বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব Logo বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির মহিলা সমাবেশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি Logo জীবননগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা

বিএনপি নেতারা দলের মধ্যে একে অপরকে বিশ্বাস করছেন না।

  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২০
  • ৭৯২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির জনশক্তি ও জনসমর্থন বর্তমানে একদম তলানিতে। শুধু তাই-ই নয় দলের মধ্যে নেতারাও একে অপরকে বিশ্বাস করছেন না। আর এ বিশ্বাস ঘাটতি বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, বিএনপির দুর্দশার জন্য দায়ী দলের মূল নেতৃত্ব। পাশাপাশি দলের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নেতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি থাকায় কোনো কিছুতেই সফল হয়নি বিএনপি।

দলটির তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, বিএনপির আকস্মিক সিদ্ধান্ত আর দলের নেতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি ও ঐক্য না থাকায় নেতাকর্মীরা মাঠে নেই। একেকবার একেক সিদ্ধান্ত দিয়ে আবার সেই সিদ্ধান্ত থেকে হঠাৎ সরে আসায় দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে দলের নেতৃত্ব। এখন দলের সিনিয়র নেতারাও ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। বিএনপির নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ আছে, সেজন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থির থাকতে পারছে না দলটি।

তারা বলেন, দলের সিদ্ধান্তহীনতা আর নেতাদের বিশ্বাসের ঘাটতির কারণে বিরোধের দানা বাঁধছে। কোনো ইস্যুতে বিএনপি নেতারা এক জায়গায় পৌঁছাতে পারছেন না। তাই বিএনপির কোনো কর্মসূচি সফলতার মুখ দেখছে না।

এদিকে, জাতীয় নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়। তখন ঐক্যফ্রন্টকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখেছিলো। কিন্তু সেই ঐক্যফ্রন্টও বিশ্বাসের ঘাটতির কারণে সফল হতে পারেনি। নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর সেই ফ্রন্ট নিয়েই বিএনপিতে বিতর্ক দেখা দেয়। আর এখন ঐক্যফ্রন্ট পুরোদমে বিশ্রামে আছে।

বিএনপির এক নেতা বলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মাঝে বিশ্বাসের ঘাটতি ছিলো এবং নির্বাচনের পর দলের মহাসচিব ছাড়া আর কেউ জয়ী না হওয়ায় সেই ঘাটতি আরো বেড়েছে। সে কারণে দলের নেতারা অগ্রাধিকার বিষয়গুলো বা সমস্যা চিহ্নিত করতে পারছেন না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বিএনপি নেতাদের দলের নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস নেই। তারা নিজেরাই নিজেদের ঘর ভাঙার জন্য তৎপর। বিএনপির অনেক নেতাই দল ত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। দলের প্রতি বিশ্বাস আর ভালোবাসা থাকলে কোনো নেতা দল ত্যাগ করে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব

বিএনপি নেতারা দলের মধ্যে একে অপরকে বিশ্বাস করছেন না।

আপডেট সময় : ০২:৩০:০০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির জনশক্তি ও জনসমর্থন বর্তমানে একদম তলানিতে। শুধু তাই-ই নয় দলের মধ্যে নেতারাও একে অপরকে বিশ্বাস করছেন না। আর এ বিশ্বাস ঘাটতি বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, বিএনপির দুর্দশার জন্য দায়ী দলের মূল নেতৃত্ব। পাশাপাশি দলের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নেতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি থাকায় কোনো কিছুতেই সফল হয়নি বিএনপি।

দলটির তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, বিএনপির আকস্মিক সিদ্ধান্ত আর দলের নেতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি ও ঐক্য না থাকায় নেতাকর্মীরা মাঠে নেই। একেকবার একেক সিদ্ধান্ত দিয়ে আবার সেই সিদ্ধান্ত থেকে হঠাৎ সরে আসায় দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে দলের নেতৃত্ব। এখন দলের সিনিয়র নেতারাও ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। বিএনপির নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ আছে, সেজন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থির থাকতে পারছে না দলটি।

তারা বলেন, দলের সিদ্ধান্তহীনতা আর নেতাদের বিশ্বাসের ঘাটতির কারণে বিরোধের দানা বাঁধছে। কোনো ইস্যুতে বিএনপি নেতারা এক জায়গায় পৌঁছাতে পারছেন না। তাই বিএনপির কোনো কর্মসূচি সফলতার মুখ দেখছে না।

এদিকে, জাতীয় নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়। তখন ঐক্যফ্রন্টকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখেছিলো। কিন্তু সেই ঐক্যফ্রন্টও বিশ্বাসের ঘাটতির কারণে সফল হতে পারেনি। নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর সেই ফ্রন্ট নিয়েই বিএনপিতে বিতর্ক দেখা দেয়। আর এখন ঐক্যফ্রন্ট পুরোদমে বিশ্রামে আছে।

বিএনপির এক নেতা বলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মাঝে বিশ্বাসের ঘাটতি ছিলো এবং নির্বাচনের পর দলের মহাসচিব ছাড়া আর কেউ জয়ী না হওয়ায় সেই ঘাটতি আরো বেড়েছে। সে কারণে দলের নেতারা অগ্রাধিকার বিষয়গুলো বা সমস্যা চিহ্নিত করতে পারছেন না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বিএনপি নেতাদের দলের নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস নেই। তারা নিজেরাই নিজেদের ঘর ভাঙার জন্য তৎপর। বিএনপির অনেক নেতাই দল ত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। দলের প্রতি বিশ্বাস আর ভালোবাসা থাকলে কোনো নেতা দল ত্যাগ করে না।