বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

যে হিমবাহে পানি নয়, নির্গত হয় রক্ত !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:১৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩ মে ২০১৭
  • ৮০৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

অ্যান্টার্কটিকার এই দ্বীপে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের রহস্যময় ঘটনা ঘটে থাকে। যেমন এই দ্বীপের হিমবাহ থেকে পানি নয়, নির্গত হয় রক্ত। রক্তাক্ত জলপ্রপাতের রহস্য এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অ্যান্টার্কটিকার এই রক্তের নদীকে প্রথমবার ১৯১১ সালে আবিষ্কার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ভূতাত্তিক গ্রিফিথ টেলর। প্রথমে তিনি মনে করেন এই লাল রঙ আণুবীক্ষণিক লাল শেত্তলাগুলি জন্য হয়েছে।

যদিও এই তত্ত্ব ২০০৩ ভুল প্রমাণিত হয়। একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া যায়, এই পানিতে আয়রন অক্সাইডের মাত্রা বেশি ছিল। অক্সিডাইস্ড আয়রনের কারণে এই পানির রঙ লাল।

গবেষকরা আবার একবার এই রহস্যময় জলপ্রপাত থেকে নির্গত লাল পানিকে নিয়ে একটি তত্ত্ব সামনে এনেছেন। কলোরাডো কলেজ এবং আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণায় জানা গেছে এই পানি একটি বিশালাকার তালাব থেকে আসছে। সব থেকে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এই তালাব বিগত কয়েক লাখ বছর ধরে বরফের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে।

পানি বরফে পরিণত হওয়ার সাথে তাপ ছাড়তে শুরু করে। এই তাপ চারিদিকে জমে থাকা বরফকে গরম করে দেয়। এই কারণে এই রক্ত জলপ্রপাত থেকে অবিরাম পানি পড়তে থাকে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, অ্যান্টার্কটিকা সবসময় রহস্যময় কেন্দ্র রূপে পরিচিত। এখানে হাড় হিম করা ঠান্ডা পড়ে। সেই কারণে এখানে শুধুমাত্র বিজ্ঞানী ও পেঙ্গুইন ছাড়া আর কোনো প্রাণ নেই।

আরেকজন গবেষকের মতে অ্যান্টার্কটিকাতে লুকিয়ে রয়েছে একটি গোপন শহর। যা অ্যাটলান্টিসের হারিয়ে যাওয়া শহরও হতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

যে হিমবাহে পানি নয়, নির্গত হয় রক্ত !

আপডেট সময় : ০২:১৯:১৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

অ্যান্টার্কটিকার এই দ্বীপে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের রহস্যময় ঘটনা ঘটে থাকে। যেমন এই দ্বীপের হিমবাহ থেকে পানি নয়, নির্গত হয় রক্ত। রক্তাক্ত জলপ্রপাতের রহস্য এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অ্যান্টার্কটিকার এই রক্তের নদীকে প্রথমবার ১৯১১ সালে আবিষ্কার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ভূতাত্তিক গ্রিফিথ টেলর। প্রথমে তিনি মনে করেন এই লাল রঙ আণুবীক্ষণিক লাল শেত্তলাগুলি জন্য হয়েছে।

যদিও এই তত্ত্ব ২০০৩ ভুল প্রমাণিত হয়। একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া যায়, এই পানিতে আয়রন অক্সাইডের মাত্রা বেশি ছিল। অক্সিডাইস্ড আয়রনের কারণে এই পানির রঙ লাল।

গবেষকরা আবার একবার এই রহস্যময় জলপ্রপাত থেকে নির্গত লাল পানিকে নিয়ে একটি তত্ত্ব সামনে এনেছেন। কলোরাডো কলেজ এবং আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণায় জানা গেছে এই পানি একটি বিশালাকার তালাব থেকে আসছে। সব থেকে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এই তালাব বিগত কয়েক লাখ বছর ধরে বরফের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে।

পানি বরফে পরিণত হওয়ার সাথে তাপ ছাড়তে শুরু করে। এই তাপ চারিদিকে জমে থাকা বরফকে গরম করে দেয়। এই কারণে এই রক্ত জলপ্রপাত থেকে অবিরাম পানি পড়তে থাকে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, অ্যান্টার্কটিকা সবসময় রহস্যময় কেন্দ্র রূপে পরিচিত। এখানে হাড় হিম করা ঠান্ডা পড়ে। সেই কারণে এখানে শুধুমাত্র বিজ্ঞানী ও পেঙ্গুইন ছাড়া আর কোনো প্রাণ নেই।

আরেকজন গবেষকের মতে অ্যান্টার্কটিকাতে লুকিয়ে রয়েছে একটি গোপন শহর। যা অ্যাটলান্টিসের হারিয়ে যাওয়া শহরও হতে পারে।