৮১ হাজার ডলার নিয়ে মালদ্বীপ এয়ারপোর্টে বাংলাদেশি আটক

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০২৪
  • ৭২২ বার পড়া হয়েছে

৮১ হাজার ত্রিশ ডলারসহ শামীম ইসলাম সাগর (পাসপোর্ট নং EM0378096) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মালদ্বীপের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৫ আগস্ট) ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ হলে, তারা সাগরের ব্যাগ তল্লাশি করে। এসময় সাগরের ব্যাগের ভিতরে কালো পলিথিনে মোড়ানো কর্নফ্লেক্সের একটি বক্সের ভিতরে এই ডলার পাওয়া যায়।

মালদ্বীপের আইন অনুযায়ী একজন আরোহী তার সাথে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নিতে পারবেন।

তবে কাস্টমস ডিক্লারেশনের মাধ্যমে এর চেয়ে বেশি ডলার নেওয়ারও বিধান আছে। সেক্ষেত্রে তখন সরকারের ট্যাক্স প্রযোজ্য হয়।

শামীম ইসলাম সাগর একটি বেসরকারি বিমানে ঢাকার উদ্দেশে মালদ্বীপ বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় আটক হন।

উদ্ধার হওয়া ডলারের বাণ্ডিলের উপর বিভিন্ন নামের ট্যাগ লাগানো রয়েছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই ডলার পাচারের সাথে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ীরা জড়িত।

এ বিষয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মোঃ সোহেল পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মুষ্টিমেয় কয়েকজন প্রবাসীর কারণে একদিকে যেমন দেশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে শ্রমবাজারের শীর্ষে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতি মালদ্বীপের সাধারণ মানুষের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে, বাংলাদেশিদের জন্য ভবিষ্যতে মালদ্বীপের শ্রমবাজার হুমকির মুখে পড়তে পারে।

ট্যাগস :

৮১ হাজার ডলার নিয়ে মালদ্বীপ এয়ারপোর্টে বাংলাদেশি আটক

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০২৪

৮১ হাজার ত্রিশ ডলারসহ শামীম ইসলাম সাগর (পাসপোর্ট নং EM0378096) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মালদ্বীপের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৫ আগস্ট) ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ হলে, তারা সাগরের ব্যাগ তল্লাশি করে। এসময় সাগরের ব্যাগের ভিতরে কালো পলিথিনে মোড়ানো কর্নফ্লেক্সের একটি বক্সের ভিতরে এই ডলার পাওয়া যায়।

মালদ্বীপের আইন অনুযায়ী একজন আরোহী তার সাথে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নিতে পারবেন।

তবে কাস্টমস ডিক্লারেশনের মাধ্যমে এর চেয়ে বেশি ডলার নেওয়ারও বিধান আছে। সেক্ষেত্রে তখন সরকারের ট্যাক্স প্রযোজ্য হয়।

শামীম ইসলাম সাগর একটি বেসরকারি বিমানে ঢাকার উদ্দেশে মালদ্বীপ বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় আটক হন।

উদ্ধার হওয়া ডলারের বাণ্ডিলের উপর বিভিন্ন নামের ট্যাগ লাগানো রয়েছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই ডলার পাচারের সাথে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ীরা জড়িত।

এ বিষয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মোঃ সোহেল পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মুষ্টিমেয় কয়েকজন প্রবাসীর কারণে একদিকে যেমন দেশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে শ্রমবাজারের শীর্ষে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতি মালদ্বীপের সাধারণ মানুষের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে, বাংলাদেশিদের জন্য ভবিষ্যতে মালদ্বীপের শ্রমবাজার হুমকির মুখে পড়তে পারে।