সোমবার | ২৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

নান্দাইলে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১২:১১:০৬ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

“জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বাচাঁয় প্রাণ”

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে নিয়মিত ঔষধ সরবরাহ ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার (সিএইচসিপি) কর্মীদের নিয়মিত সেবা প্রদানের ফলে গ্রামের মহিলা, গর্ভবতী মা, প্রসূতি মা ও নবজাতক সহ হতদরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। সিএইচসিপি কর্মীরা পূর্বের চেয়ে খূব আগ্রহ ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নেই স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন করায় এখন জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তবে নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট ও বেতন-ভাতাদি না পাওয়ায় ও চাকুরী রাজস্ব খাতে অর্ন্তভূক্ত না করায় সিএইচসিপি কর্মীদের মধ্যে একধরনে চরম হতাশা বিরাজ করছে। নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটি মাসিক সভায় উপস্থিত সহ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সরজমিন হাল-অবস্থার খোজঁখবর নেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অনুপম ভট্টাচার্য সংসদ সদস্যের সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করার ফলে আজ নান্দাইলের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। উপজেলার ৩৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মধ্যে ৩২টিরই পাকা ভবন রয়েছে। বর্তমানে পাকা ভবন সহ ৬টি নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয়েছে এবং বাকী ৬টি পুরাতন কমিউনিটি ক্লিনিক ভেঙ্গে নতুন করে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সরকারীভাবে ক্লিনিকগুলোতে প্রায় ২৮ প্রকার ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে। কর্মরত প্রোভাইডার সপ্তাহে ৬দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জনগণকে সেবা দিয়ে আসছে। এতে করে পল্লী গ্রামের মানুষদের ৪০/৫০টাকা ব্যয় করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আর আসতে হয় না । নানা সমস্যা নিয়ে গ্রামের বাজারের পল্লী চিকিৎসকদের কাছে ঔষধের জন্য ১০০/৩০০ টাকা খরচ করতে হয়না। বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সচল থাকায় সেই সকল রোগের ঔষধ বিনামূল্যে পাওয়া যায়। তবে উপজেলার কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্ন স্যানিটেশন না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় সিএইচসিপি ও রোগীদেরকে। প্রতিদিন গড়ে প্রতিটি ক্লিনিকে প্রায় ২০/২৫ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে গর্ভবতী মহিলা, প্রসূতি মা ও নবজাতকের সংখ্যাই বেশী। শিশুদের ঔষধের চাহিদা বরাদ্দ অনুযায়ী তুলনামূলকভাবে কম। নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অনুপম ভট্টাচার্য জানান, প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে ল্যাপটপ, পিডিএ প্রদান সহ বিভিন্ন ক্লিনিক মেরামত, পুরাতন ভবন ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণ ও জনগণের সেবার চাহিদা মোতাবেক নতুন ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন বলেন, নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে জনগণের চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বরাদ্দ পৌছাতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

নান্দাইলে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে

আপডেট সময় : ১২:১১:০৬ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

“জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বাচাঁয় প্রাণ”

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে নিয়মিত ঔষধ সরবরাহ ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার (সিএইচসিপি) কর্মীদের নিয়মিত সেবা প্রদানের ফলে গ্রামের মহিলা, গর্ভবতী মা, প্রসূতি মা ও নবজাতক সহ হতদরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। সিএইচসিপি কর্মীরা পূর্বের চেয়ে খূব আগ্রহ ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নেই স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন করায় এখন জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তবে নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট ও বেতন-ভাতাদি না পাওয়ায় ও চাকুরী রাজস্ব খাতে অর্ন্তভূক্ত না করায় সিএইচসিপি কর্মীদের মধ্যে একধরনে চরম হতাশা বিরাজ করছে। নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটি মাসিক সভায় উপস্থিত সহ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সরজমিন হাল-অবস্থার খোজঁখবর নেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অনুপম ভট্টাচার্য সংসদ সদস্যের সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করার ফলে আজ নান্দাইলের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। উপজেলার ৩৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মধ্যে ৩২টিরই পাকা ভবন রয়েছে। বর্তমানে পাকা ভবন সহ ৬টি নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয়েছে এবং বাকী ৬টি পুরাতন কমিউনিটি ক্লিনিক ভেঙ্গে নতুন করে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সরকারীভাবে ক্লিনিকগুলোতে প্রায় ২৮ প্রকার ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে। কর্মরত প্রোভাইডার সপ্তাহে ৬দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জনগণকে সেবা দিয়ে আসছে। এতে করে পল্লী গ্রামের মানুষদের ৪০/৫০টাকা ব্যয় করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আর আসতে হয় না । নানা সমস্যা নিয়ে গ্রামের বাজারের পল্লী চিকিৎসকদের কাছে ঔষধের জন্য ১০০/৩০০ টাকা খরচ করতে হয়না। বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সচল থাকায় সেই সকল রোগের ঔষধ বিনামূল্যে পাওয়া যায়। তবে উপজেলার কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পরিচ্ছন্ন স্যানিটেশন না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় সিএইচসিপি ও রোগীদেরকে। প্রতিদিন গড়ে প্রতিটি ক্লিনিকে প্রায় ২০/২৫ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে গর্ভবতী মহিলা, প্রসূতি মা ও নবজাতকের সংখ্যাই বেশী। শিশুদের ঔষধের চাহিদা বরাদ্দ অনুযায়ী তুলনামূলকভাবে কম। নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অনুপম ভট্টাচার্য জানান, প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে ল্যাপটপ, পিডিএ প্রদান সহ বিভিন্ন ক্লিনিক মেরামত, পুরাতন ভবন ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণ ও জনগণের সেবার চাহিদা মোতাবেক নতুন ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন বলেন, নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে জনগণের চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বরাদ্দ পৌছাতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করি।