শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পিলখানা হত্যা: সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ জুন ২০১৭
  • ৭৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

পিলখানায় বহুল আলোচিত বিডিআর হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন ও মেয়াদভিত্তিক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজাবৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের তিনটি  আবেদন  খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও জাহিদ সরোয়ার কাজল।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষ বিলম্বে আপিল করার যথাযথ যুক্তি দেখাতে না পারায় বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ সরকারের তিন আপিল খারিজ করে দেন। হাইকোর্টের এই খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল সেই আপিলের শুনানি নিয়ে খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

নিম্ন আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে খালাস দেন। এদের মধ্যে ১৫ জন মারা গেছেন। নিয়ম অনুযায়ী ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য নিম্ন আদালত থেকে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। এ ছাড়া ১৩৭ জন ফাঁসির আসামি আপিল করে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সবাই আপিল করলেও রাষ্ট্রপক্ষ শুরুতে কোনো আপিল করেনি। কিন্তু বিচারের শেষ পর্যায়ে এসে তিনটি আপিল দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদরদপ্তরে (পিলখানা) সংঘটিত ট্র্যাজেডিতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এরপর ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তর হয়। এরমধ্যে হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর রাজধানীর লালবাগের আলিয়ামাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিচার করা হয়। বিচার শেষে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান। মামলার আসামি ছিল ৮৪৬জন। এ মামলায় উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) তৌহিদুল আলমসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির সাবেক সাংসদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ পিন্টু (কারাগারে মৃত্যু), স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা তোরাব আলীসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড সহ বিভিন্নমেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে আরো ২৫৬ জনকে। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন ২৭৭ জন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

পিলখানা হত্যা: সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ !

আপডেট সময় : ১১:০১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

পিলখানায় বহুল আলোচিত বিডিআর হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন ও মেয়াদভিত্তিক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজাবৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের তিনটি  আবেদন  খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও জাহিদ সরোয়ার কাজল।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষ বিলম্বে আপিল করার যথাযথ যুক্তি দেখাতে না পারায় বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ সরকারের তিন আপিল খারিজ করে দেন। হাইকোর্টের এই খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল সেই আপিলের শুনানি নিয়ে খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

নিম্ন আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে খালাস দেন। এদের মধ্যে ১৫ জন মারা গেছেন। নিয়ম অনুযায়ী ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য নিম্ন আদালত থেকে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। এ ছাড়া ১৩৭ জন ফাঁসির আসামি আপিল করে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সবাই আপিল করলেও রাষ্ট্রপক্ষ শুরুতে কোনো আপিল করেনি। কিন্তু বিচারের শেষ পর্যায়ে এসে তিনটি আপিল দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদরদপ্তরে (পিলখানা) সংঘটিত ট্র্যাজেডিতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এরপর ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তর হয়। এরমধ্যে হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর রাজধানীর লালবাগের আলিয়ামাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিচার করা হয়। বিচার শেষে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান। মামলার আসামি ছিল ৮৪৬জন। এ মামলায় উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) তৌহিদুল আলমসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির সাবেক সাংসদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ পিন্টু (কারাগারে মৃত্যু), স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা তোরাব আলীসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড সহ বিভিন্নমেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে আরো ২৫৬ জনকে। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন ২৭৭ জন।