শনিবার | ৪ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না

হাবিল ও লিপনের ১৪ বছরের কারাদ-!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
  • ৭৪৪ বার পড়া হয়েছে

জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়ায় গৃহবধূকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার রায়
নিউজ ডেস্ক:জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় হাবিল হোসেন (৩৫) ও লিপন আলী (৩২) নামের দুজনকে ১৪ বছর করে কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত লিপন আলী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার আলাইপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে ও হাবিল হোসেন জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের সোনাই ম-লের ছেলে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকেলে বিপাশা খাতুন শ্বশুরবাড়ি যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বড়খাপুর গ্রাম থেকে বাবার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামে আসছিলেন। বিপাশা খাতুন গাড়ি থেকে নেমে জীবননগরের আন্দুলবাড়ীয়া বাজারে দাঁড়ান। এরপর তিনি হেঁটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গ্রামের মাঠে একা পেয়ে হাবিল হোসেন, লিপন আলীসহ পাঁচ-সাতজন বিপাশাকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটরসাইকেলযোগে অপহরণ করে নিয়ে যান। গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি জীবননগর থানার পুলিশকে জানায়। ঘটনার তিন দিন পর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
ওই বছরের ১২ নভেম্বর গৃহবধূ বিপাশার বাবা হারেজ ম-ল বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে জীবননগর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আজগর আলী।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক একজন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪ বছর করে কারাদ-, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার সময় লিপন আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামি হাবিল হোসেন এখনো পলাতক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের

হাবিল ও লিপনের ১৪ বছরের কারাদ-!

আপডেট সময় : ০২:২০:৩৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়ায় গৃহবধূকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার রায়
নিউজ ডেস্ক:জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় হাবিল হোসেন (৩৫) ও লিপন আলী (৩২) নামের দুজনকে ১৪ বছর করে কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত লিপন আলী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার আলাইপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে ও হাবিল হোসেন জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের সোনাই ম-লের ছেলে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকেলে বিপাশা খাতুন শ্বশুরবাড়ি যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বড়খাপুর গ্রাম থেকে বাবার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামে আসছিলেন। বিপাশা খাতুন গাড়ি থেকে নেমে জীবননগরের আন্দুলবাড়ীয়া বাজারে দাঁড়ান। এরপর তিনি হেঁটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গ্রামের মাঠে একা পেয়ে হাবিল হোসেন, লিপন আলীসহ পাঁচ-সাতজন বিপাশাকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটরসাইকেলযোগে অপহরণ করে নিয়ে যান। গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি জীবননগর থানার পুলিশকে জানায়। ঘটনার তিন দিন পর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
ওই বছরের ১২ নভেম্বর গৃহবধূ বিপাশার বাবা হারেজ ম-ল বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে জীবননগর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আজগর আলী।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক একজন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪ বছর করে কারাদ-, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার সময় লিপন আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামি হাবিল হোসেন এখনো পলাতক।