মঙ্গলবার | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গাইবান্ধা-৩ নির্বাচনী আসনে নতুন ভোটার ২৭ হাজার ৯০৫ জন, মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ Logo সুন্দরবনে হরিণ শিকার রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাংস ও ফাঁদ Logo ‘সেনা হেফাজতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মৃত্যু’ Logo শিয়ালকোলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে সংঘর্ষ: নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত 

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণা: সিরাজগঞ্জের যুবকের কাছ থেকে আদায় ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট ২০২৫
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ:

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সিপাহি পদে ভুয়া নিয়োগপত্র ও পুলিশ ভেরিফিকেশন দেখিয়ে সিরাজগঞ্জের এক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী যুবক মো. আব্দুল মালেক এই অভিযোগ করেছেন। তিনি উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

প্রতারনাকারীরা হলেন ঢাকা মিরপুরের সামরিক বাহিনী কমান্ড স্টাফ কলেজের অফিস সহায়ক ফিরোজ, ঢাকা মধ্য বাড্ডার প্রবাসী এজেন্সি ব্যবসায়ী রাশিদুল।

অভিযোগে বলা হয়, ফিরোজ ও রাশিদুল নামের দুই ব্যক্তি প্রথমে আব্দুল মালেকের পরিবারকে চাকরির প্রলোভন দেখান। তারা জানান, ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সিপাহি পদে চাকরি দেওয়া হবে। এসময় একাধিক পর্যায়ে নগদ টাকা ও ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করেন তারা।

আবেদনের ভুয়া ভেরিফিকেশন ও নিয়োগপত্র তৈরি করে মালেককে জানানো হয় যে তার পোস্টিং কক্সবাজারের টেকনাফে হয়েছে এবং রাজশাহীতে ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রশিক্ষণ শুরু হলেও তিনি যোগ দিতে পারেননি। পরে মালেক জানতে পারেন, নিয়োগপত্র ও পুলিশ ভেরিফিকেশন দুটোই ভুয়া।

আবদুল মালেক অভিযোগে জানিয়েছেন, প্রতারণার মাধ্যমে ফিরোজ ও তার সহযোগীরা মোট ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৭টি স্ট্যাম্প ও ৭টি চেক নিয়েছেন। টাকা ফেরত না পেয়ে তিনি সেনা সদর দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার মতো আর কোনো মায়ের সন্তান যেন ভুয়া নিয়োগপত্র ও ভুয়া ভেরিফিকেশনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত না হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ফিরোজের মামা আতাউর উপজেলা জামায়াতের — আতাউর বলেন, এ বিষয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। কিন্তুু তারা শুনছেন না। ওয়ারিশসূত্রে ফিরোজের মা কিছু জমি পাবে সেই জমি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিন্তুু তাও ওর বাবা মা রাজি হচ্ছে না।

এলাকার মুরুব্বী মাওলানা হযরত বলেন, গ্রাম্য সালিশে আমি ছিলাম। এলাকার সবাই জানে মালেকের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২১লাখ ৭০ হাজার নিয়েছে। ফিরোজ সেই টাকা নেওয়ার বিষয়ে স্বীকারও করেছে। দুই মাস সময় চেয়ে ফিরোজ ও তার পরিবার টাকা আর দিচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধা-৩ নির্বাচনী আসনে নতুন ভোটার ২৭ হাজার ৯০৫ জন, মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণা: সিরাজগঞ্জের যুবকের কাছ থেকে আদায় ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট ২০২৫

নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ:

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সিপাহি পদে ভুয়া নিয়োগপত্র ও পুলিশ ভেরিফিকেশন দেখিয়ে সিরাজগঞ্জের এক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী যুবক মো. আব্দুল মালেক এই অভিযোগ করেছেন। তিনি উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

প্রতারনাকারীরা হলেন ঢাকা মিরপুরের সামরিক বাহিনী কমান্ড স্টাফ কলেজের অফিস সহায়ক ফিরোজ, ঢাকা মধ্য বাড্ডার প্রবাসী এজেন্সি ব্যবসায়ী রাশিদুল।

অভিযোগে বলা হয়, ফিরোজ ও রাশিদুল নামের দুই ব্যক্তি প্রথমে আব্দুল মালেকের পরিবারকে চাকরির প্রলোভন দেখান। তারা জানান, ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সিপাহি পদে চাকরি দেওয়া হবে। এসময় একাধিক পর্যায়ে নগদ টাকা ও ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করেন তারা।

আবেদনের ভুয়া ভেরিফিকেশন ও নিয়োগপত্র তৈরি করে মালেককে জানানো হয় যে তার পোস্টিং কক্সবাজারের টেকনাফে হয়েছে এবং রাজশাহীতে ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রশিক্ষণ শুরু হলেও তিনি যোগ দিতে পারেননি। পরে মালেক জানতে পারেন, নিয়োগপত্র ও পুলিশ ভেরিফিকেশন দুটোই ভুয়া।

আবদুল মালেক অভিযোগে জানিয়েছেন, প্রতারণার মাধ্যমে ফিরোজ ও তার সহযোগীরা মোট ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৭টি স্ট্যাম্প ও ৭টি চেক নিয়েছেন। টাকা ফেরত না পেয়ে তিনি সেনা সদর দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার মতো আর কোনো মায়ের সন্তান যেন ভুয়া নিয়োগপত্র ও ভুয়া ভেরিফিকেশনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত না হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ফিরোজের মামা আতাউর উপজেলা জামায়াতের — আতাউর বলেন, এ বিষয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। কিন্তুু তারা শুনছেন না। ওয়ারিশসূত্রে ফিরোজের মা কিছু জমি পাবে সেই জমি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিন্তুু তাও ওর বাবা মা রাজি হচ্ছে না।

এলাকার মুরুব্বী মাওলানা হযরত বলেন, গ্রাম্য সালিশে আমি ছিলাম। এলাকার সবাই জানে মালেকের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২১লাখ ৭০ হাজার নিয়েছে। ফিরোজ সেই টাকা নেওয়ার বিষয়ে স্বীকারও করেছে। দুই মাস সময় চেয়ে ফিরোজ ও তার পরিবার টাকা আর দিচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।