সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৪০০ বন্দি ফিরে এসেছেন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:১৬ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৩০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৪০০ বন্দি  ফিরে এসেছেন।  মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে সাতক্ষীরা কারাগারের জেলার হাসনা জাহান বিথি এ তথ্য জানান। এর আগে, সোমবার (০৫ আগস্ট) রাতে একদল বিক্ষুব্ধ লোক কারাগারে হামলা ও ভাঙচুর করলে ৫৯৬ জন বন্দি পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কয়েক হাজার জনতা একজোট হয়ে সাতক্ষীরা কারাগারের ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন।

পরে কারাগারের প্রথম ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে সেল ও সাধারণ ওয়ার্ড ভেঙে সব আসামি ও কয়েদিদের বের করে নিয়ে যান।

কলারোয়া কেড়াগাছি গ্রামের আশরাফ হোসেন ও কয়লা গ্রামের আবদুল রকিব বলেন, তারা শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় একদল লোক এসে তাদের কারাগার থেকে বের হয়ে যেতে বললে তারা বের হয়ে যান। কারা কর্তৃপক্ষের মাইকিং শুনে তারা আবার ফিরে এসেছেন।

জেলার হাসনা জাহান বিথি বলেন, কারাগারে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের আসামি ও কয়েদি ছিলেন ৫৯৬ জন। এর মধ্যে ৪০০ জন ফিরে এসেছেন। তিনি আশা করছেন, আরও কিছু আসামি ফেরত আসবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৪০০ বন্দি ফিরে এসেছেন

আপডেট সময় : ০৯:১০:১৬ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ আগস্ট ২০২৪

সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৪০০ বন্দি  ফিরে এসেছেন।  মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে সাতক্ষীরা কারাগারের জেলার হাসনা জাহান বিথি এ তথ্য জানান। এর আগে, সোমবার (০৫ আগস্ট) রাতে একদল বিক্ষুব্ধ লোক কারাগারে হামলা ও ভাঙচুর করলে ৫৯৬ জন বন্দি পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কয়েক হাজার জনতা একজোট হয়ে সাতক্ষীরা কারাগারের ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন।

পরে কারাগারের প্রথম ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে সেল ও সাধারণ ওয়ার্ড ভেঙে সব আসামি ও কয়েদিদের বের করে নিয়ে যান।

কলারোয়া কেড়াগাছি গ্রামের আশরাফ হোসেন ও কয়লা গ্রামের আবদুল রকিব বলেন, তারা শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় একদল লোক এসে তাদের কারাগার থেকে বের হয়ে যেতে বললে তারা বের হয়ে যান। কারা কর্তৃপক্ষের মাইকিং শুনে তারা আবার ফিরে এসেছেন।

জেলার হাসনা জাহান বিথি বলেন, কারাগারে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের আসামি ও কয়েদি ছিলেন ৫৯৬ জন। এর মধ্যে ৪০০ জন ফিরে এসেছেন। তিনি আশা করছেন, আরও কিছু আসামি ফেরত আসবেন।