শুক্রবার | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo ডি এন (দ্বারকানাথ) উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা

একলা চলো নীতিতে আ.লীগ বিরোধী দলে যেতে চায় না ক্ষুব্ধ শরিকেরা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৯
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে জোটের শরিকদের বেশ টানাপড়েন চলছে। ক্ষমতার ভাগাভাগি তথা মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া নিয়েই এ টানাপড়েন শুরু। সময়ের সাথে সাথে তা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সর্বশেষ শনিবার বিজয়োৎসবে আমন্ত্রণ না পাওয়া শরিকরা আরো ক্ষুব্ধ। তারা অবিলম্বে সরকারের সাথে আলোচনায় বসার অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে মহাজোট সরকারের আরেক শরিক জাতীয় পার্টির সাথে আওয়ামী লীগের সাথে মনকষাকষির একপর্যায়ে দলটি মন্ত্রিত্ব বাদ দিয়ে বিরোধী দলে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্রগুলো জানায়, এবারের মন্ত্রিসভায় জাতীয় পদটি ছাড়াও ১৪ দলের অন্য শরিকদের কাউকেই জায়গা দেয়া হয়নি। এতে চরম হতাশ হয়ে পড়েন শরিকদলগুলোর নীতিনির্ধারকরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, যেকোনো সময় মন্ত্রিসভা আরো বড় হতে পারে। তবে সম্প্রতি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের শরিকরা বিরোধী দলের আসনে বসলে সরকারের জন্য ভালো এবং তাদের জন্যও ভালো। এছাড়া তাদের সাথে জোট করার সময় এ ধরনের কোনো পদ পদবি দেয়ার শর্ত ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। মন্ত্রিসভায় স্থান না দিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকায় যাওয়ার প্রস্তাবে শরিকদের সাথে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। একই প্রতীকে নির্বাচন করার পর এখন শরিক দলগুলোকে বিরোধী দলে পাঠানোর আওয়ামী লীগের ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বিষয়টিকে নিজেদের জন্য অপমানজনকও মনে করছেন তারা। আওয়ামী লীগের এমন একলা চলো নীতির সমালোচনা করে শরিক দলের নেতারা বলছেন, তারা ১৪ দলীয় জোটের সাথে ছিলেন, ১৪ দলীয় জোটের সাথেই থাকবেন। সরকারের শরিক হয়ে নানা উন্নয়ন কর্মকা-ে অংশ নেবেন ও গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন। সংসদের ভেতর বা বাইরে বিরোধী দলে যেতে চান না তারা। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে কেউ সরকারের আবার কেউ বিরোধী দলে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও মত তাদের। আওয়ামী লীগের এমন বক্তব্যকে একলা চলো নীতি হিসেবে উল্লেখ করছেন কেউ কেউ।
এ ব্যাপারে ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচনের পর কোনো ব্যাপারেই আওয়ামী লীগ আমাদের সাথে আলোচনা করেনি। মন্ত্রিসভা গঠন হলো। আমরা কিছুই জানি না। কেন মন্ত্রিসভায় রাখা হলো না বা ভবিষ্যতে রাখা হবে কি না তাও বলা হয়নি। এখন আওয়ামী লীগ নেতারা বিভিন্ন সময় বলছেন আমরা বিরোধী দলে যাই। কিভাবে ও কোন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলে যাবো, সেটাও পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে আমরা এখনো সমাধানে আসতে পারিনি। তবে আমরা যেহেতু ১৪ দলীয় জোটের সাথে আছি, সেহেতু ১৪ দলেই থাকব। আমরা বিরোধী দলের আসনে বসব না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ১৪ দলের শরিকরা কোথায় থাকবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিরোধী দলে গেলে মন্দ কি? আর শনিবারের উৎসব ছিল আওয়ামী লীগের দলীয় অনুষ্ঠান। সেখানে দাওয়াত দেয়া হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। তবে একটি দলের নিজস্ব অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেয়া হলেও তা দোষের কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

একলা চলো নীতিতে আ.লীগ বিরোধী দলে যেতে চায় না ক্ষুব্ধ শরিকেরা

আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে জোটের শরিকদের বেশ টানাপড়েন চলছে। ক্ষমতার ভাগাভাগি তথা মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া নিয়েই এ টানাপড়েন শুরু। সময়ের সাথে সাথে তা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সর্বশেষ শনিবার বিজয়োৎসবে আমন্ত্রণ না পাওয়া শরিকরা আরো ক্ষুব্ধ। তারা অবিলম্বে সরকারের সাথে আলোচনায় বসার অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে মহাজোট সরকারের আরেক শরিক জাতীয় পার্টির সাথে আওয়ামী লীগের সাথে মনকষাকষির একপর্যায়ে দলটি মন্ত্রিত্ব বাদ দিয়ে বিরোধী দলে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্রগুলো জানায়, এবারের মন্ত্রিসভায় জাতীয় পদটি ছাড়াও ১৪ দলের অন্য শরিকদের কাউকেই জায়গা দেয়া হয়নি। এতে চরম হতাশ হয়ে পড়েন শরিকদলগুলোর নীতিনির্ধারকরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, যেকোনো সময় মন্ত্রিসভা আরো বড় হতে পারে। তবে সম্প্রতি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের শরিকরা বিরোধী দলের আসনে বসলে সরকারের জন্য ভালো এবং তাদের জন্যও ভালো। এছাড়া তাদের সাথে জোট করার সময় এ ধরনের কোনো পদ পদবি দেয়ার শর্ত ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। মন্ত্রিসভায় স্থান না দিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকায় যাওয়ার প্রস্তাবে শরিকদের সাথে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। একই প্রতীকে নির্বাচন করার পর এখন শরিক দলগুলোকে বিরোধী দলে পাঠানোর আওয়ামী লীগের ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বিষয়টিকে নিজেদের জন্য অপমানজনকও মনে করছেন তারা। আওয়ামী লীগের এমন একলা চলো নীতির সমালোচনা করে শরিক দলের নেতারা বলছেন, তারা ১৪ দলীয় জোটের সাথে ছিলেন, ১৪ দলীয় জোটের সাথেই থাকবেন। সরকারের শরিক হয়ে নানা উন্নয়ন কর্মকা-ে অংশ নেবেন ও গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন। সংসদের ভেতর বা বাইরে বিরোধী দলে যেতে চান না তারা। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে কেউ সরকারের আবার কেউ বিরোধী দলে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও মত তাদের। আওয়ামী লীগের এমন বক্তব্যকে একলা চলো নীতি হিসেবে উল্লেখ করছেন কেউ কেউ।
এ ব্যাপারে ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচনের পর কোনো ব্যাপারেই আওয়ামী লীগ আমাদের সাথে আলোচনা করেনি। মন্ত্রিসভা গঠন হলো। আমরা কিছুই জানি না। কেন মন্ত্রিসভায় রাখা হলো না বা ভবিষ্যতে রাখা হবে কি না তাও বলা হয়নি। এখন আওয়ামী লীগ নেতারা বিভিন্ন সময় বলছেন আমরা বিরোধী দলে যাই। কিভাবে ও কোন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলে যাবো, সেটাও পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে আমরা এখনো সমাধানে আসতে পারিনি। তবে আমরা যেহেতু ১৪ দলীয় জোটের সাথে আছি, সেহেতু ১৪ দলেই থাকব। আমরা বিরোধী দলের আসনে বসব না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ১৪ দলের শরিকরা কোথায় থাকবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিরোধী দলে গেলে মন্দ কি? আর শনিবারের উৎসব ছিল আওয়ামী লীগের দলীয় অনুষ্ঠান। সেখানে দাওয়াত দেয়া হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। তবে একটি দলের নিজস্ব অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেয়া হলেও তা দোষের কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।