রবিবার | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সোমবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু Logo ইউপি সদস্য থেকে সংসদ সদস্য: নুরুল আমিন Logo গণরায়ের বিজয়ে শুকরিয়া আদায়: যুবদল নেতা জিয়া প্রধানীয়ার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া Logo চাঁদপুরে বিএনপির শক্ত অবস্থান, ৪ আসনে বিজয়; একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চমক Logo ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে প্লেকার্ড হাতে ভোট কেন্দ্রে বোন মাসুম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ, নারী ও তরুণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি Logo নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার Logo ভোট বর্জন করলেন হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী জসীম Logo ৪৬ কেন্দ্রে তিনগুণেরও বেশি ভোটে এগিয়ে হাসনাত Logo মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ॥ বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁঁকি

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৯
  • ৭৪৫ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তুপ
নিউজ ডেস্ক:সারা দেশের হাসপাতাল থেকে কমপক্ষে ৫০ হাজার টন চিকিৎসা বর্জ্য হয়। এ হিসেবে প্রতিদিনের এই বর্জ্যরে পরিমাণ ১৩৭ টন। ফলে যত্রতত্র বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁঁিক। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেই নিজস্ব বর্জ্য শোধাণাগার কার্যক্রম। তাই বাধ্য হয়েই প্রতিদিনের দূষিত বর্জ্য ফেলা হয় হাসপাতালের খোলা জায়গায়। আর এতে করে বাতাসের সঙ্গে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশকে করছে মারাত্মকভাবে দূষিত। দিন শেষে হাসপাতাল রোগীদের এসব বর্জ্য নিয়ে কোথায় ফেলা হয় তার সঠিক জবাব নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। চিকিৎসকরা বলছে, হাসপাতালের এসব বর্জ্য এতই ক্ষতিকারক যে, একজন সুস্থ রোগীকে অসুস্থ করতে এর মিনিট পাঁচেকই যথেষ্ঠ।


চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন খাইরুল আলম বলেন, হাসপাতালে রোগীদের এসব বর্জ্য বিনষ্ট করতে বিশেষ এক ধরণের ইনসিনারেসন মেশিনের প্রয়োজন। যা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেই। প্রতিদিনের রোগীদের যে বর্জ্য জমা হয়, তা হাসপাতালের একপাশে ডাস্টবিনে রাখা হয়। পরে সেসব বর্জ্য পৌরসভার গাড়ি এসে নিয়ে যায়। তবে পৌরসভার গাড়ি হাসপাতালের সেই বর্জ্য কোথায় ফেলে তার কোন তথ্য দিতে পারেননি জেলার এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালটি ১শ’ শয্যা বিশিষ্ঠ একটি হাসপাতাল। তবে হাসপাতাল তুলনায় রোগীর চাপ পড়ে তিনগুন। ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা বর্জ্য জমে হাসপাতালে। এসব বর্জ্য ওয়ার্ড থেকে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়ে এসে ফেলে হাসপাতালের ডাস্টবিনে। একসাথে অনেক বর্জ্য জমে মুহুত্বে ছড়িয়ে পড়ে দূর্গন্ধ। যা মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কয়েক দিন ঘুরে দেখা যায়, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি ওয়ার্ডের পাশে রাখা আছে বড় বড় প্লাষ্টিকের ড্রাম। সারাদিন পর সন্ধ্যায় পরিচ্ছন্ন কর্মিরা এসব ড্রামে ভর্তি হওয়া রোগীদের বর্জ্য নিয়ে গিয়ে হাসপাতালের ডাস্টবিনে ফেলছে। একটা সময় হাসপাতালে রোগীদের বর্জ্য জমতে জমতে তৈরি হয় আর্বজনার স্তুপ।
সদর হাসপাতালের একপরিচ্ছন্ন কর্মি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ডের বর্জ্য নিয়ে হাসপাতালের খোলা জায়গাতেই ফেলেন তিনি। পরে গাড়ি এসে ময়লাগুলো নিয়ে চলে যায়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবীর বলেন, হাসপাতালে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে রোগীর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। তবে রোগীদের বর্জ্য ধংসের জন্য যে সরঞ্জাম প্রয়োজন, তা হাসপাতালে না থাকায় বাধ্য হয়েই রোগীদের চিকিৎসা বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে বলে জানান তিান।
সিভিল সার্জন খাইরুল আলম বলেন, সদর হাসপাতালের বর্জ্য শোধাণাগারের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণাালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শ্রিঘই এই সমস্যা দূর হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।
তবে সাধারণ মানুষ বলছে শুধুমাত্র আশ্বাস নয়, হাসপাতালটিতে বর্জ্য শোধণাগার তৈরী করে পরিবেশসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোমবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু

দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ॥ বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁঁকি

আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৯

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তুপ
নিউজ ডেস্ক:সারা দেশের হাসপাতাল থেকে কমপক্ষে ৫০ হাজার টন চিকিৎসা বর্জ্য হয়। এ হিসেবে প্রতিদিনের এই বর্জ্যরে পরিমাণ ১৩৭ টন। ফলে যত্রতত্র বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁঁিক। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেই নিজস্ব বর্জ্য শোধাণাগার কার্যক্রম। তাই বাধ্য হয়েই প্রতিদিনের দূষিত বর্জ্য ফেলা হয় হাসপাতালের খোলা জায়গায়। আর এতে করে বাতাসের সঙ্গে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশকে করছে মারাত্মকভাবে দূষিত। দিন শেষে হাসপাতাল রোগীদের এসব বর্জ্য নিয়ে কোথায় ফেলা হয় তার সঠিক জবাব নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। চিকিৎসকরা বলছে, হাসপাতালের এসব বর্জ্য এতই ক্ষতিকারক যে, একজন সুস্থ রোগীকে অসুস্থ করতে এর মিনিট পাঁচেকই যথেষ্ঠ।


চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন খাইরুল আলম বলেন, হাসপাতালে রোগীদের এসব বর্জ্য বিনষ্ট করতে বিশেষ এক ধরণের ইনসিনারেসন মেশিনের প্রয়োজন। যা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেই। প্রতিদিনের রোগীদের যে বর্জ্য জমা হয়, তা হাসপাতালের একপাশে ডাস্টবিনে রাখা হয়। পরে সেসব বর্জ্য পৌরসভার গাড়ি এসে নিয়ে যায়। তবে পৌরসভার গাড়ি হাসপাতালের সেই বর্জ্য কোথায় ফেলে তার কোন তথ্য দিতে পারেননি জেলার এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালটি ১শ’ শয্যা বিশিষ্ঠ একটি হাসপাতাল। তবে হাসপাতাল তুলনায় রোগীর চাপ পড়ে তিনগুন। ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা বর্জ্য জমে হাসপাতালে। এসব বর্জ্য ওয়ার্ড থেকে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়ে এসে ফেলে হাসপাতালের ডাস্টবিনে। একসাথে অনেক বর্জ্য জমে মুহুত্বে ছড়িয়ে পড়ে দূর্গন্ধ। যা মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কয়েক দিন ঘুরে দেখা যায়, মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি ওয়ার্ডের পাশে রাখা আছে বড় বড় প্লাষ্টিকের ড্রাম। সারাদিন পর সন্ধ্যায় পরিচ্ছন্ন কর্মিরা এসব ড্রামে ভর্তি হওয়া রোগীদের বর্জ্য নিয়ে গিয়ে হাসপাতালের ডাস্টবিনে ফেলছে। একটা সময় হাসপাতালে রোগীদের বর্জ্য জমতে জমতে তৈরি হয় আর্বজনার স্তুপ।
সদর হাসপাতালের একপরিচ্ছন্ন কর্মি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ডের বর্জ্য নিয়ে হাসপাতালের খোলা জায়গাতেই ফেলেন তিনি। পরে গাড়ি এসে ময়লাগুলো নিয়ে চলে যায়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবীর বলেন, হাসপাতালে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে রোগীর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। তবে রোগীদের বর্জ্য ধংসের জন্য যে সরঞ্জাম প্রয়োজন, তা হাসপাতালে না থাকায় বাধ্য হয়েই রোগীদের চিকিৎসা বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে বলে জানান তিান।
সিভিল সার্জন খাইরুল আলম বলেন, সদর হাসপাতালের বর্জ্য শোধাণাগারের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণাালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শ্রিঘই এই সমস্যা দূর হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।
তবে সাধারণ মানুষ বলছে শুধুমাত্র আশ্বাস নয়, হাসপাতালটিতে বর্জ্য শোধণাগার তৈরী করে পরিবেশসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।