বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে এ দিবসের আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১টায় ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের সামনে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। এরপর বর্ণাঢ্য র্যালি, বৃক্ষরোপণ এবং কেক কেটে বিভাগটির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন, বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলামসহ বিভাগের শিক্ষক ও শতাধিক শিক্ষার্থী। এ সময় শিক্ষার্থীরা পোশাকের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও ধর্মীয় সংস্কৃতি উপস্থাপন করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “এই সাবজেক্টটি সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কনসেপ্টের কারণে বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়েছে। এটি এখন সরকারি ও বেসরকারি প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে। এবছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্যুরিজমের উপর কাজ করার এবং গবেষণার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ একসময় পর্যটনে পিছিয়ে ছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল দক্ষ জনশক্তির অভাব। আমরা আশা করি, এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স শেষে পর্যটনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবে। তোমরা অনেক দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক; তোমরাই এ খাতকে উন্নত করতে পারবে।”
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (UNWTO) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হচ্ছে। এ দিবসের উদ্দেশ্য হলো পর্যটনের গুরুত্ব তুলে ধরা, টেকসই উন্নয়নে এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করা এবং পর্যটনের মাধ্যমে অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা।
আজকে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আমাদের চারদিন ব্যাপী একটি আয়োজন ছিল কিন্তু যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ পূজা উপলক্ষে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তো আপাতত এইসব কর্মসূচি তোকে রাখা হয়েছে তবে বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলে এগুলো আবার করা হবে।
আমরা যে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী রা অংশগ্রহণ করে এবং তাদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে আজকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এবারে বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য tourism and sustainable transformation। মূলত এই প্রতিপাদকে সামনে রেখেই আমাদের রচনা হয়েছিল।
ট্যুরিজাম শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, এর সাথে সামাজিক সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও যেসব অঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে সেসব অঞ্চলে মানসিকতা সম্পর্কে যুক্ত। মূলত পর্যটন কেন্দ্রে একজন আসলে এর সাথে ১০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয় তাই বর্তমান বিশ্বে এটি একটি বড় অর্থনৈতিক কেন্দ্র। তাই নতুন নতুন প্রতিপাদ্য সামনে রেখেই এই বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করা হয়।
























































