শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ Logo রাবি ময়মনসিংহ জেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা

শান্ত-মুশফিকের ১৩৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

নতুন আশার আলো জ্বেলে শ্রীলঙ্কা সফর শুরু করলেও সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। গল টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও সেই পুরোনো ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে টাইগাররা। তবে চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দৃঢ় জুটিতে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল।

চা-বিরতির আগপর্যন্ত ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮২ রান। শান্ত ও মুশফিক দু’জনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) গল ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফিরে যান তিন শীর্ষ ব্যাটার। এ অবস্থায় দলকে টানেন শান্ত ও মুশফিক। দু’জন মিলে গড়েন ১৩৭ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ।

চা বিরতির সময় শান্ত ১৪৩ বলে ৭টি চারে ও ১টি ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। অপরপ্রান্তে মুশফিক ১১১ বল খেলে ৪টি চারে ৬৬ রানে অপরাজিত।

অনেকটা ফ্ল্যাট উইকেটেও শুরুতে অভিষিক্ত বোলার থারিন্দু রত্ননায়েকের বলে বাংলাদেশের দুই ব্যাটার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক স্লিপে ক্যাচ দেন। আরেক ব্যাটার এনামুল হক বিজয় পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে এজ হয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে থাকা কুশল মেন্ডিসের হাতে। ১০ বলেও রানের খাতা খুলতে না পারা বিজয়ের উইকেট দিয়ে শুরুটা হয় টাইগারদের। দলীয় মাত্র ৫ রানেই তারা প্রথম উইকেট হারায়।

সাদমান ও মুমিনুল দেখেশুনে খেলতে থাকলেও পা হড়কান থারিন্দুর লেংথে ফেলা বলে। এই জুটিতে ৩৪ রান পায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ২৯ এবং সাদমান ১৪ রান করেছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে বিপদ থেকে টেনে তুলতে কার্যকর জুটি প্রয়োজন ছিল। সেই চাহিদাই পূরণ করেছেন শান্ত-মুশফিক। ফলে প্রথম সেশনে ২৮ ওভারে ৩ উইকেটেই ৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। এরপর চা বিরতিতে যাওয়ার আগে তারা ৩০ ওভারে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান যোগ করেন।

শান্ত নিজের ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৮তম ওভারে। এর মাঝেই মুশফিকের সঙ্গে তিনি জুটিকে ম্যাজিক ফিগারে পরিণত করেন। পরের বলে মুশফিকও পয়েন্টে একটি সিঙ্গেল নিয়ে ২০২৪ সালের আগস্টের পর টেস্টে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। টেস্টে এটি তার ২৮তম ফিফটি।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

শান্ত-মুশফিকের ১৩৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

নতুন আশার আলো জ্বেলে শ্রীলঙ্কা সফর শুরু করলেও সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। গল টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও সেই পুরোনো ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে টাইগাররা। তবে চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দৃঢ় জুটিতে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল।

চা-বিরতির আগপর্যন্ত ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮২ রান। শান্ত ও মুশফিক দু’জনেই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) গল ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফিরে যান তিন শীর্ষ ব্যাটার। এ অবস্থায় দলকে টানেন শান্ত ও মুশফিক। দু’জন মিলে গড়েন ১৩৭ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ।

চা বিরতির সময় শান্ত ১৪৩ বলে ৭টি চারে ও ১টি ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। অপরপ্রান্তে মুশফিক ১১১ বল খেলে ৪টি চারে ৬৬ রানে অপরাজিত।

অনেকটা ফ্ল্যাট উইকেটেও শুরুতে অভিষিক্ত বোলার থারিন্দু রত্ননায়েকের বলে বাংলাদেশের দুই ব্যাটার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক স্লিপে ক্যাচ দেন। আরেক ব্যাটার এনামুল হক বিজয় পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে এজ হয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে থাকা কুশল মেন্ডিসের হাতে। ১০ বলেও রানের খাতা খুলতে না পারা বিজয়ের উইকেট দিয়ে শুরুটা হয় টাইগারদের। দলীয় মাত্র ৫ রানেই তারা প্রথম উইকেট হারায়।

সাদমান ও মুমিনুল দেখেশুনে খেলতে থাকলেও পা হড়কান থারিন্দুর লেংথে ফেলা বলে। এই জুটিতে ৩৪ রান পায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ২৯ এবং সাদমান ১৪ রান করেছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে বিপদ থেকে টেনে তুলতে কার্যকর জুটি প্রয়োজন ছিল। সেই চাহিদাই পূরণ করেছেন শান্ত-মুশফিক। ফলে প্রথম সেশনে ২৮ ওভারে ৩ উইকেটেই ৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। এরপর চা বিরতিতে যাওয়ার আগে তারা ৩০ ওভারে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান যোগ করেন।

শান্ত নিজের ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৮তম ওভারে। এর মাঝেই মুশফিকের সঙ্গে তিনি জুটিকে ম্যাজিক ফিগারে পরিণত করেন। পরের বলে মুশফিকও পয়েন্টে একটি সিঙ্গেল নিয়ে ২০২৪ সালের আগস্টের পর টেস্টে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেন। টেস্টে এটি তার ২৮তম ফিফটি।