রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

ইবির সাবেক প্রক্টরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী মতের দমন-পীড়ন, শিক্ষার্থীদের হয়রানি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমানের বহিষ্কার ও বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ঐতিহাসিক জিয়া মোড়ে সমবেত হয়ে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, অফিস সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি সহ শতাধিক শিক্ষার্থী। মিছিলে শিক্ষার্থীরা নারায়ে তাকবির, ‘আল্লাহু আকবার’, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির জিন্দাবাদ’, ‘আওয়ামীলীগের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘মাহবুবের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘মাহবুব জঙ্গি, হাসিনার সঙ্গী’, ‘প্রক্টর মাহবুবের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘মাহবুবের বহিষ্কার করতে হবে’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত নানা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিরোধী মতের ওপর দমন-পীড়ন, সাজানো ক্রসফায়ার, এবং তথাকথিত জঙ্গি নাটকে সাবেক প্রক্টর মাহবুব দীর্ঘদিন যাবৎ সহযোগী ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দেয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে তোলা হয়।
শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, “গত শাসনামলে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে। সাবেক প্রক্টর মাহবুব শিক্ষার্থীদের গুমের হুমকি দিয়েছেন। নিজের স্বার্থে কোনো কাজ বাকি রাখেননি। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলছি, যদি সামর্থ্য থাকে, তাহলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, নইলে চলে যান। সন্ত্রাসী মাহবুবের বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী অনিরাপদ।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (ইকসু) চালু করুন। শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, ইকসু আন্দোলন করলে দিবেন নাকি শান্তিপূর্ণভাবে দিবেন, সেই সিদ্ধান্ত আপনারাই নিন। আমার ভাই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার দ্রুত তদন্ত করুন এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন। ক্যাম্পাস ডিজিটালাইজেশন, সব প্রক্রিয়া অনলাইনে করার ব্যবস্থা করুন। শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করে মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দিন। প্রক্টর মাহবুবকে দ্রুত বহিষ্কার করুন এবং শিক্ষার্থীদের নিপীড়নকারী এমন শিক্ষকদের চিহ্নিত করুন, নইলে আমরাই তাদের খুঁজে বের করবো।”
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

ইবির সাবেক প্রক্টরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:০০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী মতের দমন-পীড়ন, শিক্ষার্থীদের হয়রানি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমানের বহিষ্কার ও বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ঐতিহাসিক জিয়া মোড়ে সমবেত হয়ে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, অফিস সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি সহ শতাধিক শিক্ষার্থী। মিছিলে শিক্ষার্থীরা নারায়ে তাকবির, ‘আল্লাহু আকবার’, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির জিন্দাবাদ’, ‘আওয়ামীলীগের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘মাহবুবের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘মাহবুব জঙ্গি, হাসিনার সঙ্গী’, ‘প্রক্টর মাহবুবের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘মাহবুবের বহিষ্কার করতে হবে’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত নানা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিরোধী মতের ওপর দমন-পীড়ন, সাজানো ক্রসফায়ার, এবং তথাকথিত জঙ্গি নাটকে সাবেক প্রক্টর মাহবুব দীর্ঘদিন যাবৎ সহযোগী ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দেয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে তোলা হয়।
শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, “গত শাসনামলে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে। সাবেক প্রক্টর মাহবুব শিক্ষার্থীদের গুমের হুমকি দিয়েছেন। নিজের স্বার্থে কোনো কাজ বাকি রাখেননি। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলছি, যদি সামর্থ্য থাকে, তাহলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, নইলে চলে যান। সন্ত্রাসী মাহবুবের বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী অনিরাপদ।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (ইকসু) চালু করুন। শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, ইকসু আন্দোলন করলে দিবেন নাকি শান্তিপূর্ণভাবে দিবেন, সেই সিদ্ধান্ত আপনারাই নিন। আমার ভাই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার দ্রুত তদন্ত করুন এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন। ক্যাম্পাস ডিজিটালাইজেশন, সব প্রক্রিয়া অনলাইনে করার ব্যবস্থা করুন। শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করে মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দিন। প্রক্টর মাহবুবকে দ্রুত বহিষ্কার করুন এবং শিক্ষার্থীদের নিপীড়নকারী এমন শিক্ষকদের চিহ্নিত করুন, নইলে আমরাই তাদের খুঁজে বের করবো।”