শনিবার | ৪ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না

পাট পচানো নিয়ে চরম বিপাকে কৃষক

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৩৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ আগস্ট ২০১৯
  • ৭৪৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট পচানো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা। খালে-বিলে-গর্তে পানি না থাকায় কৃষকেরা পাট কাটতে পারছেন না। এর ফলে পাট নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছর ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও পাট চাষ হয়েছে ৬ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে। বিগত বছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি, সেখানে চাষ হয় ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে বেশি পাট চাষ হয়েছে। ফলে এত পাট কোথায় জাগ দেবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। বর্ষা মৌসুমের শেষপ্রান্তে এসেও কৃষকেরা ভারী বর্ষণের জন্য অপেক্ষা করছেন। এ ছাড়া কিছু কিছু কৃষক শ্যালো মেশিন দিয়ে পুকুরে পানি জমিয়ে পাট পচাচ্ছেন। এতে খরচ পড়ছে বিঘাপ্রতি ৮০০-৯০০ টাকা। আবার কেউ কেউ পাটের আঁটিপ্রতি ৩ টাকা দরে পাট পচাচ্ছেন। সেখানেও জায়গা-সংকট থাকায় তাঁরা পাট কাটতে সাহস পাচ্ছেন না। বর্ষা মৌসুমের শেষে দিকেও মাঠের প্রায় শতকরা ৮০ শতাংশ পাট কাটা হয়নি। এ বিষয়ে কৃষক মজিবর রহমান, লালু মিয়া ও রবিউল ইসলাম জানান, ‘বর্তমানে বাজরে পাটের দাম যা আছে, তা নিয়ে আমরা খুশি। তবে পাট পচানো নিয়ে আমরা বিপদে আছি। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় পড়েছি।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের

পাট পচানো নিয়ে চরম বিপাকে কৃষক

আপডেট সময় : ১১:০২:৩৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ আগস্ট ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট পচানো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা। খালে-বিলে-গর্তে পানি না থাকায় কৃষকেরা পাট কাটতে পারছেন না। এর ফলে পাট নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছর ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও পাট চাষ হয়েছে ৬ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে। বিগত বছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি, সেখানে চাষ হয় ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে বেশি পাট চাষ হয়েছে। ফলে এত পাট কোথায় জাগ দেবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। বর্ষা মৌসুমের শেষপ্রান্তে এসেও কৃষকেরা ভারী বর্ষণের জন্য অপেক্ষা করছেন। এ ছাড়া কিছু কিছু কৃষক শ্যালো মেশিন দিয়ে পুকুরে পানি জমিয়ে পাট পচাচ্ছেন। এতে খরচ পড়ছে বিঘাপ্রতি ৮০০-৯০০ টাকা। আবার কেউ কেউ পাটের আঁটিপ্রতি ৩ টাকা দরে পাট পচাচ্ছেন। সেখানেও জায়গা-সংকট থাকায় তাঁরা পাট কাটতে সাহস পাচ্ছেন না। বর্ষা মৌসুমের শেষে দিকেও মাঠের প্রায় শতকরা ৮০ শতাংশ পাট কাটা হয়নি। এ বিষয়ে কৃষক মজিবর রহমান, লালু মিয়া ও রবিউল ইসলাম জানান, ‘বর্তমানে বাজরে পাটের দাম যা আছে, তা নিয়ে আমরা খুশি। তবে পাট পচানো নিয়ে আমরা বিপদে আছি। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় পড়েছি।’