মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ 

ঠাকুরগাঁওয়ে অল্প বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে থৈ থৈ পানি

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
  • ৮৩৫ বার পড়া হয়েছে

নীলকন্ঠ ডেক্সঃ

অল্প বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ যেন হয়ে যায় পুকুর। পানি নিষ্কাশনের জন্য নেই কোনো ব্যবস্থাও। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা। বলছিলাম ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কথা। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি দ্রুত সময়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার। এদিকে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ বলছেন নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

যান যায়, ১৯০৪ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টির বর্তমান মাঠের অবস্থা যেন বেহাল। স্কুলে গিয়ে শিশুরা পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার কথা থাকলেও জলাবদ্ধতায় তা যেন নিরব। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জেলার সবচেয়ে বড় এই বিদ্যাপিঠের সামনের মাঠ দেখতে অনেকটা পুকুরের মতোই মনে হচ্ছে।

সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অল্প বৃষ্টিতেই মাঠে থৈ থৈ পানি। দূর থেকে দেখে পুকুর বলে মনে হয়। জলাবদ্ধ সেই পানিতে শিক্ষার্থীরা কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসাচ্ছে। অনেকে আবার বাসকেটবল খেলার স্থানে ফুটবল খেললেও যখন তখন ফুটবলটি নোংড়া পানিতে পড়ছে।

ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চয়নমরতন ও সালমান মুজাহিদ বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই মাঠ তলিয়ে যায়। যার ফলে আমাদের খেলাধুলা ও চলাফেরার ভোগান্তি পোহাতে হয়। আমাদের কাপড় কাঁদা লাগে যায়।

জয়নাল ও মোস্তাফা নামের দুইজন অভিভাবক বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম, বৃষ্টি হলেই এই বিদ্যালয়ের মাঠটা পুকুরের মতো হয়ে যায়। এটা আজ নতুন নয়, আগেও এটা দেখেছি। এভাবে মাঠ জলাবদ্ধ হয়ে থাকলে তো শিশুদের জন্য সমস্যা। তাই দ্রুত সময়ে এই সমস্যার সমাধানের জোড় দাবি জানাই।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (ডে শিফ্ট) জুয়েল আলম বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ চলমান রেখেছি। এটা শুধু ছাত্রদের সমস্যা নয় আমাদের সকলের সমস্যা। আশা করি দু-এক দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঠাকুরগাঁও জিলা স্কুল পৌরসভার অংশ এবং স্কুল কতৃপক্ষ পৌর কর প্রতিবছর পরিশোধ করে। এ বিষয়ে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য ঠাকুরগাঁও পৌর কতৃপক্ষকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

ঠাকুরগাঁওয়ে অল্প বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে থৈ থৈ পানি

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

নীলকন্ঠ ডেক্সঃ

অল্প বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ যেন হয়ে যায় পুকুর। পানি নিষ্কাশনের জন্য নেই কোনো ব্যবস্থাও। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা। বলছিলাম ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কথা। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি দ্রুত সময়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার। এদিকে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ বলছেন নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

যান যায়, ১৯০৪ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টির বর্তমান মাঠের অবস্থা যেন বেহাল। স্কুলে গিয়ে শিশুরা পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার কথা থাকলেও জলাবদ্ধতায় তা যেন নিরব। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জেলার সবচেয়ে বড় এই বিদ্যাপিঠের সামনের মাঠ দেখতে অনেকটা পুকুরের মতোই মনে হচ্ছে।

সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অল্প বৃষ্টিতেই মাঠে থৈ থৈ পানি। দূর থেকে দেখে পুকুর বলে মনে হয়। জলাবদ্ধ সেই পানিতে শিক্ষার্থীরা কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসাচ্ছে। অনেকে আবার বাসকেটবল খেলার স্থানে ফুটবল খেললেও যখন তখন ফুটবলটি নোংড়া পানিতে পড়ছে।

ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চয়নমরতন ও সালমান মুজাহিদ বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই মাঠ তলিয়ে যায়। যার ফলে আমাদের খেলাধুলা ও চলাফেরার ভোগান্তি পোহাতে হয়। আমাদের কাপড় কাঁদা লাগে যায়।

জয়নাল ও মোস্তাফা নামের দুইজন অভিভাবক বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম, বৃষ্টি হলেই এই বিদ্যালয়ের মাঠটা পুকুরের মতো হয়ে যায়। এটা আজ নতুন নয়, আগেও এটা দেখেছি। এভাবে মাঠ জলাবদ্ধ হয়ে থাকলে তো শিশুদের জন্য সমস্যা। তাই দ্রুত সময়ে এই সমস্যার সমাধানের জোড় দাবি জানাই।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (ডে শিফ্ট) জুয়েল আলম বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ চলমান রেখেছি। এটা শুধু ছাত্রদের সমস্যা নয় আমাদের সকলের সমস্যা। আশা করি দু-এক দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঠাকুরগাঁও জিলা স্কুল পৌরসভার অংশ এবং স্কুল কতৃপক্ষ পৌর কর প্রতিবছর পরিশোধ করে। এ বিষয়ে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য ঠাকুরগাঁও পৌর কতৃপক্ষকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।