শুক্রবার | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কয়রায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা Logo জাবির নেত্রকোনা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্যোক্তা সম্মাননা প্রদান, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সম্মানে ইফতার স্বপ্ন, সাহস ও সাফল্যের ছয় বছরে বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার গৌরবময় ইতিহাস Logo পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের ১৮ লাখ উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বন্যা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৪৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

২০০৭ সালের পর এ বছরে এসে আবারও স্মরণকালের বন্যা দেখা দিয়েছে খাগড়াছড়িতে। টানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চেঙ্গী নদীর দুই কুল উপচে পৌর এলাকার মুসলিমপাড়া, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাটি, খবংপুড়য়া, রাজ্যমনিপাড়া, ফুটবিল, বটতলীসহ কয়েকটি এলাকার হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

শহরের পৌর বাস টার্মিনাল, নিচের বাজার ও আশপাশ এলাকা নিমজ্জিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

এছাড়া সদর উপজেলার কমলছড়ি ও গোলাবাড়ি ইউনিয়নের গঞ্জপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে প্রায় ৩০০ ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। রাস্তায় কোমর ও গলা সমান পানি থাকায় গ্রামবাসী গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন।

বিগত সময়গুলোতে টানা কয়েকদিনের বর্ষণে বন্যা হলেও এবার এক রাতের মুষলধারে বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে খাগড়াছড়ির অধিকাংশ এলাকা। সকালে নিচু এলাকা প্লাবিত হলেও দুপুরের পর থেকে অধিকাংশ এলাকা দ্রুত পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, বন্যায় পৌর এলাকার ৬-৭ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের জন্য ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় নেওয়া প্রত্যেকের জন্য খাবার ব্যবস্থা করছে পৌরসভা।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানান, প্রবল বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় দুর্গত ও পাহাড়ের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বন্যা

আপডেট সময় : ১২:০১:৪৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪

২০০৭ সালের পর এ বছরে এসে আবারও স্মরণকালের বন্যা দেখা দিয়েছে খাগড়াছড়িতে। টানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চেঙ্গী নদীর দুই কুল উপচে পৌর এলাকার মুসলিমপাড়া, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাটি, খবংপুড়য়া, রাজ্যমনিপাড়া, ফুটবিল, বটতলীসহ কয়েকটি এলাকার হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

শহরের পৌর বাস টার্মিনাল, নিচের বাজার ও আশপাশ এলাকা নিমজ্জিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

এছাড়া সদর উপজেলার কমলছড়ি ও গোলাবাড়ি ইউনিয়নের গঞ্জপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে প্রায় ৩০০ ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। রাস্তায় কোমর ও গলা সমান পানি থাকায় গ্রামবাসী গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন।

বিগত সময়গুলোতে টানা কয়েকদিনের বর্ষণে বন্যা হলেও এবার এক রাতের মুষলধারে বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে খাগড়াছড়ির অধিকাংশ এলাকা। সকালে নিচু এলাকা প্লাবিত হলেও দুপুরের পর থেকে অধিকাংশ এলাকা দ্রুত পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, বন্যায় পৌর এলাকার ৬-৭ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের জন্য ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় নেওয়া প্রত্যেকের জন্য খাবার ব্যবস্থা করছে পৌরসভা।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানান, প্রবল বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় দুর্গত ও পাহাড়ের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।