বসানো হয়নি। এই মেয়েরা আপনাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। আপনাদের চেয়ারে বসার রাস্তাটা রক্তরঞ্জিত ছিল। আপনার যদি ধর্ষণের বিচার করতে না পারেন, তাহলে সোজা করে বলে দেন যে আমরা পারব না। একজন ইমাম তাহলে ধর্ষকের যে বিচার করবে, আমরা তা মেনে নেব।’

শাওয়ানা শামীম বলেন, ‘চব্বিশের স্বৈরাচার পতন আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের একটি স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এসে আইন ও শাসনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ভাবে নারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পরে যখন আমরা পুলিশে অভিযোগ দেই তার কিছুদিন পর দেখা যায় ধর্ষকেরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এই যদি অবস্থা হয় তাহলে নারীরা কীভাবে তাদের অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী

ইবিতে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘চলো যাই যুদ্ধে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে’; ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করো, জানোয়ারদের বিচার করো’; ‘আমার বোন রাস্তায় চলবে, নিরাপদে ঘরে ফিরবে’; ‘নারী জাগলে সমাজ জাগবে, ধর্ষকের রাজত্ব ভাঙবে’; ‘আমাদের এই সমাজে, ধর্ষকের ঠাই নাই’; ‘বিচার চাই, আজই চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’; ‘আইন যদি না দেয় শাস্তি, জনতাই দেবে প্রতিবাদ গাঁথি’; ‘তনু, নুসরাত, নীলা, মৌমিতা, আর কত হবে নীরবতা’; ‘রুখে দাঁড়াও সবাই এবার, ধর্ষকের শেষ হবে এবার’; ‘নারী মানে মা-বোন সবার, তাদের প্রতি কেন অত্যাচার?’ ইত্যাদি লেখা-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়৷

সুকান্ত দাস বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরিয়ে দিন। আপনাদের আপ্যায়ন করে ঐ চেয়ারে বসানো হয়নি। এই মেয়েরা আপনাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। আপনাদের চেয়ারে বসার রাস্তাটা রক্তরঞ্জিত ছিল। আপনার যদি ধর্ষণের বিচার করতে না পারেন, তাহলে সোজা করে বলে দেন যে আমরা পারব না। একজন ইমাম তাহলে ধর্ষকের যে বিচার করবে, আমরা তা মেনে নেব।’

শাওয়ানা শামীম বলেন, ‘চব্বিশের স্বৈরাচার পতন আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের একটি স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এসে আইন ও শাসনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ভাবে নারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পরে যখন আমরা পুলিশে অভিযোগ দেই তার কিছুদিন পর দেখা যায় ধর্ষকেরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এই যদি অবস্থা হয় তাহলে নারীরা কীভাবে তাদের অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই।’