শুক্রবার | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব Logo বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির মহিলা সমাবেশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি Logo জীবননগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা

যুদ্ধাপরাধীর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০
  • ৭৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যুদ্ধাপরাধীর তকমা লাগা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় অনেক আগেই বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ। তবে জনসম্পৃক্ততার কথা চিন্তা না করে এরইমধ্যে জামায়াত ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন বিএনপি নেতারা।

সম্প্রতি দলটির সিনিয়র ও দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

বিএনপির একটি পক্ষ মনে করছেন- ভোট ও রাজনীতির মাঠে জামায়াতের গুরুত্ব বিএনপির কাছে অনেক বেশি। আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির চেয়ে জামাত-শিবিরের সদস্যরা বেশি সক্রিয়। তাই জামাতের সঙ্গ ত্যাগ করা বিএনপির একটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে।

দলটির অপর অংশের নেতারা মনে করেন- যুদ্ধাপরাধীর তকমা থাকায় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করলে জনগণ সেই আন্দোলনে সাড়া দেয় না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে জোট করায় দেশের মানুষ বিএনপিকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে যতদিন না পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীর তকমা গায়ে থেকে না সরবে ততদিন পর্যন্ত বিএনপি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে না। তাই সবার আগে বিএনপির উচিত জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে আন্দোলনের নামে জামায়াত-বিএনপি ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। জামায়াতের সেই বীভৎস কর্মকাণ্ড মানুষ এখনো ভুলেনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যই জামায়াতের সঙ্গে থাকতে চান না। তবে তাদের সঙ্গে রাজনীতি করার মত বিএনপিতে অনেক লোক হয়েছে। যার ফলে এই ইস্যুতে এখন দলীয় নেতাদের মধ্যে এক প্রকার দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত জনসম্পৃক্ততা অর্জন করা। জনগণের ভাষা বোঝা।

তারা বলেন, যে দল জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে না, সে দল রাজনীতিতে বেশি দূর এগোতে পারে না। জনগণ চায় না বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে সখ্যতা রাখুক। দেশের জনগণ যুদ্ধাপরাধীদের দল দেখতে চায় না। বিএনপির উচিত এখনই জামায়াত সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব

যুদ্ধাপরাধীর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

যুদ্ধাপরাধীর তকমা লাগা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় অনেক আগেই বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ। তবে জনসম্পৃক্ততার কথা চিন্তা না করে এরইমধ্যে জামায়াত ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন বিএনপি নেতারা।

সম্প্রতি দলটির সিনিয়র ও দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

বিএনপির একটি পক্ষ মনে করছেন- ভোট ও রাজনীতির মাঠে জামায়াতের গুরুত্ব বিএনপির কাছে অনেক বেশি। আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির চেয়ে জামাত-শিবিরের সদস্যরা বেশি সক্রিয়। তাই জামাতের সঙ্গ ত্যাগ করা বিএনপির একটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে।

দলটির অপর অংশের নেতারা মনে করেন- যুদ্ধাপরাধীর তকমা থাকায় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করলে জনগণ সেই আন্দোলনে সাড়া দেয় না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে জোট করায় দেশের মানুষ বিএনপিকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে যতদিন না পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীর তকমা গায়ে থেকে না সরবে ততদিন পর্যন্ত বিএনপি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে না। তাই সবার আগে বিএনপির উচিত জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে আন্দোলনের নামে জামায়াত-বিএনপি ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। জামায়াতের সেই বীভৎস কর্মকাণ্ড মানুষ এখনো ভুলেনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যই জামায়াতের সঙ্গে থাকতে চান না। তবে তাদের সঙ্গে রাজনীতি করার মত বিএনপিতে অনেক লোক হয়েছে। যার ফলে এই ইস্যুতে এখন দলীয় নেতাদের মধ্যে এক প্রকার দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত জনসম্পৃক্ততা অর্জন করা। জনগণের ভাষা বোঝা।

তারা বলেন, যে দল জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে না, সে দল রাজনীতিতে বেশি দূর এগোতে পারে না। জনগণ চায় না বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে সখ্যতা রাখুক। দেশের জনগণ যুদ্ধাপরাধীদের দল দেখতে চায় না। বিএনপির উচিত এখনই জামায়াত সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া।