সোমবার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ  Logo শব্দকথা সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ পেলেন নুরুন্নাহার মুন্নি

ঝিনাইদহের ৫টি মডেল মসজিদ নির্মানে কচ্ছপের গতিকেও হাড় মানায়

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:৫৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২
  • ৭৮৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

ঝিনাইদহ জেলায় নির্মানাধিন ৭টি মডেল মসজিদের মধ্যে ৫টি নির্মান কচ্ছপ গতিতে। অথচ দু বছর আগেই নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ফান্ড না থাকার অজুহাতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান কাজ করছেন না। যে ভাবে মসজিদগুলোর নির্মান কাজ চলছে তাতে শেষ হতে এখনো অনেক দেরি। নির্মানাধীন মিেজদর মধ্যে রয়েছে, ঝিনাইদহ জেলা মডেল মসজিদ, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ, শৈলকুপা উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলা মডেল মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদ গুলো নির্মান করছে গনপুর্ত অধিদপ্তর।

৭টি মসজিদের মধ্যে মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। জেলা গনপুর্ত অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৪ কোটি ৮৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০২০ সালে ৩১ ডিসেম্বর নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। চলতি অর্থ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্মান কাজের শতকরা ২৫ ভাগ শেষ হয়েছে। কোটচাঁদপুর উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান ব্যয় বরাদ্ধ ছিল ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এ মসজিদের নির্মান শেষ হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এপর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ১৬ ভাগ।

এই মসজিদের পাইপ ক্যাপের কাজ শেষ হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এপর্যন্ত কাজ হয়েছে ২৮ ভাগ। দোতলার ছাদ পর্যন্ত উঠে তেমে আছে। মহেশপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এটির নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ১৭ ভাগ। সবেমাত্র পাইল ক্যাপের কাজ শেষ হয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র দুই ভাগ। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা পর্যায়ের মসজিদ গুলো হবে তিন তলা বিশিষ্ট এবং জেলা মডেল মসজিদ হবে ৪ তলা। প্রতিটি মসজিদে থাকবে ইসলামিক ট্রেনিং সেন্টার, অটিজম সেন্টার, পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃখক নামাযের জায়গা, কনফারেন্স রুম ও গেষ্ট রুম। থাকবে ফুলের বাগান। প্রতিটি মসজিদ হবে একই ডিজাইনের। গনপুর্ত অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী জেরাল্ড ওলিভার গুডা জানান, ৫টি মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজের গতি খুব ধীর গতিতে চলছে।

তিনি জানান, নির্মান কাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারদের বারবার চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা কাজের গতি বাড়াচ্ছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের 

ঝিনাইদহের ৫টি মডেল মসজিদ নির্মানে কচ্ছপের গতিকেও হাড় মানায়

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৫৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

ঝিনাইদহ জেলায় নির্মানাধিন ৭টি মডেল মসজিদের মধ্যে ৫টি নির্মান কচ্ছপ গতিতে। অথচ দু বছর আগেই নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ফান্ড না থাকার অজুহাতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান কাজ করছেন না। যে ভাবে মসজিদগুলোর নির্মান কাজ চলছে তাতে শেষ হতে এখনো অনেক দেরি। নির্মানাধীন মিেজদর মধ্যে রয়েছে, ঝিনাইদহ জেলা মডেল মসজিদ, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ, শৈলকুপা উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলা মডেল মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদ গুলো নির্মান করছে গনপুর্ত অধিদপ্তর।

৭টি মসজিদের মধ্যে মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। জেলা গনপুর্ত অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৪ কোটি ৮৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০২০ সালে ৩১ ডিসেম্বর নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। চলতি অর্থ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্মান কাজের শতকরা ২৫ ভাগ শেষ হয়েছে। কোটচাঁদপুর উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান ব্যয় বরাদ্ধ ছিল ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এ মসজিদের নির্মান শেষ হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এপর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ১৬ ভাগ।

এই মসজিদের পাইপ ক্যাপের কাজ শেষ হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এপর্যন্ত কাজ হয়েছে ২৮ ভাগ। দোতলার ছাদ পর্যন্ত উঠে তেমে আছে। মহেশপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এটির নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ১৭ ভাগ। সবেমাত্র পাইল ক্যাপের কাজ শেষ হয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মানে ব্যয় বরাদ্ধ আছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র দুই ভাগ। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা পর্যায়ের মসজিদ গুলো হবে তিন তলা বিশিষ্ট এবং জেলা মডেল মসজিদ হবে ৪ তলা। প্রতিটি মসজিদে থাকবে ইসলামিক ট্রেনিং সেন্টার, অটিজম সেন্টার, পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃখক নামাযের জায়গা, কনফারেন্স রুম ও গেষ্ট রুম। থাকবে ফুলের বাগান। প্রতিটি মসজিদ হবে একই ডিজাইনের। গনপুর্ত অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী জেরাল্ড ওলিভার গুডা জানান, ৫টি মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজের গতি খুব ধীর গতিতে চলছে।

তিনি জানান, নির্মান কাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারদের বারবার চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা কাজের গতি বাড়াচ্ছে না।