রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাত খুন ক্ষমার অযোগ্য: অ্যাটর্নি জেনারেল !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:১০:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। নিম্ন আদালত আসামিদের যে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিয়েছে, সেটাই বহাল থাকা উচিত।

গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাত খুনের মামলায় হাইকোর্টের রায়ের দিন ধার্য হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মামলার শুনানি আজকে শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে আমাদের সাবমিশনে আমরা বলেছি, যে ধরনের খুন এরা করেছে, এটা ক্ষমার অযোগ্য। নিম্ন আদালত তাদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিয়েছে, সেটাই বহাল থাকা উচিত। নজরুল ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে নূর হোসেন এই খুনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং পরবর্তী সময় নজরুল ইসলামকে খুন করতে গিয়ে বাকিদের খুন করে ফেলে। এর সঙ্গে একজন আইনজীবীও প্রাণ হারিয়েছেন, যা খুবই দুঃখজনক। এরকমভাবে দিনে-দুপুরে মানুষকে অপহরণ করে নিয়ে যেভাবে মেরে ফেলা হয়েছে, যে কায়দায় মারা হয়েছে, তার দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। এদেরকে মারতে হবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাত দিন আগে। টিম ঠিক করা হয়েছে সাত দিন আগে। যে দিন তাদের মারার জন্য ধরা হবে, সেদিন যে সমস্ত নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের দিয়ে কাজ করানো হবে তাদের নিয়ে গাড়ি রওয়ানা হয়েছে। ধরার বাহানা করে তাদের নারায়ণগঞ্জ থেকে নরসিংদী নিয়ে ফের নারায়ণগঞ্জ না এনে ট্রলারে করে মেঘনা নদীর মোহনায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। বস্তাভর্তি ইট, বালু লাশের সাথে বেঁধে তাদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।   উদ্দেশ্য ছিল যেন হত্যাকাণ্ডের কোন নিশানাও না পাওয়া যায় এবং লাশ যাতে কোনোভাবে ভেসে না উঠে। এ ধরনের প্রিপ্ল্যান এবং সিস্টেমেটিক মার্ডার বাংলাদেশে আগে হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, শাস্তিটা বহাল থাকা প্রয়োজন এই জন্য, যেহেতু এ হত্যার সঙ্গে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কিছু সদস্য জড়িত আছে। এতে জনগণ বুঝবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না- সে যে বাহিনীই হোক, যে লোকই হোক না কেন।  এটা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ। আইনের চোখে সবাই সমান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

সাত খুন ক্ষমার অযোগ্য: অ্যাটর্নি জেনারেল !

আপডেট সময় : ১২:১০:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। নিম্ন আদালত আসামিদের যে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিয়েছে, সেটাই বহাল থাকা উচিত।

গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাত খুনের মামলায় হাইকোর্টের রায়ের দিন ধার্য হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মামলার শুনানি আজকে শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে আমাদের সাবমিশনে আমরা বলেছি, যে ধরনের খুন এরা করেছে, এটা ক্ষমার অযোগ্য। নিম্ন আদালত তাদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিয়েছে, সেটাই বহাল থাকা উচিত। নজরুল ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে নূর হোসেন এই খুনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং পরবর্তী সময় নজরুল ইসলামকে খুন করতে গিয়ে বাকিদের খুন করে ফেলে। এর সঙ্গে একজন আইনজীবীও প্রাণ হারিয়েছেন, যা খুবই দুঃখজনক। এরকমভাবে দিনে-দুপুরে মানুষকে অপহরণ করে নিয়ে যেভাবে মেরে ফেলা হয়েছে, যে কায়দায় মারা হয়েছে, তার দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। এদেরকে মারতে হবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাত দিন আগে। টিম ঠিক করা হয়েছে সাত দিন আগে। যে দিন তাদের মারার জন্য ধরা হবে, সেদিন যে সমস্ত নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের দিয়ে কাজ করানো হবে তাদের নিয়ে গাড়ি রওয়ানা হয়েছে। ধরার বাহানা করে তাদের নারায়ণগঞ্জ থেকে নরসিংদী নিয়ে ফের নারায়ণগঞ্জ না এনে ট্রলারে করে মেঘনা নদীর মোহনায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। বস্তাভর্তি ইট, বালু লাশের সাথে বেঁধে তাদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।   উদ্দেশ্য ছিল যেন হত্যাকাণ্ডের কোন নিশানাও না পাওয়া যায় এবং লাশ যাতে কোনোভাবে ভেসে না উঠে। এ ধরনের প্রিপ্ল্যান এবং সিস্টেমেটিক মার্ডার বাংলাদেশে আগে হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, শাস্তিটা বহাল থাকা প্রয়োজন এই জন্য, যেহেতু এ হত্যার সঙ্গে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কিছু সদস্য জড়িত আছে। এতে জনগণ বুঝবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না- সে যে বাহিনীই হোক, যে লোকই হোক না কেন।  এটা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ। আইনের চোখে সবাই সমান।