বৃহস্পতিবার | ১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও Logo জন্মদিন পালন না করে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আয়োজন জাবি ছাত্রদল নেতার Logo পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন Logo তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চাঁদপুরে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত Logo অস্ত্র কিনতে এসে খাগড়াছড়িতে আটক রাঙ্গুনিয়ার আইয়ুব Logo ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভাঙল তাপমাত্রার রেকর্ড Logo বিশ্বব্যাপী ‘বিভাজন’ বিশ্বের সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে : জাতিসংঘের শরণার্থী প্রধান Logo সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে Logo বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেবেন পাকিস্তানের স্পিকার Logo বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী ও দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ

দামুড়হুদায় ভাইয়ের হাতে ভাইসহ চারজন আহত

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০১৯
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদায় বাড়ির গেটের সামনে গোবর ফেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাই-ভাবিসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আনোয়ার হোসেনকে (৩২) দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর মাথায় ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে। আহত অপর তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর মাঝেরপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে।
আহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সালমা খাতুন বলেন, ‘দেবর মইনুলের স্ত্রী আমাদের বসতবাড়ির গেটের পাশে প্রায়ই গোবর ফেলে রাখে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ওই গোবর ছড়িয়ে পড়ে এবং চলাচলের সমস্যা হয়। কিছু বলতে গেলেই আমাদের গালমন্দ করে ও মারতে আসে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মইনুলের স্ত্রী পুনরায় গেটের সামনে গোবর ফেলে রেখে বাড়ির মধ্যে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি গোবর তুলে নেওয়ার জন্য বলতে গেলে আমাকে সে মারতে আসে। দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আমার দেবর মইনুল ও তার ছেলে হৃদয় লাঠি দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এ সময় আমার স্বামী আনোয়ার, ভাসুর আলাউদ্দীন ও তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাদেরও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। দেবর মইনুলের লাঠির আঘাতে আমার স্বামীর মাথা ফেটে যায় এবং জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আমাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আমাদের রক্ষা করে এবং হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোবর ফেলা নিয়ে ইতিপূর্বেও একবার ওরা আমাদের মারধর করেছিল। ওই ঘটনায় আমার স্বামী থানায় একটি জিডিও করেছিল।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও

দামুড়হুদায় ভাইয়ের হাতে ভাইসহ চারজন আহত

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদায় বাড়ির গেটের সামনে গোবর ফেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাই-ভাবিসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আনোয়ার হোসেনকে (৩২) দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর মাথায় ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে। আহত অপর তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর মাঝেরপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে।
আহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সালমা খাতুন বলেন, ‘দেবর মইনুলের স্ত্রী আমাদের বসতবাড়ির গেটের পাশে প্রায়ই গোবর ফেলে রাখে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ওই গোবর ছড়িয়ে পড়ে এবং চলাচলের সমস্যা হয়। কিছু বলতে গেলেই আমাদের গালমন্দ করে ও মারতে আসে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মইনুলের স্ত্রী পুনরায় গেটের সামনে গোবর ফেলে রেখে বাড়ির মধ্যে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি গোবর তুলে নেওয়ার জন্য বলতে গেলে আমাকে সে মারতে আসে। দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আমার দেবর মইনুল ও তার ছেলে হৃদয় লাঠি দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এ সময় আমার স্বামী আনোয়ার, ভাসুর আলাউদ্দীন ও তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাদেরও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। দেবর মইনুলের লাঠির আঘাতে আমার স্বামীর মাথা ফেটে যায় এবং জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আমাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আমাদের রক্ষা করে এবং হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোবর ফেলা নিয়ে ইতিপূর্বেও একবার ওরা আমাদের মারধর করেছিল। ওই ঘটনায় আমার স্বামী থানায় একটি জিডিও করেছিল।’