শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

মুক্তাগাছার ৯ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:০১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ জুন ২০১৭
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার মো. আব্দুস সালামসহ (৭৫) নয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১০ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যর বেঞ্চে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর আবুল কালাম। আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সুবহান তরফদার ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

এর আগে গত ২৯ মার্চ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার এই নয়জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও কোতোয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকায় ১০১ জনকে খুন এবং  ১২ থেকে ১৩ জনকে আহত, একজন নারী ধর্ষণ, শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ অপহরণ, আটক ও নির্যাতন এবং হত্যা ও গণহত্যার ৮টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযুক্ত নয়জনের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- মো. আব্দুস সালাম (৭৫), সুরুজ আলী ফকির (৬২), মো. জয়েন উদ্দিন (৬০), মো. আব্দুর রহিম ওরফে নুরু বিএসসি(৬৭), মো. জালাল উদ্দিন (৫৯) ও মো. রোস্তম আলী(৭০)। আসামিদের মধ্যে জামায়াত ইসলামী ও মুসলিম লীগ ছাড়াও একজন আওয়ামী লীগ সমর্থকও রয়েছেন।   পালাতক ৩ জন হলেন- শমসের ফকির(৬৬), ফজলুল হক(৫৯) ও সামসুল হক(৭০)।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৭ মে তদন্ত শুরু করে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তদন্ত কাযক্রম শেষ পর তা প্রকাশ করা হয়। এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হলেন মো. রুহুল আমিন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

মুক্তাগাছার ৯ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল !

আপডেট সময় : ০২:৪৭:০১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার মো. আব্দুস সালামসহ (৭৫) নয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১০ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যর বেঞ্চে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর আবুল কালাম। আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সুবহান তরফদার ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

এর আগে গত ২৯ মার্চ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার এই নয়জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও কোতোয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকায় ১০১ জনকে খুন এবং  ১২ থেকে ১৩ জনকে আহত, একজন নারী ধর্ষণ, শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ অপহরণ, আটক ও নির্যাতন এবং হত্যা ও গণহত্যার ৮টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযুক্ত নয়জনের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- মো. আব্দুস সালাম (৭৫), সুরুজ আলী ফকির (৬২), মো. জয়েন উদ্দিন (৬০), মো. আব্দুর রহিম ওরফে নুরু বিএসসি(৬৭), মো. জালাল উদ্দিন (৫৯) ও মো. রোস্তম আলী(৭০)। আসামিদের মধ্যে জামায়াত ইসলামী ও মুসলিম লীগ ছাড়াও একজন আওয়ামী লীগ সমর্থকও রয়েছেন।   পালাতক ৩ জন হলেন- শমসের ফকির(৬৬), ফজলুল হক(৫৯) ও সামসুল হক(৭০)।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৭ মে তদন্ত শুরু করে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তদন্ত কাযক্রম শেষ পর তা প্রকাশ করা হয়। এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হলেন মো. রুহুল আমিন।