বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল

মেজর (অব.) সিনহা হত্যায় গণশুনানি শুরু করেছে তদন্ত কমিটি

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের খুনের ঘটনায় গণশুনানি শুরু হয়েছে। আজ রোববার টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে তদন্ত কমিটি এই গণশুনানি করছে। সকাল ১০টা থেকে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। জানা গেছে, শুনানিতে ১১ জন সাক্ষ্য দিতে এসেছেন। এ ছাড়া সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মাদ্রাসার একটি শিশুকেও আনা হয়েছে।

শুনানির স্থানটি ঘটনাস্থলের খুব কাছে মেরিন ড্রাইভ লাগোয়া। সকাল থেকেই এখানে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাসদস্যরা সকাল থেকে এখানে অবস্থান নেন। আশপাশ থেকে উৎসুক অনেক লোক এখানে ভিড় করেছেন।চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গণশুনানি করছে।

এর আগে ১২ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাহজাহান আলী একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এতে তিনি বলেন, ৩১ জুলাই আনুমানিক রাত নয়টায় পুলিশের গুলিবর্ষণে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কমিটি গণশুনানির আয়োজন করেছে।

গত ৩ জুলাই সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন রিফাত নুর কক্সবাজার আসেন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় তিনটি মৌলিক প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা বলছেন, এই তিনটি প্রশ্নের জবাব মিললেই ঘটনার সবকিছু স্পষ্ট হবে।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তিনটি প্রশ্নের উত্তর জানা তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এক. এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত, নাকি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে। দুই. কার নির্দেশে সিনহাকে গুলি করেছিলেন লিয়াকত। তিন. ঘটনার সময় আদৌ সিনহার হাতে অস্ত্র ছিল কি না।

সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে গত শুক্রবার। জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম তদন্তের দায়িত্বভার পেয়েছেন। এর আগে মামলাটি তদন্ত করছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক।সিনহা হত্যা মামলার আসামি চার পুলিশসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে র‌্যাবের একটি গাড়ি কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে সাত আসামিকে নিয়ে যায়।

আসামিরা হলেন কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া এবং পুলিশের মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. আইয়াস, নুরুল আমিন ও নাজিম উদ্দিন।গত বুধবার কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই সাত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

মেজর (অব.) সিনহা হত্যায় গণশুনানি শুরু করেছে তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের খুনের ঘটনায় গণশুনানি শুরু হয়েছে। আজ রোববার টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে তদন্ত কমিটি এই গণশুনানি করছে। সকাল ১০টা থেকে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। জানা গেছে, শুনানিতে ১১ জন সাক্ষ্য দিতে এসেছেন। এ ছাড়া সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মাদ্রাসার একটি শিশুকেও আনা হয়েছে।

শুনানির স্থানটি ঘটনাস্থলের খুব কাছে মেরিন ড্রাইভ লাগোয়া। সকাল থেকেই এখানে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাসদস্যরা সকাল থেকে এখানে অবস্থান নেন। আশপাশ থেকে উৎসুক অনেক লোক এখানে ভিড় করেছেন।চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গণশুনানি করছে।

এর আগে ১২ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাহজাহান আলী একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এতে তিনি বলেন, ৩১ জুলাই আনুমানিক রাত নয়টায় পুলিশের গুলিবর্ষণে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কমিটি গণশুনানির আয়োজন করেছে।

গত ৩ জুলাই সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন রিফাত নুর কক্সবাজার আসেন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় তিনটি মৌলিক প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা বলছেন, এই তিনটি প্রশ্নের জবাব মিললেই ঘটনার সবকিছু স্পষ্ট হবে।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তিনটি প্রশ্নের উত্তর জানা তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এক. এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত, নাকি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে। দুই. কার নির্দেশে সিনহাকে গুলি করেছিলেন লিয়াকত। তিন. ঘটনার সময় আদৌ সিনহার হাতে অস্ত্র ছিল কি না।

সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে গত শুক্রবার। জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম তদন্তের দায়িত্বভার পেয়েছেন। এর আগে মামলাটি তদন্ত করছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক।সিনহা হত্যা মামলার আসামি চার পুলিশসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে র‌্যাবের একটি গাড়ি কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে সাত আসামিকে নিয়ে যায়।

আসামিরা হলেন কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া এবং পুলিশের মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. আইয়াস, নুরুল আমিন ও নাজিম উদ্দিন।গত বুধবার কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই সাত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।