সোমবার | ২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী Logo খুবির ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হামলার দাবি আইআরজিসি’র Logo সাদুল্লাপুরের ছাত্রলীগ নেতা বানিয়ে গ্রেফতার : দুই মাস কারাবন্দি, নবজাতকসহ তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী Logo পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন Logo শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল ‘বিজয়ী: চাঁদপুরে ১৫০ শিক্ষার্থী পেল নতুন পোশাক Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

চুয়াডাঙ্গায় জিরা চাষে সফলতার পথে কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:০৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৮৯৭ বার পড়া হয়েছে

আমিনুর রহমান নয়ন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জিরা চাষ করে সফলতার পথে কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম। তিনি উপজেলার উথলী ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টে ১১ শতক জমিতে বারী-১ জাতের জিরা চাষ করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ই জানুয়ারি ২০২৫) দুপুরে ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টে গিয়ে দেখা যায় জিরা গাছগুলো ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে।
ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টের স্বত্বাধিকারী কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জীবননগর কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় গত বছরের নভেম্বর মাসে জমিতে বেড করে ১১ শতক জমিতে আমি জিরার বীজ বপন করি। জিরা গাছে ফুল এসেছে। ফলও আসতে শুরু করেছে। কৃষি কর্মকর্তারা আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আল্লাহ রহমত করলে মাসখানেকের মধ্যে আমি জিরা সংগ্রহ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘জিরা চাষ বিষয়ে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। আমার কৃষি প্রজেক্টে জিরা, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াও বিভিন্ন ফসলের চাষ করেছি।’
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, জীবননগর কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় উপজেলায় প্রথমবারের মতো জিরার চাষ শুরু হয়েছে। এটিই চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রথম জিরা চাষ। সন্তোষপুরসহ উপজেলার মোট তিন জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে জিরার চাষ করা হয়েছে। তবে অন্য দুই জায়গার চেয়ে জাহিদুল ইসলামের জমির জিরা গাছগুলো অনেক ভালো অবস্থায় আছে। ফসল সংগ্রহ না করা পর্যন্ত আমরা সফল হবো কি না বলতে পারছি না। তবে আমরা খুবই আশাবাদী। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।
উল্লেখ্য, নাতিশীতোষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া জিরা চাষের জন্য উপযুক্ত। সঠিক পরিচর্যায় সহজেই হেক্টরপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ কেজি জিরার ফলন পাওয়া সম্ভব। সুনিষ্কাশিত উর্বর, গভীর এবং বেলে দোঁআশ মাটি জিরা চাষের জন্যে উত্তম।
ট্যাগস :

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় জিরা চাষে সফলতার পথে কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:০৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫

আমিনুর রহমান নয়ন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জিরা চাষ করে সফলতার পথে কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম। তিনি উপজেলার উথলী ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টে ১১ শতক জমিতে বারী-১ জাতের জিরা চাষ করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ই জানুয়ারি ২০২৫) দুপুরে ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টে গিয়ে দেখা যায় জিরা গাছগুলো ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে।
ভাই ভাই কৃষি প্রজেক্টের স্বত্বাধিকারী কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জীবননগর কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় গত বছরের নভেম্বর মাসে জমিতে বেড করে ১১ শতক জমিতে আমি জিরার বীজ বপন করি। জিরা গাছে ফুল এসেছে। ফলও আসতে শুরু করেছে। কৃষি কর্মকর্তারা আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আল্লাহ রহমত করলে মাসখানেকের মধ্যে আমি জিরা সংগ্রহ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘জিরা চাষ বিষয়ে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। আমার কৃষি প্রজেক্টে জিরা, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াও বিভিন্ন ফসলের চাষ করেছি।’
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, জীবননগর কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় উপজেলায় প্রথমবারের মতো জিরার চাষ শুরু হয়েছে। এটিই চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রথম জিরা চাষ। সন্তোষপুরসহ উপজেলার মোট তিন জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে জিরার চাষ করা হয়েছে। তবে অন্য দুই জায়গার চেয়ে জাহিদুল ইসলামের জমির জিরা গাছগুলো অনেক ভালো অবস্থায় আছে। ফসল সংগ্রহ না করা পর্যন্ত আমরা সফল হবো কি না বলতে পারছি না। তবে আমরা খুবই আশাবাদী। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।
উল্লেখ্য, নাতিশীতোষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়া জিরা চাষের জন্য উপযুক্ত। সঠিক পরিচর্যায় সহজেই হেক্টরপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ কেজি জিরার ফলন পাওয়া সম্ভব। সুনিষ্কাশিত উর্বর, গভীর এবং বেলে দোঁআশ মাটি জিরা চাষের জন্যে উত্তম।