বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

যে কারণে ২০ দলীয় জোট ছাড়ল বিজেপি !

  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৯
  • ৭৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

২০ দলীয় জোটের সবচেয়ে পুরনো দলগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) সোমবার জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।প্রাথমিকভাবে ২০ দলের রাজনীতি ঐক্যফ্রন্টমুখী হয়ে পড়েছে বলে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।

বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আন্দালিব রহমান জানিয়েছেন এখন তার দল নিজেদের সংগঠনের কাজে বেশি মনোযোগ দেবে।কী কারণে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া?আন্দালিব রহমান বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত। ফলে ওই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার ২০ দলীয় জোট হারিয়ে ফেলেছে। তা ছাড়া ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর থেকেই বিরোধী দলের রাজনীতির সুযোগ অনেকখানি কমে গিয়েছে। পরবর্তী সময় সংহতি আর সহমত দেয়া ছাড়া জোটের আর তেমন কোনো কাজ ছিল না।তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে, যেমন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ বা অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিএনপি ছাড়া ২০ দলের তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না।’সম্প্রতি জোটের রাজনীতি তার ভাষায় ‘ঐক্যফ্রন্ট-মুখী’ হয়ে পড়েছিল বলেও উল্লেখ আন্দালিব রহমান বলেন, ‘পরবর্তী সময় আমরা সবাই যখন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলাম, তখন বিএনপি ও গণফোরাম তারা হঠাৎ করে শপথ নিতে গিয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা মনে করি এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার তারা হারিয়েছে। এই নির্বাচনকে মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। এটাই সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম হওয়ার কথা ছিল যে এই নির্বাচন আমরা মানি না।’আন্দালিব রহমানের মতে, বাংলাদেশে গত ৭ মাস ধরে ২০ দলের কোনো কর্মকাণ্ড নেই।কী প্রভাব পড়বে বিজেপির রাজনীতিতে?
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) নামের এই ছোট রাজনৈতিক দলটি ১৯৯৯ সাল থেকে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করে আসছিল। ২০ দলীয় জোট গঠন হওয়ার আগে চার দলীয় জোটেরও অংশ ছিল এই দলটি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির পুরনো মিত্র বলে পরিচিত এই দলটি।আন্দালিব রহমান বলেন, ‘আমরা নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। ২০০১ সালে সংসদে আমাদের এমপি ছিল, ২০০৮ সালেও ছিল। এখন আমরা নিজেদের দল গোছাব।’এখন জোটের বাইরে বিজেপির জন্য রাজনীতি এবং দল সংগঠিত করা কতটা সহজ হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্দালিব রহমান রহমান বলেন, ‘এখানে সহজ বা কঠিনের প্রশ্ন আসে না। আমরা আমাদের কাজ করতে থাকব, জনগণ দেখবে আমরা যদি তাদের কথা বলি তারা আমাদের পাশে থাকবে, না হলে থাকবে না! আর ২০ দলীয় জোটকে কোন না কোনভাবে বিএনপি ইম্পরট্যান্ট মনে করেছে, বিএনপি এত বড় একটা জোট। কাজেই আমি জোটের কোন দলকেই ছোট মনে করি না।’তবে ২০ দলীয় জোট ছাড়লেও ঐক্যফ্রন্টে যাওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন আন্দালিব রহমান। পাশাপাশি এখনি কোনো উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারেও তিনি মন্তব্য করতে চাননি।৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ঢাকা ১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আন্দালিব রহমান। ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এ ছাড়া ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ছিলেন তিনি।

খবর বিবিসি বাংলা

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

যে কারণে ২০ দলীয় জোট ছাড়ল বিজেপি !

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:

২০ দলীয় জোটের সবচেয়ে পুরনো দলগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) সোমবার জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।প্রাথমিকভাবে ২০ দলের রাজনীতি ঐক্যফ্রন্টমুখী হয়ে পড়েছে বলে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।

বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আন্দালিব রহমান জানিয়েছেন এখন তার দল নিজেদের সংগঠনের কাজে বেশি মনোযোগ দেবে।কী কারণে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া?আন্দালিব রহমান বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত। ফলে ওই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার ২০ দলীয় জোট হারিয়ে ফেলেছে। তা ছাড়া ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর থেকেই বিরোধী দলের রাজনীতির সুযোগ অনেকখানি কমে গিয়েছে। পরবর্তী সময় সংহতি আর সহমত দেয়া ছাড়া জোটের আর তেমন কোনো কাজ ছিল না।তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে, যেমন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ বা অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিএনপি ছাড়া ২০ দলের তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না।’সম্প্রতি জোটের রাজনীতি তার ভাষায় ‘ঐক্যফ্রন্ট-মুখী’ হয়ে পড়েছিল বলেও উল্লেখ আন্দালিব রহমান বলেন, ‘পরবর্তী সময় আমরা সবাই যখন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলাম, তখন বিএনপি ও গণফোরাম তারা হঠাৎ করে শপথ নিতে গিয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা মনে করি এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার তারা হারিয়েছে। এই নির্বাচনকে মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। এটাই সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম হওয়ার কথা ছিল যে এই নির্বাচন আমরা মানি না।’আন্দালিব রহমানের মতে, বাংলাদেশে গত ৭ মাস ধরে ২০ দলের কোনো কর্মকাণ্ড নেই।কী প্রভাব পড়বে বিজেপির রাজনীতিতে?
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) নামের এই ছোট রাজনৈতিক দলটি ১৯৯৯ সাল থেকে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করে আসছিল। ২০ দলীয় জোট গঠন হওয়ার আগে চার দলীয় জোটেরও অংশ ছিল এই দলটি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির পুরনো মিত্র বলে পরিচিত এই দলটি।আন্দালিব রহমান বলেন, ‘আমরা নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। ২০০১ সালে সংসদে আমাদের এমপি ছিল, ২০০৮ সালেও ছিল। এখন আমরা নিজেদের দল গোছাব।’এখন জোটের বাইরে বিজেপির জন্য রাজনীতি এবং দল সংগঠিত করা কতটা সহজ হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্দালিব রহমান রহমান বলেন, ‘এখানে সহজ বা কঠিনের প্রশ্ন আসে না। আমরা আমাদের কাজ করতে থাকব, জনগণ দেখবে আমরা যদি তাদের কথা বলি তারা আমাদের পাশে থাকবে, না হলে থাকবে না! আর ২০ দলীয় জোটকে কোন না কোনভাবে বিএনপি ইম্পরট্যান্ট মনে করেছে, বিএনপি এত বড় একটা জোট। কাজেই আমি জোটের কোন দলকেই ছোট মনে করি না।’তবে ২০ দলীয় জোট ছাড়লেও ঐক্যফ্রন্টে যাওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন আন্দালিব রহমান। পাশাপাশি এখনি কোনো উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারেও তিনি মন্তব্য করতে চাননি।৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ঢাকা ১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আন্দালিব রহমান। ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এ ছাড়া ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ছিলেন তিনি।

খবর বিবিসি বাংলা