রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

শান্ত-মুশফিকের ১৩৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • ৭৫৯ বার পড়া হয়েছে

নতুন আশার আলো জ্বেলে শ্রীলঙ্কা সফর শুরু করলেও সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। গল টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও সেই পুরোনো ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে টাইগাররা। তবে চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দৃঢ় জুটিতে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল।

চা-বিরতির আগপর্যন্ত ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮২ রান। শান্ত ও মুশফিক দু’জনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) গল ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফিরে যান তিন শীর্ষ ব্যাটার। এ অবস্থায় দলকে টানেন শান্ত ও মুশফিক। দু’জন মিলে গড়েন ১৩৭ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ।

চা বিরতির সময় শান্ত ১৪৩ বলে ৭টি চারে ও ১টি ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। অপরপ্রান্তে মুশফিক ১১১ বল খেলে ৪টি চারে ৬৬ রানে অপরাজিত।

অনেকটা ফ্ল্যাট উইকেটেও শুরুতে অভিষিক্ত বোলার থারিন্দু রত্ননায়েকের বলে বাংলাদেশের দুই ব্যাটার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক স্লিপে ক্যাচ দেন। আরেক ব্যাটার এনামুল হক বিজয় পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে এজ হয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে থাকা কুশল মেন্ডিসের হাতে। ১০ বলেও রানের খাতা খুলতে না পারা বিজয়ের উইকেট দিয়ে শুরুটা হয় টাইগারদের। দলীয় মাত্র ৫ রানেই তারা প্রথম উইকেট হারায়।

সাদমান ও মুমিনুল দেখেশুনে খেলতে থাকলেও পা হড়কান থারিন্দুর লেংথে ফেলা বলে। এই জুটিতে ৩৪ রান পায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ২৯ এবং সাদমান ১৪ রান করেছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে বিপদ থেকে টেনে তুলতে কার্যকর জুটি প্রয়োজন ছিল। সেই চাহিদাই পূরণ করেছেন শান্ত-মুশফিক। ফলে প্রথম সেশনে ২৮ ওভারে ৩ উইকেটেই ৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। এরপর চা বিরতিতে যাওয়ার আগে তারা ৩০ ওভারে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান যোগ করেন।

শান্ত নিজের ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৮তম ওভারে। এর মাঝেই মুশফিকের সঙ্গে তিনি জুটিকে ম্যাজিক ফিগারে পরিণত করেন। পরের বলে মুশফিকও পয়েন্টে একটি সিঙ্গেল নিয়ে ২০২৪ সালের আগস্টের পর টেস্টে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। টেস্টে এটি তার ২৮তম ফিফটি।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

শান্ত-মুশফিকের ১৩৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

নতুন আশার আলো জ্বেলে শ্রীলঙ্কা সফর শুরু করলেও সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। গল টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও সেই পুরোনো ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে টাইগাররা। তবে চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দৃঢ় জুটিতে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল।

চা-বিরতির আগপর্যন্ত ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮২ রান। শান্ত ও মুশফিক দু’জনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) গল ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফিরে যান তিন শীর্ষ ব্যাটার। এ অবস্থায় দলকে টানেন শান্ত ও মুশফিক। দু’জন মিলে গড়েন ১৩৭ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ।

চা বিরতির সময় শান্ত ১৪৩ বলে ৭টি চারে ও ১টি ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। অপরপ্রান্তে মুশফিক ১১১ বল খেলে ৪টি চারে ৬৬ রানে অপরাজিত।

অনেকটা ফ্ল্যাট উইকেটেও শুরুতে অভিষিক্ত বোলার থারিন্দু রত্ননায়েকের বলে বাংলাদেশের দুই ব্যাটার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক স্লিপে ক্যাচ দেন। আরেক ব্যাটার এনামুল হক বিজয় পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে এজ হয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে থাকা কুশল মেন্ডিসের হাতে। ১০ বলেও রানের খাতা খুলতে না পারা বিজয়ের উইকেট দিয়ে শুরুটা হয় টাইগারদের। দলীয় মাত্র ৫ রানেই তারা প্রথম উইকেট হারায়।

সাদমান ও মুমিনুল দেখেশুনে খেলতে থাকলেও পা হড়কান থারিন্দুর লেংথে ফেলা বলে। এই জুটিতে ৩৪ রান পায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ২৯ এবং সাদমান ১৪ রান করেছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে বিপদ থেকে টেনে তুলতে কার্যকর জুটি প্রয়োজন ছিল। সেই চাহিদাই পূরণ করেছেন শান্ত-মুশফিক। ফলে প্রথম সেশনে ২৮ ওভারে ৩ উইকেটেই ৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। এরপর চা বিরতিতে যাওয়ার আগে তারা ৩০ ওভারে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান যোগ করেন।

শান্ত নিজের ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৮তম ওভারে। এর মাঝেই মুশফিকের সঙ্গে তিনি জুটিকে ম্যাজিক ফিগারে পরিণত করেন। পরের বলে মুশফিকও পয়েন্টে একটি সিঙ্গেল নিয়ে ২০২৪ সালের আগস্টের পর টেস্টে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। টেস্টে এটি তার ২৮তম ফিফটি।