খুলনার কয়রা উপজেলার হরিণখোলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনকূল থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠলেও স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা বলছেন—এটি শুধুমাত্র একটি জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম, অপরাধ নয়।
তাদের দাবি, নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। নৌকা চালক, শ্রমিক, মেশিন অপারেটরসহ শতাধিক পরিবার প্রতিদিন এই কাজে যুক্ত থেকে সংসার চালাচ্ছেন। এ কারণে হঠাৎ করে বালু উত্তোলন বন্ধ হলে বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়বেন।
বালু উত্তোলনকারীরা বলেন, নদীতে জমে থাকা বালু না তোলায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়। ড্রেজারের মাধ্যমে বালু সরিয়ে দিলে নদের গভীরতা বৃদ্ধি পায় এবং নৌচলাচল সহজ হয়। তাদের মতে, এটি নদী শাসনের জন্যও প্রয়োজনীয়।
এ ছাড়া তারা দাবি করেন, স্থানীয় বাজারে বালুর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সড়ক নির্মাণ, ঘর-বাড়ি তৈরি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন কাজে এই বালু ব্যবহার হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বালু উত্তোলন না করলে বাইরের জায়গা থেকে বেশি দামে বালু কিনতে হবে, যা সাধারণ মানুষ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করবে।
তাদের অভিযোগ, কিছু মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। অথচ এই খাত থেকে সরকারকে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ বিভিন্নভাবে রাজস্বও প্রদান করা হচ্ছে।
বালু উত্তোলনকারীরা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আমরা আইন মেনে কাজ করতে চাই। সরকার যদি লাইসেন্স দেয়, তবে নিয়ম মেনে বালু তোলা সম্ভব হবে। এতে যেমন আমাদের জীবিকা নির্বাহ সহজ হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।



















































