মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ 

সাজিদ মৃত্যুর তদন্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস দাবিতে ইবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

জুলাই বিপ্লবের আলোকে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ ও আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

শনিবার (২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

এ সময় তারা ‌‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’; ‘যদি না হয় সংস্কার, এই প্রশাসন কি দরকার’; ‘পুকুরে লাশ কেন, প্রশাসন জবাব চাই’; ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত, করতে হবে করতে হবে’; ‘অনলাইন পেমেন্ট চালু কর, ভোগান্তি দূর কর’; ‘কর্মকর্তা জমিদার, লাঞ্চ করতে দিন পার’, ‘ইবিতে ছাত্রসংসদ, চালু কর করতে হবে’, ‘ইকসু নিয়ে টালবাহানা, আর না আর না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এছাড়া তাদের হাতে ছিল— হল ও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান উন্নয়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, অযৌক্তিক ফি কমানো, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ এবং ওয়ালিউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাস ভাইয়ের সন্ধান দাবিসহ নানা প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইউসুফ আলী বলেন, “জুলাই আন্দোলনের এক বছর পার হলেও আমরা কাঙ্ক্ষিত কোন পরিবর্তন দেখতে পাইনি। আজও ফ্যাসিবাদের ছায়া ক্যাম্পাসে বিস্তৃত। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের বদলে আমরা সাজিদের লাশ দেখেছি। প্রশাসনকে এখনই সচেতন হতে হবে, না হলে ছাত্রজনতা আন্দোলনে বাধ্য হবে।”

শাখা সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, “জুলাইয়ে এক রেজিম পতনের মধ্য দিয়ে আমরা ভেবেছিলাম পরিবর্তনের সূচনা হবে। কিন্তু প্রশাসনের নির্লিপ্ততা আমাদের হতাশ করেছে। ওয়ালিউল্লাহ-মুকাদ্দাস ভাইদের ফেরত আনার উদ্যোগ দেখা যায়নি, চিকিৎসাকেন্দ্রের উন্নয়ন হয়নি, বরং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ক্যাম্পাস কতটা অনিরাপদ হলে পুকুরে লাশ পাওয়া যায়! অথচ প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ কিংবা যথাযথ তথ্যও নেই। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জরিপ করলেই বোঝা যাবে, এই প্রশাসন কতটা ব্যর্থ।”

শেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে ভাবতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমাদের ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলতে দেরি হবে না।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

সাজিদ মৃত্যুর তদন্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস দাবিতে ইবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:১৪:০১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২ আগস্ট ২০২৫

জুলাই বিপ্লবের আলোকে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ ও আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

শনিবার (২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

এ সময় তারা ‌‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’; ‘যদি না হয় সংস্কার, এই প্রশাসন কি দরকার’; ‘পুকুরে লাশ কেন, প্রশাসন জবাব চাই’; ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত, করতে হবে করতে হবে’; ‘অনলাইন পেমেন্ট চালু কর, ভোগান্তি দূর কর’; ‘কর্মকর্তা জমিদার, লাঞ্চ করতে দিন পার’, ‘ইবিতে ছাত্রসংসদ, চালু কর করতে হবে’, ‘ইকসু নিয়ে টালবাহানা, আর না আর না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এছাড়া তাদের হাতে ছিল— হল ও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান উন্নয়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, অযৌক্তিক ফি কমানো, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ এবং ওয়ালিউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাস ভাইয়ের সন্ধান দাবিসহ নানা প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইউসুফ আলী বলেন, “জুলাই আন্দোলনের এক বছর পার হলেও আমরা কাঙ্ক্ষিত কোন পরিবর্তন দেখতে পাইনি। আজও ফ্যাসিবাদের ছায়া ক্যাম্পাসে বিস্তৃত। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের বদলে আমরা সাজিদের লাশ দেখেছি। প্রশাসনকে এখনই সচেতন হতে হবে, না হলে ছাত্রজনতা আন্দোলনে বাধ্য হবে।”

শাখা সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, “জুলাইয়ে এক রেজিম পতনের মধ্য দিয়ে আমরা ভেবেছিলাম পরিবর্তনের সূচনা হবে। কিন্তু প্রশাসনের নির্লিপ্ততা আমাদের হতাশ করেছে। ওয়ালিউল্লাহ-মুকাদ্দাস ভাইদের ফেরত আনার উদ্যোগ দেখা যায়নি, চিকিৎসাকেন্দ্রের উন্নয়ন হয়নি, বরং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ক্যাম্পাস কতটা অনিরাপদ হলে পুকুরে লাশ পাওয়া যায়! অথচ প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ কিংবা যথাযথ তথ্যও নেই। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জরিপ করলেই বোঝা যাবে, এই প্রশাসন কতটা ব্যর্থ।”

শেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে ভাবতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমাদের ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলতে দেরি হবে না।”