শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

শত্রুতার জের ধরে কচুয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন!

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:২৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

মো: মাসুদ রানা (কচুয়া)

চাঁদপুরের কচুয়ায় রাতের আঁধারে মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নে নোয়াদ্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার সকালে মাছগুলো পানিতে ভেসে উঠলে ভুক্তভোগী মৎস চাষি মানিক ও রাসেল হোসেন বুঝতে পারেন। এতে প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষসিাধন হয়েছে বলেও জানান ভূক্তভোগীরা। ওইদিন মানিক মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে মান্নান মিয়া,রুবেল,শামীম হোসেন ও আব্দুল জলিলকে আসামী করে কচুয়া থানায় একটি লিভিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাদীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার ৬নং উত্তর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মানিক মিয়া ও রাসেল হোসেন নামের দুই মামাতো ও ফুফাতে ভাই ওই প্রজেক্টে মাছের চাষ করছেন। স্থানীয় এনজিও থেকে ঋন নিয়ে প্রায় বছর খানেক পূর্বে মাছের পোনা চাষ করেন। কিন্তু রাতের আধাঁরে বিষ প্রয়োগে দুই ভাইয়ের স্বপ্ন এখন ধূলিসাৎ হয়েছে। সম্প্রতি কিছু কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল শুত্রুতার জেরে দিবাগত রাতে মাছের প্রজেক্টে বিষ দেয়। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি ভুক্তভোগী দুই ভাইয়ের।
ভূক্তভোগী মানিক মিয়া ও রাসেল হোসেন বলেন, আমরা গরীব মানুষ। মাছ চাষ করে জীবিকা-নির্বাহ করি। বিষ প্রয়োগে আমাদের সব স্বপ্ন মাটি হয়ে গেছে। গত বছর ব্যাংক ও এনজিও সংস্থা থেকে ঋণ নেই। এখন আমরা কীভাবে টাকা পরিশোধ করবো, কিছুই বুঝতেছি না। যারা এমন ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে তাদের আইনের আওতা এনে শাস্তির দাবি জানাই।

কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুল হালিম বলেন, নোয়াদ্দা গ্রামে মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

শত্রুতার জের ধরে কচুয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন!

আপডেট সময় : ০২:৫২:২৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

মো: মাসুদ রানা (কচুয়া)

চাঁদপুরের কচুয়ায় রাতের আঁধারে মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নে নোয়াদ্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার সকালে মাছগুলো পানিতে ভেসে উঠলে ভুক্তভোগী মৎস চাষি মানিক ও রাসেল হোসেন বুঝতে পারেন। এতে প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষসিাধন হয়েছে বলেও জানান ভূক্তভোগীরা। ওইদিন মানিক মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে মান্নান মিয়া,রুবেল,শামীম হোসেন ও আব্দুল জলিলকে আসামী করে কচুয়া থানায় একটি লিভিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাদীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার ৬নং উত্তর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মানিক মিয়া ও রাসেল হোসেন নামের দুই মামাতো ও ফুফাতে ভাই ওই প্রজেক্টে মাছের চাষ করছেন। স্থানীয় এনজিও থেকে ঋন নিয়ে প্রায় বছর খানেক পূর্বে মাছের পোনা চাষ করেন। কিন্তু রাতের আধাঁরে বিষ প্রয়োগে দুই ভাইয়ের স্বপ্ন এখন ধূলিসাৎ হয়েছে। সম্প্রতি কিছু কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল শুত্রুতার জেরে দিবাগত রাতে মাছের প্রজেক্টে বিষ দেয়। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি ভুক্তভোগী দুই ভাইয়ের।
ভূক্তভোগী মানিক মিয়া ও রাসেল হোসেন বলেন, আমরা গরীব মানুষ। মাছ চাষ করে জীবিকা-নির্বাহ করি। বিষ প্রয়োগে আমাদের সব স্বপ্ন মাটি হয়ে গেছে। গত বছর ব্যাংক ও এনজিও সংস্থা থেকে ঋণ নেই। এখন আমরা কীভাবে টাকা পরিশোধ করবো, কিছুই বুঝতেছি না। যারা এমন ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে তাদের আইনের আওতা এনে শাস্তির দাবি জানাই।

কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুল হালিম বলেন, নোয়াদ্দা গ্রামে মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।