বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব Logo বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির মহিলা সমাবেশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি Logo জীবননগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা

বিএনপি নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকার সাহস নেই।

  • আপডেট সময় : ০৩:০২:০৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০
  • ৭৯১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্ক:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এরপর বিএনপির তৃণমূলের দাবি ছিলো- কঠোর কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলন করার। কিন্তু কেন্দ্র থেকে সামান্য বিক্ষোভ আর সমাবেশ ছাড়া তেমন কোনো কর্মসূচি দিতে পারেনি দলটি। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে তৃণমূলের। 
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, অদক্ষ নেতৃত্ব আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বিএনপির হাইকমান্ড কর্মসূচি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বছরজুড়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে মাঝারি ও তৃণমূল নেতারা দোয়া-মোনাজাত, কালো পতাকা মিছিল, মানববন্ধন, সমাবেশ, ঘরোয়া আলোচনা সভা আর ছোটখাটো বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে। এ সময় তারা বড় আন্দোলনের হুমকি দিলেও কার্যত কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেনি। এমনকি ঢাকার বাইরের বিভাগীয় শহরগুলোতেও বড় সমাবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে তারা।
তারা বলেন, কে দেবে বিএনপির কর্মসূচি? বিএনপি নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকার সাহস নেই। এ পর্যন্ত তাদের নেতাকর্মীরা কোনো আন্দোলন বেগবান করতে পারেনি। এমনকি আন্দোলনের ডাক দিলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে আসেন না। আর বর্তমানে তো বিএনপিতে কর্মসূচি দেয়ার মতো কেউই নেই। 
তারা আরো বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতারা ঘরে বসে শুধু প্রেস ব্রিফিং আর সরকারের সমালোচনা করতেই ব্যস্ত। বলা চলে, বিএনপির নেতারা শুধু নামে আছে, রাজনীতির মাঠে নেই। আর সেই ক্ষোভ থেকেই নেতাকর্মীদের  মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব বাড়ছে। বর্তমানে বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর হিংসাত্মক রাজনীতি প্রকাশ্যে চলছে। 
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতারা যথাসময়ে কঠিন কর্মসূচি দেয়ার কথা বলেন। তবে বছরের পর বছর পার হলেও এই কর্মসূচি শুধু বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে, মাঠের রাজনীতি ও আন্দোলন তাদের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপির আন্দোলন শুধু মুখে মুখেই। বাস্তবে মাঠের আন্দোলন করার সাহস তাদের নেই। আর আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে থাকেন তারা। এতোগুলো বছরের মধ্যে একটি আন্দোলনও করতে পারেনি বিএনপি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব

বিএনপি নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকার সাহস নেই।

আপডেট সময় : ০৩:০২:০৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০
নিউজ ডেস্ক:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এরপর বিএনপির তৃণমূলের দাবি ছিলো- কঠোর কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলন করার। কিন্তু কেন্দ্র থেকে সামান্য বিক্ষোভ আর সমাবেশ ছাড়া তেমন কোনো কর্মসূচি দিতে পারেনি দলটি। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে তৃণমূলের। 
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, অদক্ষ নেতৃত্ব আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বিএনপির হাইকমান্ড কর্মসূচি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বছরজুড়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে মাঝারি ও তৃণমূল নেতারা দোয়া-মোনাজাত, কালো পতাকা মিছিল, মানববন্ধন, সমাবেশ, ঘরোয়া আলোচনা সভা আর ছোটখাটো বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে। এ সময় তারা বড় আন্দোলনের হুমকি দিলেও কার্যত কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেনি। এমনকি ঢাকার বাইরের বিভাগীয় শহরগুলোতেও বড় সমাবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে তারা।
তারা বলেন, কে দেবে বিএনপির কর্মসূচি? বিএনপি নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকার সাহস নেই। এ পর্যন্ত তাদের নেতাকর্মীরা কোনো আন্দোলন বেগবান করতে পারেনি। এমনকি আন্দোলনের ডাক দিলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে আসেন না। আর বর্তমানে তো বিএনপিতে কর্মসূচি দেয়ার মতো কেউই নেই। 
তারা আরো বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতারা ঘরে বসে শুধু প্রেস ব্রিফিং আর সরকারের সমালোচনা করতেই ব্যস্ত। বলা চলে, বিএনপির নেতারা শুধু নামে আছে, রাজনীতির মাঠে নেই। আর সেই ক্ষোভ থেকেই নেতাকর্মীদের  মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব বাড়ছে। বর্তমানে বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর হিংসাত্মক রাজনীতি প্রকাশ্যে চলছে। 
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতারা যথাসময়ে কঠিন কর্মসূচি দেয়ার কথা বলেন। তবে বছরের পর বছর পার হলেও এই কর্মসূচি শুধু বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে, মাঠের রাজনীতি ও আন্দোলন তাদের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপির আন্দোলন শুধু মুখে মুখেই। বাস্তবে মাঠের আন্দোলন করার সাহস তাদের নেই। আর আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে থাকেন তারা। এতোগুলো বছরের মধ্যে একটি আন্দোলনও করতে পারেনি বিএনপি।