শনিবার | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

যুদ্ধাপরাধীর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০
  • ৭৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যুদ্ধাপরাধীর তকমা লাগা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় অনেক আগেই বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ। তবে জনসম্পৃক্ততার কথা চিন্তা না করে এরইমধ্যে জামায়াত ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন বিএনপি নেতারা।

সম্প্রতি দলটির সিনিয়র ও দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

বিএনপির একটি পক্ষ মনে করছেন- ভোট ও রাজনীতির মাঠে জামায়াতের গুরুত্ব বিএনপির কাছে অনেক বেশি। আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির চেয়ে জামাত-শিবিরের সদস্যরা বেশি সক্রিয়। তাই জামাতের সঙ্গ ত্যাগ করা বিএনপির একটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে।

দলটির অপর অংশের নেতারা মনে করেন- যুদ্ধাপরাধীর তকমা থাকায় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করলে জনগণ সেই আন্দোলনে সাড়া দেয় না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে জোট করায় দেশের মানুষ বিএনপিকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে যতদিন না পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীর তকমা গায়ে থেকে না সরবে ততদিন পর্যন্ত বিএনপি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে না। তাই সবার আগে বিএনপির উচিত জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে আন্দোলনের নামে জামায়াত-বিএনপি ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। জামায়াতের সেই বীভৎস কর্মকাণ্ড মানুষ এখনো ভুলেনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যই জামায়াতের সঙ্গে থাকতে চান না। তবে তাদের সঙ্গে রাজনীতি করার মত বিএনপিতে অনেক লোক হয়েছে। যার ফলে এই ইস্যুতে এখন দলীয় নেতাদের মধ্যে এক প্রকার দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত জনসম্পৃক্ততা অর্জন করা। জনগণের ভাষা বোঝা।

তারা বলেন, যে দল জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে না, সে দল রাজনীতিতে বেশি দূর এগোতে পারে না। জনগণ চায় না বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে সখ্যতা রাখুক। দেশের জনগণ যুদ্ধাপরাধীদের দল দেখতে চায় না। বিএনপির উচিত এখনই জামায়াত সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

যুদ্ধাপরাধীর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

যুদ্ধাপরাধীর তকমা লাগা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ না করায় অনেক আগেই বিএনপির উপর আস্থা হারিয়েছে দেশের জনগণ। তবে জনসম্পৃক্ততার কথা চিন্তা না করে এরইমধ্যে জামায়াত ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন বিএনপি নেতারা।

সম্প্রতি দলটির সিনিয়র ও দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

বিএনপির একটি পক্ষ মনে করছেন- ভোট ও রাজনীতির মাঠে জামায়াতের গুরুত্ব বিএনপির কাছে অনেক বেশি। আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির চেয়ে জামাত-শিবিরের সদস্যরা বেশি সক্রিয়। তাই জামাতের সঙ্গ ত্যাগ করা বিএনপির একটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে।

দলটির অপর অংশের নেতারা মনে করেন- যুদ্ধাপরাধীর তকমা থাকায় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করলে জনগণ সেই আন্দোলনে সাড়া দেয় না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে জোট করায় দেশের মানুষ বিএনপিকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে যতদিন না পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীর তকমা গায়ে থেকে না সরবে ততদিন পর্যন্ত বিএনপি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে না। তাই সবার আগে বিএনপির উচিত জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে আন্দোলনের নামে জামায়াত-বিএনপি ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। জামায়াতের সেই বীভৎস কর্মকাণ্ড মানুষ এখনো ভুলেনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যই জামায়াতের সঙ্গে থাকতে চান না। তবে তাদের সঙ্গে রাজনীতি করার মত বিএনপিতে অনেক লোক হয়েছে। যার ফলে এই ইস্যুতে এখন দলীয় নেতাদের মধ্যে এক প্রকার দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত জনসম্পৃক্ততা অর্জন করা। জনগণের ভাষা বোঝা।

তারা বলেন, যে দল জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে না, সে দল রাজনীতিতে বেশি দূর এগোতে পারে না। জনগণ চায় না বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে সখ্যতা রাখুক। দেশের জনগণ যুদ্ধাপরাধীদের দল দেখতে চায় না। বিএনপির উচিত এখনই জামায়াত সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া।