শুক্রবার | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কয়রায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা Logo জাবির নেত্রকোনা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্যোক্তা সম্মাননা প্রদান, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সম্মানে ইফতার স্বপ্ন, সাহস ও সাফল্যের ছয় বছরে বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার গৌরবময় ইতিহাস Logo পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের ১৮ লাখ উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শেরপুরে সৎভাইদের ফাঁসাতে নিজের বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৮৫৬ বার পড়া হয়েছে

আরফান আলী, শেরপুর:
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর দশানীপাড়া গ্রামের জনৈক কমর আলীর ছেলে জামাদার আলী পেশায় একজন জুয়ারী বলে এলাকায় পরিচিত। জামাদার আলী হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে পূর্বশত্রুতার এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার সৎ ভাই মোঃ আঃ আজিজ ও আঃ হালিমকে ফাঁসাতে নিজ ঔরসজাত নাবালিকা কন্যা বাকপ্রতিবন্ধী সাদিয়া বেগম (১৪) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী কুপিয়ে হত্যা করে একটি ফসলি জমিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদর উপজেলার সাহাব্দীরচর দশানীপাড়া গ্রামের জামাদার মিয়া গত রোববার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তার বাড়ি থেকে নাবালিকা বাকপ্রতিবন্ধী কন্যা সাদিয়া বেগমকে কামারেরচর বাজারে নিয়ে যায়। পরে সাদিয়া বেগমকে প্রথমে জনৈক হারুনের দোকানে সিঙ্গারা ও পুরি খাওয়ায় এবং পরবর্তীতে একই বাজারের ফারুকের দোকান থেকে পাউরুটি কিনে দেয়। পরে সাদিয়া বেগমকে জামাদার মিয়া অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাবার সময় বাজারের লোকজন জামাদার মিয়ার হাতে একটি ধারালো দা দেখতে পান। যা বাজারের দোকানীদের সিসি ক্যামেয়ায় ধারণ এবং লক্ষ্য করা যায়। পরদিন গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে একটি খেতে সাদিয়া বেগমের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সদর থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ সাদিয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় পর থেকেই সাদিয়া বেগমের পাষন্ড বাবা জামাদার মিয়া পলাতক রয়েছে।

এদিকে জামাদার মিয়া ও নিহত সাদিয়া বেগমের গোষ্ঠীর লোকজন এবং গ্রামবাসী ধারণা করছেন সৎ ভাই আঃ আজিজ ও আঃ হালিমকে ফাঁসাতেই নিজ বাকপ্রতিবন্ধী কন্যা সাদিয়া বেগমকে হত্যা করেছেন বলে এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটিয়েছেন তার বাবা জামাদার মিয়া।

এদিক মামলার তদন্তকারী অফিসার সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেক বলেন, নিহত সাদিয়া বেগমের বাবা জামাদার মিয়াকে আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন এবং তাকে আটক করতে পারলেই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে তিনি এমনটাই জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেরপুরে সৎভাইদের ফাঁসাতে নিজের বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েকে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৫

আরফান আলী, শেরপুর:
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর দশানীপাড়া গ্রামের জনৈক কমর আলীর ছেলে জামাদার আলী পেশায় একজন জুয়ারী বলে এলাকায় পরিচিত। জামাদার আলী হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে পূর্বশত্রুতার এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার সৎ ভাই মোঃ আঃ আজিজ ও আঃ হালিমকে ফাঁসাতে নিজ ঔরসজাত নাবালিকা কন্যা বাকপ্রতিবন্ধী সাদিয়া বেগম (১৪) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী কুপিয়ে হত্যা করে একটি ফসলি জমিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদর উপজেলার সাহাব্দীরচর দশানীপাড়া গ্রামের জামাদার মিয়া গত রোববার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তার বাড়ি থেকে নাবালিকা বাকপ্রতিবন্ধী কন্যা সাদিয়া বেগমকে কামারেরচর বাজারে নিয়ে যায়। পরে সাদিয়া বেগমকে প্রথমে জনৈক হারুনের দোকানে সিঙ্গারা ও পুরি খাওয়ায় এবং পরবর্তীতে একই বাজারের ফারুকের দোকান থেকে পাউরুটি কিনে দেয়। পরে সাদিয়া বেগমকে জামাদার মিয়া অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাবার সময় বাজারের লোকজন জামাদার মিয়ার হাতে একটি ধারালো দা দেখতে পান। যা বাজারের দোকানীদের সিসি ক্যামেয়ায় ধারণ এবং লক্ষ্য করা যায়। পরদিন গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে একটি খেতে সাদিয়া বেগমের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সদর থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ সাদিয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় পর থেকেই সাদিয়া বেগমের পাষন্ড বাবা জামাদার মিয়া পলাতক রয়েছে।

এদিকে জামাদার মিয়া ও নিহত সাদিয়া বেগমের গোষ্ঠীর লোকজন এবং গ্রামবাসী ধারণা করছেন সৎ ভাই আঃ আজিজ ও আঃ হালিমকে ফাঁসাতেই নিজ বাকপ্রতিবন্ধী কন্যা সাদিয়া বেগমকে হত্যা করেছেন বলে এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটিয়েছেন তার বাবা জামাদার মিয়া।

এদিক মামলার তদন্তকারী অফিসার সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেক বলেন, নিহত সাদিয়া বেগমের বাবা জামাদার মিয়াকে আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন এবং তাকে আটক করতে পারলেই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে তিনি এমনটাই জানান।