মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৩০ বার পড়া হয়েছে

রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনটির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের হাতে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

একই দাবিতে সারা দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়েও একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্মারকলিপি হস্তান্তরের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা জুবায়ের খান বলেন, “জুলাই সনদকে আইনি স্বীকৃতি না দিলে অভ্যুত্থানের অর্জন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। আমরা চাই, নির্বাচনের আগে সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নিশ্চিত করা হোক।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পাঁচ দফা দাবির মূল কাঠামো অন্যান্য ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিল থাকলেও পার্থক্য রয়েছে সংসদীয় কাঠামোতে। অন্যরা পুরো সংসদে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি চায়, কিন্তু আমরা কেবল উচ্চকক্ষে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের পক্ষে।”

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিলেও জুলাই সনদকে আইনগত ভিত্তি দেওয়ার বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সংগঠনটি মনে করে, সনদটির আইনি স্বীকৃতি ছাড়া গণঅভ্যুত্থানের অর্জন অর্থহীন হয়ে পড়বে।

খেলাফত মজলিসের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল— জুলাই সনদের অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, নির্বাচনে প্রকৃত লেভেল-প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করা, জুলাই গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা এবং জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর (PR) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই পাঁচ দফা বাস্তবায়িত হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনটির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের হাতে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

একই দাবিতে সারা দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়েও একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্মারকলিপি হস্তান্তরের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা জুবায়ের খান বলেন, “জুলাই সনদকে আইনি স্বীকৃতি না দিলে অভ্যুত্থানের অর্জন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। আমরা চাই, নির্বাচনের আগে সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নিশ্চিত করা হোক।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পাঁচ দফা দাবির মূল কাঠামো অন্যান্য ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিল থাকলেও পার্থক্য রয়েছে সংসদীয় কাঠামোতে। অন্যরা পুরো সংসদে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি চায়, কিন্তু আমরা কেবল উচ্চকক্ষে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের পক্ষে।”

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিলেও জুলাই সনদকে আইনগত ভিত্তি দেওয়ার বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সংগঠনটি মনে করে, সনদটির আইনি স্বীকৃতি ছাড়া গণঅভ্যুত্থানের অর্জন অর্থহীন হয়ে পড়বে।

খেলাফত মজলিসের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল— জুলাই সনদের অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, নির্বাচনে প্রকৃত লেভেল-প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করা, জুলাই গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা এবং জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর (PR) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই পাঁচ দফা বাস্তবায়িত হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।