শনিবার | ৪ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না

কৃষকদের নিকট থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯
  • ৭৬০ বার পড়া হয়েছে

আন্দুলবাড়ীয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
নিউজ ডেস্ক:জীবননগরের আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিকের বিরুদ্ধে সরকারি ধান ক্রয়ে কৃষকদের নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্লকের কয়েকজন তালিকাভুক্ত কৃষক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগটি নিশ্চিত করলেও অনেকে প্রভাবশালীদের চাপে মুখ খুলছেন না।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের নিশ্চিন্তপুর, ঘুগরাগাছি, নিধিকু-ু ও কুলতলা গ্রামের ২১ জন কৃষকের নামের তালিকা প্রস্তুত করেন। ওই তালিকায় কৃষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জনপ্রতি এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক।
জানা যায়, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে গোলাম রসুল, মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে ইউনুছ আলী ও আকবার আলীর ছেলে আশান হোসেনের নিকট কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক এক হাজার টাকা করে ঘুষ দাবি করেন। তাঁদের মধ্যে কৃষক গোলাম রসুল টাকা দিতে টালবাহানা করায় তিনি মুঠোফোনে তাঁকে কয়েকবার তাগিদ দেন। নিরুপায় হয়ে কৃষক গোলাম রসুল কৌশলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মুঠোফোনের কথোপকথন রেকর্ড করলে তাঁর ঘুষ গ্রহণ করার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। এরপর তাঁর ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে একে একে কয়েকজন কৃষক মুখ খুলতে শুরু করেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সরকার ন্যায্যমূলে ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে সরাসরি কৃষকদের নিকট ধান ক্রয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬০ জন কৃষকের নাম সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রত্যেক কৃষক এক মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করবেন। নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের চারজন, ঘুগরাগাছি গ্রামের আটজন, নিধিকুটু গ্রামের তিনজন ও কুলতলা গ্রামের ছয়জন কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করেন এবং কৃষকদের নিকট থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক ১ম ধাপের তালিকাভুক্ত কৃষকদের নিকট থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার পর এবার ২য় ধাপের তালিকা প্রস্তুত করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। ২য় ধাপে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৯ মেট্রিক টন।
এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের

কৃষকদের নিকট থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯

আন্দুলবাড়ীয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
নিউজ ডেস্ক:জীবননগরের আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিকের বিরুদ্ধে সরকারি ধান ক্রয়ে কৃষকদের নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্লকের কয়েকজন তালিকাভুক্ত কৃষক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগটি নিশ্চিত করলেও অনেকে প্রভাবশালীদের চাপে মুখ খুলছেন না।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের নিশ্চিন্তপুর, ঘুগরাগাছি, নিধিকু-ু ও কুলতলা গ্রামের ২১ জন কৃষকের নামের তালিকা প্রস্তুত করেন। ওই তালিকায় কৃষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জনপ্রতি এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক।
জানা যায়, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে গোলাম রসুল, মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে ইউনুছ আলী ও আকবার আলীর ছেলে আশান হোসেনের নিকট কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক এক হাজার টাকা করে ঘুষ দাবি করেন। তাঁদের মধ্যে কৃষক গোলাম রসুল টাকা দিতে টালবাহানা করায় তিনি মুঠোফোনে তাঁকে কয়েকবার তাগিদ দেন। নিরুপায় হয়ে কৃষক গোলাম রসুল কৌশলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মুঠোফোনের কথোপকথন রেকর্ড করলে তাঁর ঘুষ গ্রহণ করার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। এরপর তাঁর ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে একে একে কয়েকজন কৃষক মুখ খুলতে শুরু করেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সরকার ন্যায্যমূলে ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে সরাসরি কৃষকদের নিকট ধান ক্রয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬০ জন কৃষকের নাম সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রত্যেক কৃষক এক মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করবেন। নিশ্চিন্তপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের চারজন, ঘুগরাগাছি গ্রামের আটজন, নিধিকুটু গ্রামের তিনজন ও কুলতলা গ্রামের ছয়জন কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করেন এবং কৃষকদের নিকট থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিক ১ম ধাপের তালিকাভুক্ত কৃষকদের নিকট থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার পর এবার ২য় ধাপের তালিকা প্রস্তুত করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। ২য় ধাপে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৯ মেট্রিক টন।
এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বিন সাদিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।