রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

পাসের হারে এগিয়ে ও পিছিয়ে যে শিক্ষাবোর্ড

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:০৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ অবেক্টাবর) বেলা ১১টায় নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে এ বছরের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে সিলেট শিক্ষাবোর্ড। আর সর্বনিম্ন পাসের হার ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

আরও জানা যায়, সর্বোচ্চ সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আর সর্বনিম্ন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

এছাড়া ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ ও দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩১ হাজার ৩৭৬ জন। ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯২ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৫৩ হাজার ৫৪৬ জন।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর এইচএসসি নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩০ জুন। যদিও সেসময় বন্যার কারণে সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ৯ জুলাই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে স্থগিত হওয়ার আগে ছয় থেকে সাতটি পরীক্ষা হয়েছিলো। বাকি বিষয়গুলোর লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা বাকি ছিলো। এরপর কয়েক দফা পেছানোর পর ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষাগুলো শুরু হওয়ার কথা ছিলো। যদিও পরবর্তীতে ২০ আগস্ট শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে বাকি পরীক্ষাগুলো স্থগিত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

পাসের হারে এগিয়ে ও পিছিয়ে যে শিক্ষাবোর্ড

আপডেট সময় : ০১:১৭:০৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ অবেক্টাবর) বেলা ১১টায় নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে এ বছরের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে সিলেট শিক্ষাবোর্ড। আর সর্বনিম্ন পাসের হার ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

আরও জানা যায়, সর্বোচ্চ সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আর সর্বনিম্ন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

এছাড়া ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ ও দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩১ হাজার ৩৭৬ জন। ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯২ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৫৩ হাজার ৫৪৬ জন।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর এইচএসসি নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩০ জুন। যদিও সেসময় বন্যার কারণে সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ৯ জুলাই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে স্থগিত হওয়ার আগে ছয় থেকে সাতটি পরীক্ষা হয়েছিলো। বাকি বিষয়গুলোর লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা বাকি ছিলো। এরপর কয়েক দফা পেছানোর পর ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষাগুলো শুরু হওয়ার কথা ছিলো। যদিও পরবর্তীতে ২০ আগস্ট শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে বাকি পরীক্ষাগুলো স্থগিত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।