মঙ্গলবার | ১৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী Logo ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ Logo চাঁদপুর বড় স্টেশন প্রধানীয়া বাড়িতে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo জাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল Logo জনপ্রিয় ব্র্যান্ড কাচ্চি ডাইন চাঁদপুর শাখায় ভোক্তা অভিযান, ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ Logo চাঁদপুর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা ও ভৈরব নদে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:১৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা ও ভৈরব নদে অবৈধভাবে বাঁশের বাঁধ ও ম্যাজিক জাল পেতে পানির প্রবাহ আটকে দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। আইন অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধান রয়েছে।

দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, এই উপজেলায় মাথাভাঙ্গা নদ প্রায় ২৬ কিলোমিটার ও ভৈরব নদ ৫৮ কিলোমিটার রয়েছে। আড়াআড়ি বাঁধ দেওয়ার কারণে পলি এবং অন্যান্য পরিপোষক পদার্থ বিভিন্ন কাঠামোতে আটকে যাওয়ায় নদের পানিতে মিশে ছড়িয়ে যেতে পারছে না। ফলে পলি জমে নাব্যতা হারায়। তেমনি স্রোত বৃদ্ধি পেয়ে নদীর পাড় ভাঙনের সৃষ্টি হয়। অপর দিকে, কিছু প্রজাতির মাছ প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট স্থান খুঁজে থাকে, বাঁধের কারণে তারা গন্তব্যে পেঁৗছাতে পারে না, সেগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে। এছাড়া কারেন্ট জালের কারণে বিলুপ্ত হতে বসেছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিষ্ণুপুর ব্রিজ, কেশবপুর, বাস্তপুর, রঘুনাথপুর, আমডাঙ্গা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদের এসব এলাকায় বাঁধ, ম্যাজিক জাল কোমর, ভ্যাসাল দিয়ে অবৈধভাবে শিকার করা হচ্ছে মাছ। একই চিত্র দামুড়হুদা উপজেলার ভৈরব নদেও।

এ বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য অফিসার ফারুক মহলদারকে একাধিকবার মোবাইলে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মমতাজ মহল বলেন, নদে আড়াআড়িভাবে বাঁধ মাছ ধরা অপরাধ। এই ধরনের কাজের সাথে যারা সম্পৃক্ত আছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা ও ভৈরব নদে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

আপডেট সময় : ১২:৪৯:১৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা ও ভৈরব নদে অবৈধভাবে বাঁশের বাঁধ ও ম্যাজিক জাল পেতে পানির প্রবাহ আটকে দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। আইন অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধান রয়েছে।

দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, এই উপজেলায় মাথাভাঙ্গা নদ প্রায় ২৬ কিলোমিটার ও ভৈরব নদ ৫৮ কিলোমিটার রয়েছে। আড়াআড়ি বাঁধ দেওয়ার কারণে পলি এবং অন্যান্য পরিপোষক পদার্থ বিভিন্ন কাঠামোতে আটকে যাওয়ায় নদের পানিতে মিশে ছড়িয়ে যেতে পারছে না। ফলে পলি জমে নাব্যতা হারায়। তেমনি স্রোত বৃদ্ধি পেয়ে নদীর পাড় ভাঙনের সৃষ্টি হয়। অপর দিকে, কিছু প্রজাতির মাছ প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট স্থান খুঁজে থাকে, বাঁধের কারণে তারা গন্তব্যে পেঁৗছাতে পারে না, সেগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে। এছাড়া কারেন্ট জালের কারণে বিলুপ্ত হতে বসেছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিষ্ণুপুর ব্রিজ, কেশবপুর, বাস্তপুর, রঘুনাথপুর, আমডাঙ্গা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদের এসব এলাকায় বাঁধ, ম্যাজিক জাল কোমর, ভ্যাসাল দিয়ে অবৈধভাবে শিকার করা হচ্ছে মাছ। একই চিত্র দামুড়হুদা উপজেলার ভৈরব নদেও।

এ বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য অফিসার ফারুক মহলদারকে একাধিকবার মোবাইলে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মমতাজ মহল বলেন, নদে আড়াআড়িভাবে বাঁধ মাছ ধরা অপরাধ। এই ধরনের কাজের সাথে যারা সম্পৃক্ত আছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।