মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গাইবান্ধা-৩ নির্বাচনী আসনে নতুন ভোটার ২৭ হাজার ৯০৫ জন, মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ Logo সুন্দরবনে হরিণ শিকার রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাংস ও ফাঁদ Logo ‘সেনা হেফাজতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মৃত্যু’ Logo শিয়ালকোলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে সংঘর্ষ: নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত 

ফেসবুক লাইভে ছিলেন আলামিন, ১২ দিন পর মর্গে মিলল গুলিবিদ্ধ লাশ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০২৪
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় মিছিলে গিয়ে নিখোঁজ ছিলেন শরীয়তপুরের মীর মোহাম্মদ আল-আমীন। ১২ দিন পর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ হাসপাতালের মর্গে খুঁজে পেয়েছেন স্বজনরা। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, শহীদের তালিকায় নাম, পরিবারের ভরণপোষণ ও হত্যাকারীর বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের দক্ষিণ মগর এলাকার ইসমাইল মীর মালত ও জিয়াসমিন বেগমের  বড় ছেলে মীর মোহাম্মদ আল-আমীন (২৯)।

গত পাঁচ মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন তিনি। এরপর তিনি ঢাকাতেই থাকতেন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পর সাভার এলাকায় আনন্দ মিছিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছিলেন আল-আমীন। এ সময় তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ করছিলেন। হঠাৎ লাইভটি বন্ধ হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে খুঁজেও সন্ধানে মেলেনি তার। ১২ দিন পর শনিবার (১৭ আগস্ট) তার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে খুঁজে পান স্বজনরা। পরে এ দিনই তাকে নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়।

নিহতের বন্ধু সরল বলেন, আমার বন্ধু প্রথম থেকেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। এরপর গত ৫ আগস্ট বিজয়ে মিছিলে অংশ নিয়ে লাইভ করছিল। হঠাৎ লাইভটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ওর কোনো সন্ধান পাইনি। অনেক হাসপাতালে ঘুরেছি। ১২ দিন পর ঢাকার একটি হাসপাতালের মর্গে ওর লাশ খুঁজে পাই। ওর কপালে গুলির ছিদ্র ছিল।

নিহতের ছোট বোন আফলান সিনথিয়া বলেন, আমার ভাই তো সশস্ত্র ছিল না। সে আনন্দে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। আমার ভাইকে কেন এভাবে হত্যা করা হল। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আমার ভাইকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হোক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধা-৩ নির্বাচনী আসনে নতুন ভোটার ২৭ হাজার ৯০৫ জন, মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫

ফেসবুক লাইভে ছিলেন আলামিন, ১২ দিন পর মর্গে মিলল গুলিবিদ্ধ লাশ

আপডেট সময় : ০৬:২৩:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় মিছিলে গিয়ে নিখোঁজ ছিলেন শরীয়তপুরের মীর মোহাম্মদ আল-আমীন। ১২ দিন পর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ হাসপাতালের মর্গে খুঁজে পেয়েছেন স্বজনরা। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, শহীদের তালিকায় নাম, পরিবারের ভরণপোষণ ও হত্যাকারীর বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের দক্ষিণ মগর এলাকার ইসমাইল মীর মালত ও জিয়াসমিন বেগমের  বড় ছেলে মীর মোহাম্মদ আল-আমীন (২৯)।

গত পাঁচ মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন তিনি। এরপর তিনি ঢাকাতেই থাকতেন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পর সাভার এলাকায় আনন্দ মিছিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছিলেন আল-আমীন। এ সময় তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ করছিলেন। হঠাৎ লাইভটি বন্ধ হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে খুঁজেও সন্ধানে মেলেনি তার। ১২ দিন পর শনিবার (১৭ আগস্ট) তার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে খুঁজে পান স্বজনরা। পরে এ দিনই তাকে নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়।

নিহতের বন্ধু সরল বলেন, আমার বন্ধু প্রথম থেকেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। এরপর গত ৫ আগস্ট বিজয়ে মিছিলে অংশ নিয়ে লাইভ করছিল। হঠাৎ লাইভটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ওর কোনো সন্ধান পাইনি। অনেক হাসপাতালে ঘুরেছি। ১২ দিন পর ঢাকার একটি হাসপাতালের মর্গে ওর লাশ খুঁজে পাই। ওর কপালে গুলির ছিদ্র ছিল।

নিহতের ছোট বোন আফলান সিনথিয়া বলেন, আমার ভাই তো সশস্ত্র ছিল না। সে আনন্দে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। আমার ভাইকে কেন এভাবে হত্যা করা হল। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আমার ভাইকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হোক।