শনিবার | ৪ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না

চুয়াডাঙ্গার গোপিনাথপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪০ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯
  • ৭৫৪ বার পড়া হয়েছে

অভিযুক্ত মালেককে জেলহাজতে, শিশুটি এখন সুস্থ

নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে ছয় বছর বয়সী প্রথম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালেককে (৫৫) জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নৌয়ালি গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ।
গতকাল শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার। তিনি জানান, যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা রতœা খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০০ আইনের ৯ (১) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়। এরপর ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মালেককে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে সদর থানার তিনটি ও ডিবি পুলিশের একটি দল। মামলার ২৫ ঘণ্টার মধ্যে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খানের নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির ও উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ ফোর্স নিয়ে যশোর জেলায় অভিযান পরিচালনা করেন। তাঁরা রাত দেড়টার দিকে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার নৌয়ালি গ্রাম থেকে আত্মগোপনে থাকা ধর্ষক আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। গ্রেপ্তার মালেককে গতকালই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আবু রাসেলসহ পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
এদিকে যৌন নিপীড়নের শিকার স্কুলছাত্রী এখনো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেছেন। শিগগিরই শিশুটি বাবা-মায়ের সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
প্রসঙ্গত, খাবারের লোভ দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের স্কুলপাড়ার ছয় বছরের ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে। এরপর ধর্ষক আব্দুল মালেক শিশুটিকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। পরে ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা রতœা খাতুন বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই ধর্ষক আব্দুল মালেককে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক আব্দুল মালেক পলাতক ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের

চুয়াডাঙ্গার গোপিনাথপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪০ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

অভিযুক্ত মালেককে জেলহাজতে, শিশুটি এখন সুস্থ

নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে ছয় বছর বয়সী প্রথম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালেককে (৫৫) জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নৌয়ালি গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ।
গতকাল শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার। তিনি জানান, যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা রতœা খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০০ আইনের ৯ (১) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়। এরপর ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মালেককে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে সদর থানার তিনটি ও ডিবি পুলিশের একটি দল। মামলার ২৫ ঘণ্টার মধ্যে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খানের নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির ও উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ ফোর্স নিয়ে যশোর জেলায় অভিযান পরিচালনা করেন। তাঁরা রাত দেড়টার দিকে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার নৌয়ালি গ্রাম থেকে আত্মগোপনে থাকা ধর্ষক আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। গ্রেপ্তার মালেককে গতকালই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আবু রাসেলসহ পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
এদিকে যৌন নিপীড়নের শিকার স্কুলছাত্রী এখনো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেছেন। শিগগিরই শিশুটি বাবা-মায়ের সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
প্রসঙ্গত, খাবারের লোভ দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের স্কুলপাড়ার ছয় বছরের ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে। এরপর ধর্ষক আব্দুল মালেক শিশুটিকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। পরে ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা রতœা খাতুন বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই ধর্ষক আব্দুল মালেককে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক আব্দুল মালেক পলাতক ছিলেন।