স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
সহকর্মীদের সঙ্গে বার্ষিক বনভোজনে গিয়েছিলেন কবির। বাসে উঠে কিছুক্ষণ পরেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। বনভোজনের বাস গন্তব্যে পৌঁছলে তার সহকর্মীরা ঘুম থেকে ডাকেন কবিরকে। কিন্তু কবির এর আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এই ঘুম যে আর কখনও ভাঙবে না। এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের গ্যারেজ সেক্টরের বার্ষিক বনভোজনে। মৃত কবির হোসেন উপজেলার বাবরা গ্রামের মৃত কামাল হোসেনের ছেলে। বাসে থাকা শহিদুল ইসলাম নামে এক সহকর্মী জানান, রাত ২টায় বনভোজনের বাসটি সুগার মিল থেকে ছেড়ে যায়। গাড়ির মধ্যে কবির বেশ উৎফুল্ল ছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই একটি সিটে হেলান দিয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এর পর বাঘা লালপুর এলাকায় কিছুক্ষণ দাঁড়ায় বাসটি। এ সময় তিনি কবিরের শরীরে হাত দিয়ে দেখতে পান, পুরো শরীর ঠাণ্ডা ও মুখ দিয়ে লালা বের হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহী সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গত তিন বছর আগে বাবাকে হারায় কবির। এর পরের বছর গাছ থেকে পড়ে তার ছোট ভাইটি মারা যায়। এবার মাকে রেখে তিনিও চলে গেলেন অনন্তকালে।























































