লালমাইয়ে আগুনে পুড়ল তিন বসতঘর

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:২৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২০ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের দোশারীচোঁ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ছয়টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক নূরে আলম, খোরশেদ আলম এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক জসিম উদ্দিন।

ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলা থেকে একটি দল রওনা হয়, কিন্তু সরু রাস্তার কারণে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় ছাত্রজনতা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে ততক্ষণে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আগুন নেভাতে গিয়ে আহত হন গ্রামের রিকশাচালক আবদুল মান্নান ও কলেজ শিক্ষার্থী রিজনসহ কয়েকজন।

ক্ষতিগ্রস্ত জসিম উদ্দিন বলেন, “আমার সবকিছু শেষ। বসতঘর, রান্নাঘর এবং গোয়ালঘরসহ সব পুড়ে গেছে। নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ ঘরের আসবাবপত্র, ফ্রিজ, আলমারি সবকিছুই আগুনে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আজ থেকে আমাকে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।”

লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, খোরশেদ আলমের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনা তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালমাইয়ে আগুনে পুড়ল তিন বসতঘর

আপডেট সময় : ০৮:২৮:২৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের দোশারীচোঁ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ছয়টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক নূরে আলম, খোরশেদ আলম এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক জসিম উদ্দিন।

ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলা থেকে একটি দল রওনা হয়, কিন্তু সরু রাস্তার কারণে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় ছাত্রজনতা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে ততক্ষণে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আগুন নেভাতে গিয়ে আহত হন গ্রামের রিকশাচালক আবদুল মান্নান ও কলেজ শিক্ষার্থী রিজনসহ কয়েকজন।

ক্ষতিগ্রস্ত জসিম উদ্দিন বলেন, “আমার সবকিছু শেষ। বসতঘর, রান্নাঘর এবং গোয়ালঘরসহ সব পুড়ে গেছে। নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ ঘরের আসবাবপত্র, ফ্রিজ, আলমারি সবকিছুই আগুনে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আজ থেকে আমাকে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।”

লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, খোরশেদ আলমের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনা তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।