সোমবার | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার Logo ইবিতে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড স্থগিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন Logo বীরগঞ্জের বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ! Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

সাইবার হামলা মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা বেড়েছে: জয়

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১৮
  • ৮৩৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সাইবার হামলা মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। এখন থেকে দেশের কোথাও কোনো হ্যাকিং হলে নিজেরাই তা ধরতে পারব।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (আইসিটি) একটি বিশেষায়িত উদ্যোক্তা সেন্টার (স্টার্টআপ অ্যাকসেলেরেটর) ও দুটি প্রযুক্তি ল্যাব উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি ভবনে স্থাপিত হলো বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার কোয়ালিটি টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন সেন্টার, স্টার্টআপদের জন্য প্রথম সরকারি অ্যাকসেলেরেটর এবং কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম ল্যাব (বিডিসিআইআরটি ল্যাব)।

অনুষ্ঠানে জয় বলেন, সরকারের যত স্পর্শকাতর ডিজিটাল অবকাঠামো আছে, সেগুলো এখন কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটর করা সম্ভব। যত সাইবার আক্রমণ ও হ্যাকিং হবে, সব ধরা পড়ে যাবে। এই প্রযুক্তি আরও আগে হাতে এলে হয়তো বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং ঠেকানো যেত।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব জুনেয়া আজিজ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সফটওয়্যারের কোয়ালিটি টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশে সরকারি পর্যায়ে কেনা সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ইত্যাদির মান পরীক্ষা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে তিন প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মান সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও চারটি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ল্যাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মান পরীক্ষার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অ্যাকসেলেরেটরে থাকছে একসঙ্গে কাজের সুবিধা, বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধান, ভিডিও কনফারেন্স, নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড হোস্ট পিচিং সেশনস ও বুট ক্যাম্পের ব্যবস্থা। বিডিসিআইআরটি ল্যাবটি প্রাথমিকভাবে জাতীয় ডাটা সেন্টারে সাইবার হামলা রোধ ও প্রতিকারে সহায়তা করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা

সাইবার হামলা মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা বেড়েছে: জয়

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

ধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সাইবার হামলা মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। এখন থেকে দেশের কোথাও কোনো হ্যাকিং হলে নিজেরাই তা ধরতে পারব।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (আইসিটি) একটি বিশেষায়িত উদ্যোক্তা সেন্টার (স্টার্টআপ অ্যাকসেলেরেটর) ও দুটি প্রযুক্তি ল্যাব উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি ভবনে স্থাপিত হলো বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার কোয়ালিটি টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন সেন্টার, স্টার্টআপদের জন্য প্রথম সরকারি অ্যাকসেলেরেটর এবং কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম ল্যাব (বিডিসিআইআরটি ল্যাব)।

অনুষ্ঠানে জয় বলেন, সরকারের যত স্পর্শকাতর ডিজিটাল অবকাঠামো আছে, সেগুলো এখন কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটর করা সম্ভব। যত সাইবার আক্রমণ ও হ্যাকিং হবে, সব ধরা পড়ে যাবে। এই প্রযুক্তি আরও আগে হাতে এলে হয়তো বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং ঠেকানো যেত।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব জুনেয়া আজিজ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সফটওয়্যারের কোয়ালিটি টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশে সরকারি পর্যায়ে কেনা সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ইত্যাদির মান পরীক্ষা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে তিন প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মান সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও চারটি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ল্যাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মান পরীক্ষার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অ্যাকসেলেরেটরে থাকছে একসঙ্গে কাজের সুবিধা, বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধান, ভিডিও কনফারেন্স, নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড হোস্ট পিচিং সেশনস ও বুট ক্যাম্পের ব্যবস্থা। বিডিসিআইআরটি ল্যাবটি প্রাথমিকভাবে জাতীয় ডাটা সেন্টারে সাইবার হামলা রোধ ও প্রতিকারে সহায়তা করবে।