বৃহস্পতিবার | ২ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না Logo সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদে দায়িত্ব নিলেন নতুন প্রশাসক সলিম উল্যা সেলিম Logo স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুন্দরবনে জোনাব বাহিনীর কবল থেকে জেলে উদ্ধার, কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার Logo সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: নিরাপদ সড়কের দাবিতে খুবিতে মানববন্ধন Logo মতলব দক্ষিণে নায়েরগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভরসার নাম ফারুক হাসান Logo চাঁদপুর লঞ্চে জন্ম নিল কন্যাশিশু, পাশে দাঁড়াল পুলিশ-সাংবাদিক-স্বেচ্ছাসেবকরা Logo চাঁদপুরে হামে আক্রান্ত ২৮ শিশু ভর্তি, মৃত্যু ৩, খোলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড

দর্শনা ও বাড়াদীতে পৃথক অগ্নিকা- : প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯
  • ৭৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আল্লাহর দান হোটেলে ও বাড়াদী গ্রামের চার বাড়িতে পৃথক দু’টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার গভীর রাতে দর্শনায় আল্লাহর দান হোটেলে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে।
আল্লাহর দান হোটেলের সত্ত্বাধিকারী খন্দকার জাহিরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সারাদিন বেচাকেনা শেষে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দর্শন সিনেমা হলের সামনে (পুরাতন) আল্লাহর দান হোটেলের পরিচালক খন্দকার রাকিবুল ইসলাম বাড়িতে চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে স্থানীয়রা হঠাৎ হোটেলের পিছনের রান্নাঘরের দিক থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। এ দেখে স্থানীয়রা হোটেল মালিককে খবর দিলে তারা দ্রুত ছুটে আসে এবং আগুন জ্বলতে দেখে দর্শনা ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দেয়। পরে ফায়ার সাভিংসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ অগ্নিকা-ের ঘটনায় প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকার মতো ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে জানায় হোটেল মালিক জহিরুল ইসলাম।
এদিকে, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের বাড়াদি গ্রামের চার বাড়িতে অগ্নিকান্ডে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে বাড়াদী গ্রামের আফসারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে আগুন লাগে। সেখান থেকেই প্রতিবেশী মৃত তাজের আলী বিশ্বাসের ছেলে হাসেম আলী বিশ্বাসের বাড়ি, করিম মন্ডলের ছেলে রবিউল ইসলামের বাড়ি ও রবিউল ইসলামের ছেলে সাইদুর রহমানের বাড়ি মোট ৪টি বাড়ির জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
প্রথমে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় সেখান থেকে গ্রামের মানুষজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু আগুন ক্রমাগত বাড়তেই থাকলে তখন দর্শনা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং টানা এক থেকে দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু তার আগেই সব মিলিয়ে ৪ পরিবারের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ট্যাগস :

ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব

দর্শনা ও বাড়াদীতে পৃথক অগ্নিকা- : প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ১১:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আল্লাহর দান হোটেলে ও বাড়াদী গ্রামের চার বাড়িতে পৃথক দু’টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার গভীর রাতে দর্শনায় আল্লাহর দান হোটেলে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে।
আল্লাহর দান হোটেলের সত্ত্বাধিকারী খন্দকার জাহিরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সারাদিন বেচাকেনা শেষে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দর্শন সিনেমা হলের সামনে (পুরাতন) আল্লাহর দান হোটেলের পরিচালক খন্দকার রাকিবুল ইসলাম বাড়িতে চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে স্থানীয়রা হঠাৎ হোটেলের পিছনের রান্নাঘরের দিক থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। এ দেখে স্থানীয়রা হোটেল মালিককে খবর দিলে তারা দ্রুত ছুটে আসে এবং আগুন জ্বলতে দেখে দর্শনা ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দেয়। পরে ফায়ার সাভিংসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ অগ্নিকা-ের ঘটনায় প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকার মতো ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে জানায় হোটেল মালিক জহিরুল ইসলাম।
এদিকে, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের বাড়াদি গ্রামের চার বাড়িতে অগ্নিকান্ডে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে বাড়াদী গ্রামের আফসারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে আগুন লাগে। সেখান থেকেই প্রতিবেশী মৃত তাজের আলী বিশ্বাসের ছেলে হাসেম আলী বিশ্বাসের বাড়ি, করিম মন্ডলের ছেলে রবিউল ইসলামের বাড়ি ও রবিউল ইসলামের ছেলে সাইদুর রহমানের বাড়ি মোট ৪টি বাড়ির জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
প্রথমে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় সেখান থেকে গ্রামের মানুষজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু আগুন ক্রমাগত বাড়তেই থাকলে তখন দর্শনা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং টানা এক থেকে দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু তার আগেই সব মিলিয়ে ৪ পরিবারের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।