মঙ্গলবার | ১৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি Logo বইমেলা শেষ, ঈদের আমেজ—তবুও জ্ঞানের আহ্বান অম্লান Logo বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী Logo ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ Logo চাঁদপুর বড় স্টেশন প্রধানীয়া বাড়িতে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo জাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল

নান্দাইলে কর্মসৃজন প্রকল্পের চার কোটি সাত লাখ টাকা ফেরত !

  • আপডেট সময় : ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ত্রাণ ও পুন:বার্সন অধিদপ্তর থেকে মঞ্জুরীকৃত অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের ৪ কোটি ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭১০ টাকা সরকারী কোষাগারে ফেরত প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান ও উপজেলা ত্রাণ ও পুন:বার্সন অফিসার এডিএম সিরাজুল হক মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানান। উপজেলার ১২ ইউনিয়নের জন্য সরকার প্রথম দফা প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করে। এর মাঝে ৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান/ ইউপি সদস্যগণ প্রকল্প প্রণয়ন সহ শ্রমিকের নাম প্রশাসনের নিকট জমা প্রদান করে নাই। বাকী চন্ডীপাশা, আচারগাঁও ও মুশুলী ইউনিয়নে আংশিক কাজ করার পরেও এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের কোন টাকা প্রদান করা হয় নাই। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে শ্রমিক বন্টন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় সরকারী এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যায়। এতে করে সরকারের একটি মহৎ প্রকল্পে দরিদ্রদের পুন:বার্সন করার সুযোগ থেকে নান্দাইলের শ্রমজীবি বঞ্চিত হয়েছে। অপরদিকে ২য় দফা উল্লেখিত প্রকল্পে আরও প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হলেও আজ পর্যন্ত মাত্র বেতাগৈর, শেরপুর ও মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়েছে। বাকী ৯টি ইউনিয়নে ২য় দফায় এখন পর্যন্ত কোন কাজ শুরু হয়নি। ধারনা করা হচ্ছে ২য় পর্যায়ের বরাদ্দকৃত টাকাও ফেরত যাবে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলার নেতৃবৃন্দ অতি দরিদ্র শ্রমজীবি মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পিআইও জানান, “মাঠে কাজ না হওয়ায় আমরা এই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছি। উক্ত বিষয়ে আর কিছু বলতে তারা রাজি হয়নি।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

নান্দাইলে কর্মসৃজন প্রকল্পের চার কোটি সাত লাখ টাকা ফেরত !

আপডেট সময় : ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮

 

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ত্রাণ ও পুন:বার্সন অধিদপ্তর থেকে মঞ্জুরীকৃত অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের ৪ কোটি ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭১০ টাকা সরকারী কোষাগারে ফেরত প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান ও উপজেলা ত্রাণ ও পুন:বার্সন অফিসার এডিএম সিরাজুল হক মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানান। উপজেলার ১২ ইউনিয়নের জন্য সরকার প্রথম দফা প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করে। এর মাঝে ৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান/ ইউপি সদস্যগণ প্রকল্প প্রণয়ন সহ শ্রমিকের নাম প্রশাসনের নিকট জমা প্রদান করে নাই। বাকী চন্ডীপাশা, আচারগাঁও ও মুশুলী ইউনিয়নে আংশিক কাজ করার পরেও এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের কোন টাকা প্রদান করা হয় নাই। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে শ্রমিক বন্টন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় সরকারী এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যায়। এতে করে সরকারের একটি মহৎ প্রকল্পে দরিদ্রদের পুন:বার্সন করার সুযোগ থেকে নান্দাইলের শ্রমজীবি বঞ্চিত হয়েছে। অপরদিকে ২য় দফা উল্লেখিত প্রকল্পে আরও প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হলেও আজ পর্যন্ত মাত্র বেতাগৈর, শেরপুর ও মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়েছে। বাকী ৯টি ইউনিয়নে ২য় দফায় এখন পর্যন্ত কোন কাজ শুরু হয়নি। ধারনা করা হচ্ছে ২য় পর্যায়ের বরাদ্দকৃত টাকাও ফেরত যাবে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলার নেতৃবৃন্দ অতি দরিদ্র শ্রমজীবি মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পিআইও জানান, “মাঠে কাজ না হওয়ায় আমরা এই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছি। উক্ত বিষয়ে আর কিছু বলতে তারা রাজি হয়নি।”