শনিবার | ২১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা সভাপতির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান তানিয়া ইশতিয়াকের Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

যুক্তরাজ্যে আস্থাভোটে টিকে গেলেন টেরেসা মে !

  • আপডেট সময় : ০৭:১০:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
  • ৮২১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে বুধবার আস্থা ভোটে টিকে গেছেন। এর ফলে তিনি ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকছেন। তবে আস্থা ভোটে তিনি তার এক তৃতীয়াংশ সহকর্মীর সমর্থন হারিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কনজারভেটিভ পার্টির মোট ৩১৭ আইনপ্রণেতার (এমপি) মধ্যে ২শ’ জন টেরেসা মে’র পক্ষে ভোট দেন। বাকি ১১৭ জন ভোট দেন বিপক্ষে। এতে মে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান হিসেবে টিকে গেলেও তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যে তার নিজ দলের এমপিদের একটি বড় অংশের সমর্থন নেই, তা স্পষ্ট।
এর ফলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়ল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
এই এক তৃতীয়াংশ সহকর্মীর সমর্থন হারানোর ফলে সম্পাদিত ব্রেক্সিট চুক্তিটি পার্লামেন্টে পাস করানো এখন মে’র জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। উদ্ভুত পরিস্থিতি এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ফলাফল ঘোষণার পর মে তার ডাউনিং স্ট্রিট কার্যালয়ের বাইরে এসে বলেন, ‘আজকের ভোটাভুটিতে আমার সহকর্মীদের সমর্থন পেয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
তিনি আরো বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহকর্মী আমার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। কেন তারা আমার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন আমি তা শুনেছি।’
এখন তিনি ফের ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজে মনোযোগী হতে চান বলে এই ভোট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় উল্লেখ করেন।
মে আরো বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি সব পক্ষের রাজনীতিকদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন চান।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় গোপন ব্যালটের মাধ্যমে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
মে’র বিজয়ী হওয়ার খবরে পার্লামেন্টের বাইরে অপেক্ষমান তার সমর্থকরা উল্লাস প্রকাশ করেন।
কিন্তু ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রধান বিরোধী জ্যাকব রিস মোগ আস্থাভোটের ফলাফলকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত এক গণভোটে যুক্তরাজ্যের মানুষ ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দেয়। পরাজয় মেনে নিয়ে পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। নতুন প্রানমন্ত্রী হন মে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাজ্যে আস্থাভোটে টিকে গেলেন টেরেসা মে !

আপডেট সময় : ০৭:১০:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে বুধবার আস্থা ভোটে টিকে গেছেন। এর ফলে তিনি ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকছেন। তবে আস্থা ভোটে তিনি তার এক তৃতীয়াংশ সহকর্মীর সমর্থন হারিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কনজারভেটিভ পার্টির মোট ৩১৭ আইনপ্রণেতার (এমপি) মধ্যে ২শ’ জন টেরেসা মে’র পক্ষে ভোট দেন। বাকি ১১৭ জন ভোট দেন বিপক্ষে। এতে মে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান হিসেবে টিকে গেলেও তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যে তার নিজ দলের এমপিদের একটি বড় অংশের সমর্থন নেই, তা স্পষ্ট।
এর ফলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়ল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
এই এক তৃতীয়াংশ সহকর্মীর সমর্থন হারানোর ফলে সম্পাদিত ব্রেক্সিট চুক্তিটি পার্লামেন্টে পাস করানো এখন মে’র জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। উদ্ভুত পরিস্থিতি এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ফলাফল ঘোষণার পর মে তার ডাউনিং স্ট্রিট কার্যালয়ের বাইরে এসে বলেন, ‘আজকের ভোটাভুটিতে আমার সহকর্মীদের সমর্থন পেয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
তিনি আরো বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহকর্মী আমার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। কেন তারা আমার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন আমি তা শুনেছি।’
এখন তিনি ফের ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজে মনোযোগী হতে চান বলে এই ভোট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় উল্লেখ করেন।
মে আরো বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি সব পক্ষের রাজনীতিকদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন চান।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় গোপন ব্যালটের মাধ্যমে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
মে’র বিজয়ী হওয়ার খবরে পার্লামেন্টের বাইরে অপেক্ষমান তার সমর্থকরা উল্লাস প্রকাশ করেন।
কিন্তু ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রধান বিরোধী জ্যাকব রিস মোগ আস্থাভোটের ফলাফলকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত এক গণভোটে যুক্তরাজ্যের মানুষ ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দেয়। পরাজয় মেনে নিয়ে পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। নতুন প্রানমন্ত্রী হন মে।