বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

বিনামূল্যে পিপিআর রোগের টিকা প্রদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিত প্রাণঘাতী পিপিআর রোগ প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের আয়োজনে সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদে টিকাদানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক আ.হা.ম শামিমুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামারের ব্যবস্থাপক আরমান আলী ও মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আশাদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন বলেন, ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে পিপিআর রোগে আক্রান্ত ছাগল-ভেড়া গুরুতর ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। পিপিআর নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ছাগল-ভেড়াকে পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদানের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা তৈরি করা হবে। এ সময় তিনি আরো বলেন, জেলার ৪টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্যাম্পেইন ও ইউনিয়নের সকল এলাকায় ভ্যাক্সিন টিম ওয়ার্ড ভিত্তিক ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে পিপিআর রোগের ফ্রি ভ্যাক্সিন দেয়া হবে। তিনি টিকাদান কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জেলার ৪টি উপজেলায় মোট ৫লাখ ৬০ হাজার ছাগল-ভেড়ার ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১ লাখ ৩০ হাজার, আলমডাঙ্গায় ১ লাখ ৭০ হাজার, দামুড়হুদায় ১ লাখ ৪০ হাজার ও জীবননগরে ১ লাখ ২০ হাজার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

বিনামূল্যে পিপিআর রোগের টিকা প্রদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিত প্রাণঘাতী পিপিআর রোগ প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের আয়োজনে সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদে টিকাদানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক আ.হা.ম শামিমুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামারের ব্যবস্থাপক আরমান আলী ও মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আশাদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন বলেন, ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে পিপিআর রোগে আক্রান্ত ছাগল-ভেড়া গুরুতর ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। পিপিআর নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ছাগল-ভেড়াকে পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদানের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা তৈরি করা হবে। এ সময় তিনি আরো বলেন, জেলার ৪টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্যাম্পেইন ও ইউনিয়নের সকল এলাকায় ভ্যাক্সিন টিম ওয়ার্ড ভিত্তিক ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে পিপিআর রোগের ফ্রি ভ্যাক্সিন দেয়া হবে। তিনি টিকাদান কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জেলার ৪টি উপজেলায় মোট ৫লাখ ৬০ হাজার ছাগল-ভেড়ার ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১ লাখ ৩০ হাজার, আলমডাঙ্গায় ১ লাখ ৭০ হাজার, দামুড়হুদায় ১ লাখ ৪০ হাজার ও জীবননগরে ১ লাখ ২০ হাজার।