বুধবার | ১ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুন্দরবনে জোনাব বাহিনীর কবল থেকে জেলে উদ্ধার, কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার Logo সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: নিরাপদ সড়কের দাবিতে খুবিতে মানববন্ধন Logo মতলব দক্ষিণে নায়েরগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভরসার নাম ফারুক হাসান Logo চাঁদপুর লঞ্চে জন্ম নিল কন্যাশিশু, পাশে দাঁড়াল পুলিশ-সাংবাদিক-স্বেচ্ছাসেবকরা Logo চাঁদপুরে হামে আক্রান্ত ২৮ শিশু ভর্তি, মৃত্যু ৩, খোলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড Logo কোডেক এর উদ্যোগে শ্যামনগরের মানুষ পেল বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবগুলোর সাথে ওয়েব ফাউন্ডেশনের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo পলাশবাড়ীতে সেনা সদস্যকে গ্রেফতারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ Logo সরকার পুলিশের ত্রি-মাত্রিক সক্ষমতা অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার : কে শোনে কার কথা!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ মে ২০১৯
  • ৭৪২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক::জীবননগরে বৈদ্যুতিক তারের কারণে প্রতিনিয়িত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এতে মানুষের প্রাণহানীও ঘটছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা আর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। এ যেন কেউ দেখার নেই!
সরেজমিনে দেখা গেছে, জীবননগর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড টিএন্ডটিপাড়ায় পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই গড়ে উঠেছে একটি ভবন। সেখানে দেখা গেছে, ঘরের মধ্যে দিয়েই রয়েছে বৈদ্যুতিক পিলার ও বিদ্যুতের মেইন লাইন। এতে করে যে কোন সময় ঘটতে পারে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাড়ির মালিক অভিযোগ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা কোন কর্ণপাত করে না। অবশেষে ঘরের মধ্যে থেকে বৈদ্যুতিক পিলার সরানোর জন্য কোর্টে একটি আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌছালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্তৃপক্ষরা আমাকে ডেকে বলেন, পিলার সরাতে হলে ৩০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে, টাকা জমা দিলে পিলার সরানো হবে। কিন্তু টাকা জোগাড় করতে না পারায় পিলার কিনতে পারিনি। যার ফলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিনিয়িত চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করতে হচ্ছে।
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জীবননগর শাখার এজিএম মনিরুল ইসলাম জানান, পৌরসভার টিএন্ডটি পাড়ায় বৈদ্যুতিক লাইনের যে সমস্য বলা হচ্ছে, এটি আমি জানি এবং আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পিলারটা সরিয়ে যে স্থানে দিবো তার কোন জায়গা নেই, তাছাড়া বাড়ির মালিক যেভাবে বাড়ি তৈরি করেছে এই বাড়ির অনুমোদন দিলো কিভাবে পৌরসভা, না আদৌও পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়নি তা আমি জানি না। আমার ধারণা পৌরসভা থেকে অনুমোদন নিলে এ বাড়ি তৈরি করার জন্য অনুমোদন দিতো না। কারণ বৈদ্যুতিক পিলারের মাথার উপর ওই বাড়ির মালিক সানসেন্ট তৈরি করেছে। তবে বিষয়টি আমরা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো।

ট্যাগস :

স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার : কে শোনে কার কথা!

আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ মে ২০১৯

নিউজ ডেস্ক::জীবননগরে বৈদ্যুতিক তারের কারণে প্রতিনিয়িত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এতে মানুষের প্রাণহানীও ঘটছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা আর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। এ যেন কেউ দেখার নেই!
সরেজমিনে দেখা গেছে, জীবননগর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড টিএন্ডটিপাড়ায় পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই গড়ে উঠেছে একটি ভবন। সেখানে দেখা গেছে, ঘরের মধ্যে দিয়েই রয়েছে বৈদ্যুতিক পিলার ও বিদ্যুতের মেইন লাইন। এতে করে যে কোন সময় ঘটতে পারে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাড়ির মালিক অভিযোগ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা কোন কর্ণপাত করে না। অবশেষে ঘরের মধ্যে থেকে বৈদ্যুতিক পিলার সরানোর জন্য কোর্টে একটি আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌছালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্তৃপক্ষরা আমাকে ডেকে বলেন, পিলার সরাতে হলে ৩০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে, টাকা জমা দিলে পিলার সরানো হবে। কিন্তু টাকা জোগাড় করতে না পারায় পিলার কিনতে পারিনি। যার ফলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিনিয়িত চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করতে হচ্ছে।
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জীবননগর শাখার এজিএম মনিরুল ইসলাম জানান, পৌরসভার টিএন্ডটি পাড়ায় বৈদ্যুতিক লাইনের যে সমস্য বলা হচ্ছে, এটি আমি জানি এবং আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পিলারটা সরিয়ে যে স্থানে দিবো তার কোন জায়গা নেই, তাছাড়া বাড়ির মালিক যেভাবে বাড়ি তৈরি করেছে এই বাড়ির অনুমোদন দিলো কিভাবে পৌরসভা, না আদৌও পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়নি তা আমি জানি না। আমার ধারণা পৌরসভা থেকে অনুমোদন নিলে এ বাড়ি তৈরি করার জন্য অনুমোদন দিতো না। কারণ বৈদ্যুতিক পিলারের মাথার উপর ওই বাড়ির মালিক সানসেন্ট তৈরি করেছে। তবে বিষয়টি আমরা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো।